আইপিএল ২০২২, ম্যাচ ৩৮: পাঞ্জাব কিংস বনাম চেন্নাই সুপার কিংস, পরিসংখ্যান প্রিভিউ এবং আসন্ন মাইলফলক
পাঞ্জাব চেন্নাইকে ৫৪ রানে হারিয়েছিল
আপডেট করা - Apr 24, 2022 11:00 pm

মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে আইপিএল ২০২২-এর ৩৮তম ম্যাচে পাঞ্জাব কিংস এবং চেন্নাই সুপার কিংস একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করবে। গত মরসুমে, সিএসকে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল এবং পিবিকেএস সপ্তম স্থানে ছিল। তবে উভয় দলেরই এখন পর্যন্ত ভালো মরসুম কাটছে না। পাঞ্জাব কিংস তিনটি জয়ের সাথে অষ্টম স্থানে এবং চেন্নাই সুপার কিংস দুটি জয়ের সাথে নবম স্থানে রয়েছে। পিবিকেএস এবং সিএসকে উভয়েই এই মরসুমে এখনও পর্যন্ত ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে একটি মাত্র ম্যাচ খেলেছে, উভয়েই তখন হেরেছে। এই মরসুমের এর আগে যখন দুই দল মুখোমুখি হয়েছিল তখন পাঞ্জাব চেন্নাইকে ৫৪ রানে পরাজিত করেছিল।
পাঞ্জাব কিংস তাদের শেষ পাঁচটি আইপিএল ম্যাচের মধ্যে প্রথমে ব্যাট করার সময় দুটি ম্যাচই জিতেছে কিন্তু তাড়া করতে নেমে তিনটি ম্যাচই হেরেছে। কাগজেকলমে শক্তিশালী দেখালেও তাদের ওপেনার মায়াঙ্ক আগরওয়াল এবং শিখর ধাওয়ান ফর্মের বাইরে। ভানুকা রাজাপাকসের জায়গায় খেলা জনি বেয়ারস্টো এখনও বিশেষ কিছু করতে পারেননি। লিয়াম লিভিংস্টোন এবং জিতেশ শর্মা কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছেন। লেগ স্পিনার রাহুল চাহার উইকেট নেওয়া এবং রান রেট নিয়ন্ত্রণ উভয় ক্ষেত্রেই তাদের শীর্ষ বোলার।
সিএসকের গত মরসুম এবং বর্তমান মরসুমের মধ্যে পার্থক্য হল রুতুরাজ গায়কওয়াড়ের বেশি স্কোর করতে না পারা। ফর্মের বাইরে থাকা ওপেনিং জুটি থাকলেও, ৪ নম্বরে থাকা আম্বাতি রায়ডু ধীরে ধীরে তাঁর ফর্ম খুঁজে পেতে শুরু করেছেন, এবং ৫ নম্বরে থাকা শিবম দুবে তাদের শীর্ষ পারফর্মার। ৩৮ বছর বয়সী পেসার ডোয়েন ব্রাভো এবং ২১ বছর বয়সী স্পিনার মাহীষ ঠীকশানা বল হাতে তাদের সেরা পারফরমার।
আইপিএল ২০২২-এর ৩৮ নম্বর ম্যাচের আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যানের দিকে নজর দেওয়া হল
হেড টু হেড – সিএসকে এবং পিবিকেএস ২৬টি ম্যাচে একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে, যার মধ্যে সিএসকে জিতেছে ১৫টি এবং পিবিকেএস জিতেছে ১১টি।
১ – পাঞ্জাব কিংস ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে তাদের শেষ ছয়টি আইপিএল ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটি জিতেছে।
২ – ৩২ উইকেটে থাকা অর্শদীপ সিংকে মোহিত শর্মাকে ছাড়িয়ে যেতে এবং আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসের হয়ে পঞ্চম-সর্বোচ্চ উইকেট নেওয়া পেসার হতে আরও দুটি উইকেট নিতে হবে। শীর্ষ চারে রয়েছেন সন্দীপ শর্মা, মহম্মদ শামি, ইরফান পাঠান এবং পারবিন্দর আওয়ানা।
৫৩ – রুতুরাজ গায়কওয়াড়কে আইপিএলে ১০০০ রান ছুঁতে আরও ৫৩ রান করতে হবে। তিনি যদি পরের ম্যাচে এটিতে পৌঁছান তবে তিনি মাত্র ৩০ ইনিংসে দ্রুততম ১০০০ রান করা ভারতীয় খেলোয়াড় হয়ে উঠবেন।
৬৫ – মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসের হয়ে ১৫০০ রান করতে আর ৬৫ রান করতে হবে।
২ – শিখর ধাওয়ানকে (৫৯৯৮) আইপিএলে ৬০০০ রানের ল্যান্ডমার্ক পূর্ণ করতে দুই রান প্রয়োজন।
১ – ধাওয়ান (১৯৯) আইপিএলে ২০০ ম্যাচের ল্যান্ডমার্কে পৌঁছনো থেকে এক ম্যাচ দূরে।
১ – এমএস ধোনি (১৯৯) আইপিএলে ২০০ ইনিংসে পৌঁছনো থেকে এক ইনিংস দূরে।
১১ – ধাওয়ান (৮৯৮৯) টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৯০০০ রান পূর্ণ করতে ১১ রান দূরে।
৪ – মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (৩৯৬) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৪০০ চারে পৌঁছতে চারটি চারের প্রয়োজন।
৫ – ভানুকা রাজাপাকসার (১৯৯৫) টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ২০০০ রান করতে পাঁচ রান প্রয়োজন।
৮ – এমএস ধোনি (৪৯২) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৫০০টি চারে পৌঁছতে আটটি চারের প্রয়োজন।
৩ – ডোয়েন ব্রাভো (৯৭) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সিএসকে-এর হয়ে ১০০ বাউন্ডারি মারা থেকে তিনটি চার দূরে।
৫১ – রবিন উথাপ্পা (৪৯৪৯) আইপিএলে ৫০০০ রানের ল্যান্ডমার্ক পূর্ণ করা থেকে ৫১ রান দূরে।
১ – রাহুল চাহার (৪৯) টুর্নামেন্টে ৫০ ম্যাচের মাইলফলক থেকে এক ম্যাচ দূরে।
৫ – আগরওয়াল (১৪৫) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ১৫০টি ছক্কা পূর্ণ করা থেকে পাঁচটি ওভার-বাউন্ডারি দূরে।
১ – মইন আলির (১৪৯) টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ১৫০ উইকেট পূর্ণ করতে একটি শিকার প্রয়োজন।
৮ – শিবম দুবের (৪২) আইপিএলে ৫০টি চারে পৌঁছতে আটটি চারের প্রয়োজন।
৩ – ব্রাভোর (৪৭) আইপিএলে সিএসকের হয়ে ৫০ ছক্কা পেতে তিনটি বড় হিট প্রয়োজন।
৯ – গায়কওয়াড় (৯১) লিগে ১০০টি চার পূর্ণ করা থেকে নয়টি চার দূরে।
২৩ – রবীন্দ্র জাডেজা (২৪৭৭) টুর্নামেন্টে ২৫০০ রান থেকে ২৩ রান দূরে।