ভারতীয় দলের গেম চেঞ্জার হয়ে ওঠার দক্ষতা রয়েছে হার্দিকের, মনে করেন সুনীল গাভাসকর
আপডেট করা - Jun 12, 2022 5:59 pm

দীর্ঘদিন পর ফের ভারতীয় দলে ফিরেছেন হার্দিক পান্ডিয়া। দেশের জার্সিতে ফিরেও স্বমহিমাতেই রয়েছেন তিনি। ৯ জুন দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ভারত জিততে না পারলেও, ১২ বলে ৩১ রানের ঝোরো ইনিংস খেলে সকলেরই প্রশংসা কুড়িয়ে নিয়েছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া। হার্দিক পান্ডিয়ার এমন ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখেই আপ্লুত হয়েছেন সুনীল গাভাসকর। তাঁর মতে ভবিষ্যতে ভারতীয় দলের গেম চেঞ্জার হতে চলেছেন হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর খেলারও প্রশংসা করেছেন তিনি।
২০২১ সালের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর থেকে ভারতীয় দল তো বটেই, কোনও ধরণের প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচেই দেখা যায়নি হার্দিক পান্ডিয়াকে। বিশ্বকাপের পরই জাতীয় দল থেকে বিশ্রাম চেয়ে নিয়েছিলেন তিনি। প্রায় ছয় মাস মাঠের বাইরে থাকার পর আইপিএলে গুজরাত টাইটান্সের হয়েই বাইশগজে ফেরেন তিনি। আইপিএলে প্রথম থেকেই নজর ছিল তাঁর ওপর। সেই পরীক্ষাতে সাফল্যের সঙ্গেই উতরেও গিয়েছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া। হার্দিকের এমন পারফরম্যান্স দেখেই খুশি হয়েছেন গাভাসকর।
আইপিএলে গুজরাত টাইটান্সের হয়ে ৪৮৭ রান রয়েছে হার্দিক পান্ডিয়ার
এবারের আইপিএলে গুজরাত টাইটান্সের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেছেন হার্দিক পান্ডিয়া। আইপিএলের মঞ্চে গুজরাতের হয়ে ৪৮৭ রান করেছেন হার্দিক পান্ডিয়া। সেইসঙ্গে তাঁর স্ট্রাইকরেট রয়েছে ১৩১। শুধু ব্যাটিংয়েই নয় সদ্য সমাপ্ত আইপিএলে বল হাতেও যথেষ্ট সফল হার্দিক পান্ডিয়া। ফাইনালের মঞ্চে রাজস্থান রয়্যালসের সেরা তিন উইকেট তুলে নিয়ে তিনিই গুজরাতের জয়ের রাস্তা প্রশস্ত করে দিয়েছিলেন। হার্দিকের এমন পারফরম্যান্স দেখার পরই আশার সুর সুনীল গাভাসকরের মুখে।
তাঁর মতে আগামী দিনে ভারতীয় দলের গেম চেঞ্জার হয়ে ওঠার ক্ষমতা রয়েছে হার্দিক পান্ডিয়ার মধ্যে। স্টার স্পোর্টসে সুনীল গাভাসকর জানিয়েছেন, “আমার মনে হয় ভারতীয় দলের গেম চেঞ্জার হতে চলেছেন হার্দিক পান্ডিয়া। আসন্ন যে ম্যাচ গুলো আছে সেখানেও সেই ভূমিকায় দেখা যেতে পারে তাঁকে। বিশ্বকাপের পাশাপাশি সামনে ভারতীয় দলের যেকটি ম্যাচ রয়েছে, সব জায়গাতেই গেম চেঞ্জার হয়ে উঠতে পারেন তিনি। ব্যাট করতে পাঁচ নম্বরেই নামুক কিংবা বোলিংয়ের সময় ফাস্ট চেঞ্জে আসুক। কখনও কখনও তাঁকে আমি নতুন বলে বোলিং করতে দেখতে চাই”।
চোট সারিয়ে ফেরার পর থেকে হার্দিক পান্ডিয়া কিন্তু দুর্ধর্ষ ফর্মে রয়েছেন। গুজরাত টাইটান্সের যেমন সর্বোচ্চ রানের মালিক তিনি। তেমনই গোটা প্রতিযোগিতায় রয়েছে ৮ উইকেট। এখনও পর্যন্ত আইপিেলের কেরিয়ারের সেরা বোলিং করেছিলেন ফাইনালের মঞ্চেই। ১৭ রানে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। ভারতীয় দলের হয়েও প্রথম ম্যাচে বোলিং করেছিলেন তিনি। কিন্তু প্রথম ম্যাচে পুরো ওভার বোলিংয়ের সুযোগ পাননি তিনি। যদিও সামনে রয়েছে আরও চার ম্যাচ। সেখানেই হার্দিক জ্বলে উঠতে পারে কিনা সেটাই দেখার।