শাস্তি না দিলেও ডিআরএস ঘটনা নিয়ে বিরাটদের সাবধান করল আইসিসি
আপডেট করা - Jan 15, 2022 5:27 pm

বড়সড় শাস্তি না পেলেও, ডিআরএস বিতর্ক নিয়ে টিম ইন্ডিয়াকে সতর্ক করলেন আইসিসি ম্যাচ অফিসিয়ালসরা। কেপটাউন টেস্ট শেষ হওয়ার পরই ভারতীয় দলকের সঙ্গে এই বিষয় নিয়ে কথাবার্তা বলেন তারা। ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা না হয় সেই ব্যপারেই সাবধান করে দেওয়া হয়েছে বিরাট কোহলিদের। তবে এই বিষয় নিয়ে কোনও ধরনের শাস্তির পথে হাঁটতে চায় না আইসিসি। যদিও পরবর্তী কালে যদি এই ঘটনার পূণরাবৃত্তি হয়, সে ব্যপারে কড়া হতেই পারে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা।
দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম ভারতের শেষ টেস্টের তৃতীয় দিনের একদম শেষ মুহূর্তে হঠাত্ই পরিস্থিতি খুব উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আর তার কেন্দ্রে ছিল ডিন এলগারের এলবিডব্লুর সিদ্ধান্তকে থার্ড আম্পায়ারের নাকোচ করে দেওয়া। আর সেই সিদ্ধান্তই ভারতীয় দলের অধিনা.ক সহ ক্রিকেটাররা মেনে নিতে পারেননি। মাঠ থেকেই এই ঘটনা নিয়ে নানান কটাক্ষ করতে থাকেন কোহলি, অশ্বিন এবং লোকেশ রাহুলরা।
এলডি ডাব্লুর আপিলে ফিল্ড আম্পায়ার আউটের সিদ্ধান্ত দিলেও, এরপরই ডিন এলগার ডিআরএসের সাহায্য নেন। আর সেখানেই ম্যাচ আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত নাকোচ করেন ম্যাচের থার্ড আম্পায়ার। যা একেবারেই পছন্দ হয়নি ভারতীয় ক্রিকেটারদের। সেই সিদ্ধান্ত দেখার পর মাঠের মধ্যেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিরাট কোহলি। আম্পায়ারের সঙ্গে বচসায় জড়ানোর পর সোজাসুজি থার্ড আম্পায়ার ও সম্প্রতারকারী সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তোলেন তিনি।
ম্যাচ চলাকালীনই স্টাম্প মাইকের সামনে গিয়ে কটাক্ষ করেন কোহলি। তিনি বলেন যে তাদের চোখটা কী শুধু প্রতিপক্ষের দিকেই রয়েছে। নিজেদের কাজটাও করুন। একইরকমভাবে লোকেশ রাহুলের গলাও শোনা যায় সেই স্টাম্প মাইকে। যেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায় গোটা দেশ এখন এগারোজনের বিরুদ্ধে খেলছে। ম্যাচ আম্পায়ারকে কটাক্ষ করতে ছাড়েন না অশ্বিনও।
এরপর থেকেই প্রাক্তন থেকে বিশেষজ্ঞরা ভারতীয় দলের সমালোচনায়. সরব হয়েছেন। অনেকেই বিরাট কোহলিদের শাস্তিরও দাবী করেছেন। তবে এখনই সেই পথে হাঁটতে চাইছে না আইসিসি। বরং ভারতীয় দলকে সাবধান করছেন তারা। শোনাযায় ম্যাচ শেষের পরই নাকি ড্রেসিংরুমে এই বিষয় নিয়ে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে আলোচনায় বসেন আইসিসির ম্যাচ অফিসিয়ালসরা। তবে বিরাট কোনও শাস্তির পথে হাঁটতে চাইছে না তারা। আপাতত প্রথম ভুলে বিরাট কোহলিদের সাবধান করেই, রেহাই দিচ্ছেন ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা।
তবে পরবর্তীতে এমন ঘটনা ঘটলে আইসিসি যে চুপ করে বসে থাকবে না তাও বেশ স্পষ্ট।