ভুবনেশ্বর কুমার ও বুমরার বিধ্বংসী বোলিংয়ে এজবাস্টনেই সিরিজ ভারতের

Team India
Team India. ( Photo Source: BCCI/Twitter )

ভুবনেশ্বর কুমার ও জসপ্রীত বুমরার দুর্ধর্ষ বোলিংয়েই শেষ ইংল্যান্ডের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ। প্রথম ম্যাচে একা হার্দিক পান্ডিয়ার দাপটেই শেষ হয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। এজবাস্টনে দ্বিতীয় টি টোয়েন্টিতে তারকাখচিত ব্রিটিশ লাইনআপকে শেষ করে দিলেন জসপ্রীত বুমরাহ ও ভুবনেশ্বর কুমার। আর তাতেই ঘরের মাঠে টি টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের আশা শেষ ব্রিটিশ বাহিনীর। এজবাস্টনে ইংল্যান্ডকে ৪৯ রানে হারিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ জিতে নিল টিম ইন্ডিয়া।

এই এজবাস্টনেই ইংল্যান্ডের কাছে টেস্ট হেরে সিরিজ জয়ের স্বপ্ন শেষ হয়েছিল ভারতের। সেখানেই দ্বিতীয় টি টোয়েন্টিতে নেমেছিলেন রোহিত শর্মারা। অধিনায়ক হিসাবে টি টোয়েন্টিতে তাঁর জয়ের ধারা যেমন অব্যহত রইল। তেমনই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি টোয়েন্টিতে সিরিজ জয়ের ধারাও অব্যহবত রেখে দিল ভারতীয় দল। ব্যাট হাতে ভারতকে লড়াই করার জায়গায় যেমন পৌঁছে দিয়েছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা, তেমনই বল হাতে চিম ইন্ডিয়ার জয়টাও পাকা করে দিয়েছিলেন জসপ্রীত বুমরাহ ও ভুবনেশ্বর কুমার।

নটিংহ্যামে ইংল্যান্ডকে হোয়াইট ওয়াশ করার সুযোগ ভারতের সামনে

বিশ্রাম কাটিয়ে এই ম্যাচেই ফিরেছিলেন বিরাট কোহলি, ঋষভ পন্থ এবং জসপ্রীত বুমরাহ-রা। টস জিতে এদিন ভারতকেই প্রথমে ব্যাটিংয়ের সুযোগ করে দেন ব্রিটিশ অধিনায়ক জস বাটলার। এদিন ওপেনিংয়ে ঋষভ পন্থকে নিয়ে নেমে সকলকে চমকেই দিয়েছিলেন রোহিত শর্মা। আর প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন দুই তারকাই। পাওয়ার প্লে-কে কাজে লাগাতে এতটুকু ভুল করেননি তারা। কিন্তু রোহিতকে থামতে গয় ৩১ রানে। সেইসঙ্গে হঠাত্ই যেন রানের গতিও বেশ খানিকটা কমে যায় ভারতের।

পরপর উইকেট খুইয়ে একসময় চাপেও পড়ে গিয়েছিল ভারত। বিরাট ফেরেন ১ রানে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঋষভ পন্থও সাজঘরের রাস্তা ধরেন ২৬ রানে। ৮৯ রানের মধ্যে পাঁচ উইকেট খুইয়ে রীতিমত চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারতীয় শিবির। সেই জায়গা থেকেই লড়াইটা শুরু করেন রবীন্দ্র জাদেজা। একসময় যে ভারতীয় দলে্র রান ১৫০ টপকাতে পারবে কিনা সন্দেহ ছিল, সেই ভারতকেই ১৭০ রানে পৌঁছে দেন রবীন্দ্র জাদেজা। তাঁর ২৯ বলে ৪৬ রানের ঝোরো ইনিংসেই এদিন তা সম্ভব হয়।

যদিও ঘরের মাঠে তখন ইংল্যান্ডের সামনে জয়ের সুযোগ রয়েছে। এবার পরীক্ষাটা ছিল ভারতীয় বোলারদের। সেখানেই তারা এতটুকু ভুল করেননি। শুরু থেকেই ভুবনমেশ্বর কুমার এবং জসপ্রীত বুমরাই ছিলেন ভয়ঙ্কর মেজাজে। বিশেষ করে ভুবনেশ্বর কুমার। প্রথম বলেই জেসন রয়কে সাজঘরের রাস্তাটা দেখিয়ে দেন তিনি। যদিও ক্রিজে রয়েছেন সেই সময় মালান ও জস বাটলারের মতো তারকারা। তাতে কী ভুবি, বুমরার দাপটে কেউই দাঁড়াতে পারেননি।

৫৫ রানের মধ্যে ব্রিটিশদের ৫ উইকেট তুলে নিয়ে ভারতের জয়টা কার্যত তারা পাকা করে দিয়েছিল। এতাই এদিন তিন উইকেট নেন ভুবনেশ্বর কুমার। তাঁর শিকার জেসন রয়, জস বাটলার এবং গ্লিসন। অন্যদিকে লিভিংস্টোন এবং স্যাম কারানকে তুলে নেন জসপ্রীত বুমরাহ। মাঝে ডেভিড মালানের উইকেট যুজবেন্দ্র চাহালের। মোঈন একটু লড়াই করার চেষ্টা করলেও, তা ভারতের বিরুদ্ধে জেতার জন্য যথেষ্ট ছিল না। ১২১ রানেই থেমে যেতে হয় ব্রিটিশ বাহিনীকে।

close whatsapp