টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে আফসোসের সুর সাকিব আল হাসানের গলায়

Shakib Al Hasan
Shakib Al Hasan. (Photo Source: Twitter/T20 World Cup)

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভ পর্বের শেষ দিনটা ছিল জমজমাট। প্রথম ম্যাচ থেকেই এদিন ছিল একের পর এক চমক। সেখানেই দক্ষিণ আফ্রিকা হেরে যাওয়ার পরই পাকিস্তান ও বাংলাদেশ দুই দলের সমানেই চলে এসেছিল সেমিফাইনালে যাওয়ার বড় সুযোগ। কিন্তু সেই সুযোগই কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের কাছে ৫ উইকেটে হেরে গিয়ে এবারের মতো বিশ্বকাপের আশা তাদের শেষ গয়ে গিয়েছে। ম্যাচ শেষেই সাকিবের গলা থেকে ঝড়ে পড়েছে একরকাশ হতাশার সুর। সেইসঙ্গে নিজের পারফরম্যান্স েনিয়েও এবার মুখ খুলেছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক।

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এদিন হারের পরই নিজের পারফরম্যান্স নিেয়ে মুখ কুলেছিলেন সাকিব আল হাসান। তাঁর মতে এই গোটা প্রতিযোগিতায় যেমনটা পারফরম্যান্স তাঁর করা নাকি উচিত্ ছিল তেমনটা তিনি করতে পারেননি। সেইসঙ্গে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোন জায়দায় তাদের সমস্যা হয়ে গিয়েছে সেটাও জানাতে দ্বিধা করেননি সাকিব আল হাসান। তাঁর মতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এদিন জয়ের জন্য তাদের ১৪০ থেকে ১৫০ রান প্রয়োজন ছিল। যদিও দলের কোনও ক্রিকেটারকেই দোষারোপ করতে নারাজ তিনি।

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শূন্য রানেই সাজঘরে ফিরেছিলেন সাকিব আল হাসান

এবারের এশিয়া কাপের আগেই বাংলাদেশের টি টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক েহয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। যদিও সাকিবের ব্যাট থেকে কিন্তু সেই পারফরম্যান্স দেখা যায়নি। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও সাকিব আল হাসান ব্যাটহাতে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছিলেন। এদিন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মাত্র শূন্য রানেই  সাজঘরে ফিরেছিলেন তিনি। যদিও তাঁর আউট নিয়ে বিতর্ক একটা রয়েই গিয়েছে। ম্যাচ শেষে সেই কথাই জানিয়েছেন সাকিব আল হাসান।

ম্যাচ শেষে নিজের পারফরম্যান্স নিয়েই সাকিব আল হাসান জানিয়েছেন, “এবারের বিশ্বকাপে আমি আরও ভা পারফরম্যান্স করতে পারতাম। যতদিন আমি ফিট রয়েছি এবং পারফরম্যান্স করতে পারছি, দেশের জার্সিতে খেলে যাব আমি”।

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ কম রান নিয়ে লড়াই করেলও শেষপর্যন্ত আর ধরে রাখতে পারেনি সেই পারফরম্যান্স। পাকিস্তানের কাছে ৫ উইকেটে হেরে গিয়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচ শেষে সেই আফসোসের সুরই এখন বাংলাদেশ অধিনায়কের মুখে। সাকিব আল হাসান জানিয়েছেন,  “ব্যাট হাতে একসময় এদিন আমাদের রান ছিল ১ উইকেটে ৭০। সেখান থেকেই এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য ছিল। আমাদের প্রয়োজন ছিল ১৪০ থেকে ১৫০ রান। এই পিচে সেই রান লড়াই করার মতো ছিল। জানতাম যে নতুন ব্যাটাররা পারবেন না। সেজন্যই চেয়েছিলাম সেট ব্যাটাররা খেলা চালিয়ে যাক। কিন্তু শেষপর্যন্ত তা হয়নি। ফলাফলের প্রসঙ্গে এটাই বিশ্বকাপে আমাদের সেরা পারফরম্যান্স”।

close whatsapp