ফাইনালে পৌঁছনোর আনন্দের পাশাপাশি জস বাটলারের প্রশংসায় যুজবেন্দ্র চাহাল
আপডেট করা - May 28, 2022 2:11 pm

দীর্ঘ ১৪ বছরের অপেক্ষার অবসান। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে হারিয়ে আইপিএলের ফাইনালে পৌঁছেছে রাজস্থান রয়্যালস। আর তাতেই আপ্লুত যুজবেন্দ্র চাহাল। এবারের আইপিএলে সর্বোচ্চ উইকেট রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ পাননি তিনি। আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার থেকে আর মাত্র এক ধাপ দূরে রয়েছে রাজস্থান রয়্যালস। আর সেই লক্ষ্যে রাজস্থানরে পৌঁছে দেওয়ার অন্যতম প্ধান কারিগড় জস বাটলার। ম্যাচ শেষে তাঁরই প্রশংসায় পঞ্চমুখ যুজবেন্দ্র চাহাল।
ইডেন গার্ডেন্সে প্রথম কোয়ালিফায়ারে হেরে গিয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস। গুজরাত টাইটান্সের কাছে সেই ম্যাচে খানিকটা হলেও অস্বস্তি বেড়েছিল রাজস্থানের রয়্যালসদের সামনে। যদিও একেবারে আশা তাদের শেষ হয়ে যায়নি। আহমেদাবাদে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে রাজস্থানের সামনে ছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। এলিমিনেটরে বেঙ্গালুরু যেভাবে পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছিল, তাতে অনেকেরই মনে হয়েছিল রাজস্থানের সামনে চ্যালেঞ্জটা এবার অনেক কঠিন।
কিন্তু আহমেদাবাদে ম্যাচ শুরু হওয়ার পর বদলে গিয়েছিল গোটা চিত্রটাই। বল হাতে দুর্ধর্ষ পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা এবং ওবেদ ম্যাককয়। তাদের দাপটেই শেষ হয়ে গিয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর তারকাখচিত ব্যাটিং লাইনআপ। আর সেইসঙ্গেই রাজস্থানেরও জয়ের রাস্তাটা প্রশস্ত হয়ে গিয়েছিল। এরপর সকলে ব্যাট হাতে জস বাটলারের রানের ঝড় দেখিছিল সেদিন নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে। বাটলারের খেলা দেখে মুগ্ধ হয়েছেন তাঁরই সতীর্থ যুদবেন্দ্র চাহালও। যার প্রশংসা না করে থাকতে পারেননি তিনি। সোশ্যাল সাইটে ফাইনালে পৌঁছমনোর আনন্দের কথা জানানোর পাশাপাশি জস বাটলারের পারফর্ম্যান্সকেও অনবদ্য বললেন তিনি।
দীর্ঘ ১৪ বছর পর আইপিএলের ফাইনালে পৌঁছল রাজস্থান রয়্যালস
ফাইনালে পৌঁছনোর পর সোশ্যাল মিডিয়ায় যুজবেন্দ্র চাহালের বার্তা, “ফাইনালে পৌঁছনোর আবেগটাই সম্পূর্ণ আলাদা। এই মুহূর্তটা সত্যিই আমার কাছে বিশেষ। সেইসঙ্গে জস বাটলারের অসাধারণ একটা পারফরম্যান্স”।
শুক্রবার রয়্যাল চ্যালে়ঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে নামা থেকেই আক্কমণাত্মক মেজাজে ছিলেন জস বাটলার। তাঁর দক্ষ হাতে একাই এদিন ম্যাচের ভাগয নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন জস বাটলার। এক ম্যাচে জোড়া রেকর্ডের মালিক হয়েছিলেন তিনি। তৃতীয় ক্রিকেটার হিসাবে যেমন আইপিএলের এক মরসুমে ৭৫০-এর বেশী রান করেছেন, তেমনই বিরাট কোহলির পর দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসাবে এক মরসুমে চারটি শতরানের মালিক হয়েছেন বাটলার।
শাহবাজ আহমেদ, মহম্মদ সিরাজ এবং হর্শল পটেলদের মতো তারকাদের মাথা তুলেই দাঁড়াতে দেননি এদিন জস বাটলার। ৬০ বলে ১০৬ রানের ঝরো ইনিংস খেলে ম্যাচের নায়কের মুকুট মাথায় নিয়েই এদিন মাঠ ছেড়েছিলেন এই ব্রিটিশ তারকা। যা দেশে গোটা দল তো বটেই, যুজবে্দ্র চাহালও আপ্লুত। এখন শুধুই ফাইনালের মঞ্চে আর একবার জ্বলে ওঠার প্রয়োজন তাঁর।