স্বপ্ন পূরণ রশিদ খানের, আইপিএলে অধিনায়কত্ব করার আশা পূরণ হয়েছে আফগান তারকার

Rashid Khan
Rashid Khan. (Photo Source: IPL/BCCI)

অধিনায়ক হওয়ার স্বপ্ন কার না থাকে। ক্রিকেট খেলা প্রথম দিন থেকে সলের মনেই থাকে সেই সুপ্ত বাসনা। কারোর সেই আকাঙ্খা সফল হয় আবার আশা আশাই থেকে যায়। ২০২২ সালে সেই স্বপ্নই কিন্তু এবার পূরণ হয়েছে রশিদ খানের। আইপিএলের মঞ্চে এবার প্রতিটি দলেই নতুন অধিনায়ক।  যদিও রশিদের মাথায় সেই মুকু় ওঠেনি প্রথম দিন থেকে। কিন্তু তাঁর মনের সুপ্ত বাসনা কিন্তু পূরণ হয়েছে। আপাতত একদিনের জন্য হলেও  আইপিএলের অধিনায়ক হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে রশিদ খানের। আর তাতেই আপ্লুত তিনি।

রবিবার আইরিএলের মঞ্চে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে নেমেছিল গুজরাত টাইটান্স। সেখানেই শেষ মুহূর্তে নাম তুলে নিতে বাধ্য হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর হাল্কা চোট থাকায় মাঠে নামার ঝুঁকি নেননি ভারতীয় দলের তারকা অল রাউন্ডার। তাঁর জায়গায় গুজরাত টাইটান্সের নেতত্বের ভার সামলান রশিদ খান। আর সেইসঙ্গই বহদিন ধরে দেখা স্বপ্ন পূরণ হয় তাঁর। আইপিএলের মঞ্চে পা রাখার পর থেকেই কোনও একটি দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার ইচ্ছা ছিল তাঁর। সেটাই যেন হঠাত্ পূরণ হয়েছে রশিদ খানের।

এবারের আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ছেড়ে রেকর্ড অঙ্কে গুজরাত টাইটান্সে গিয়েছেন রশিদ খান। আইপিএলের মেগা নিলামেও উঠতে হয়নি তাঁকে। ১৫ কোটি টাকায় তাঁকে দলে নিয়েছে গুজরাত টাইটান্স। আর প্রথম ম্যাচ থেকেই দলের হয়ে ভাল পারফরম্যান্স দেখাতে শুরু করেছেন তিনি। আর শেষ ম্যাচে চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে তাঁর ক্যামিও পারফরম্যান্স তো গুজরাতের জয়ের অন্যতম কারিগড়।

চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ২১ বলে ৪০ রানের ঝোরো ইনিংস খেলেছিলেন রশিদ খান

হার্দিকের অনুপস্থিতিতে প্রথমবার অধিনায়ক হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। আর সেই দায়িত্ব নিয়ে প্রথম ম্যচে সাফল্যও পেয়েছেন এই তারকা ক্রিকেটার। এই প্রসঙ্গেই সোশ্যাল সাইটে একটি আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন রশিদ খান। তিনি লিখেছেন,  “আইপিএলের কোনও একটি দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার স্বপ্ন সবসময়ই দেখতাম। অবশেষে আমার সেই স্বপ্নটা পূরণ হয়েছে। আমি সকলের কাছে কৃতজ্ঞ। অধিনায়ক হিসাবে প্রথম ম্যাচেই আমায় জয় উপহার দেওয়ার জন্য গুজরাত টাইটান্সের সকল ক্রিকেটারদেরও ধন্যবাদ জানাই। গতকালের রাতটা সত্যিই অসাধারণ ছিল। সেইসঙ্গে কিলার মিলারের সেই শো”।

প্রথমে ব্যাটিং করে চেন্নাই সুপার কিংস লগুজরা টাইটান্সের বিরুদ্ধে ১৭৯ রানের লক্ষ্য স্থির করেছিল। সেখানেই জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা খুব একটা ভালভাবে করতে পারেনি গুজরাত টাইটান্স ব্যাটাররা। বরং শুরুতেই চার উইকেট খুইয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিলেন তারা। সেখান থেকেই গুজরাতকে বাঁচানোর কাজটা শুরু করেছিলেন ডেভিড মিলার। তাঁর ৫১ বলে ৯৪ রানের ইনিংসেই ম্যাচ জিতে নেয় গুজরাত।

অবশ্যই অধিনায়ক হিসাবে প্রথম ম্যাচে ব্যাট হাতি দক্ষতার পরিচয় দিয়েছিলেন রশিদ খানও। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে ১৮ তম ওভারে তাঁর ঝোরো ইনিংসটাই যেম গেম চেঞ্জিং ওভার ছিল। ২১ বলে ৪০ রান করে সাজঘরে ফিরতে হয়েছিল রশিদ খানকে। আর সবশেষে কিলার মিলারের হাত ধরে ম্যাচ জয়। সব মিলিয়ে এখন উচ্ছ্বসিত রশিদ খান। নেতৃত্বের স্বাদ পাওয়ার সঙ্গে জয়ের হাসিো এখন তাঁরই মুখে।

close whatsapp