একাধিক সদস্য কোভিড আক্রান্ত, দিল্লি বনাম পাঞ্জাব ম্যাচ পুনে থেকে সরিয়ে মুম্বইয়ে করার সিদ্ধান্ত
ক্যাপিটালসের মিচেল মার্শকে কোভিডের জন্য হসপিটালে ভর্তি করতে হয়েছিল
আপডেট করা - Apr 19, 2022 5:13 pm

২০শে এপ্রিল পাঞ্জাব কিংস এবং দিল্লি ক্যাপিটালসের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে চলা আইপিএল ২০২২-এর ৩২তম ম্যাচটি পুনের এমসিএ স্টেডিয়াম থেকে মুম্বইয়ের ব্র্যাবোর্ন স্টেডিয়ামে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ক্যাপিটালস ক্যাম্পে কোভিড-১৯ আক্রান্ত বৃদ্ধি পাওয়ারকথা মাথায় রেখে সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে। আগেই তাঁদের ফিজিও প্যাট্রিক ফারহার্টসহ বেশ কয়েকজন সাপোর্ট স্টাফ কোভিড পজিটিভ হয়েছিলেন। এরপর তাদের অস্ট্রেলিয়ান অল-রাউন্ডার মিচেল মার্শও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন।
মার্শ আক্রান্ত হতেই পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচের জন্য পুনেতে তাদের ভ্রমণ বাতিল করতে বাধ্য হয়েছিল ক্যাপিটালস এবং পুরো স্কোয়াডকে নিয়মিত কোভিড-১৯ পরীক্ষা করার পাশাপাশি কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছিল। ১৯শে এপ্রিল (মঙ্গলবার) আরও একটি পরীক্ষা করা হয় এবং তার ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।
বোর্ডের পক্ষ থেকে তড়িঘড়ি পদক্ষেপ নিয়ে ম্যাচ সরানোর সিদ্ধান্ত
বোর্ড অফ কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই) সিদ্ধান্ত নিয়েছে মুম্বই থেকে পুনের দীর্ঘ বাস যাত্রায় যাতে আবার কোন সদস্য আক্রান্ত না হয়ে পড়েন এবং পরিস্থিতি যাতে আরও জটিল না হয়ে যায় সেটি মাথায় রেখে পুনের পরিবর্তে মুম্বইতেই ম্যাচ করা অধিক যুক্তিসংগত ও নিরাপদ।
ফারহার্টই প্রথম সদস্য যিনি কোভিড পজিটিভ হয়েছিলেন। ১৫ই এপ্রিল তাঁর পরীক্ষার ফলাফল এসেছিল। মাত্র একদিন পরেই ম্যাসাজ থেরাপিস্ট চেতন কুমার ভাইরাসে আক্রান্ত হন। এরপর ১৮ই এপ্রিল মার্শ, দলের ডাক্তার অভিজিৎ সালভি এবং ফ্র্যাঞ্চাইজির সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের সদস্য আকাশ মানের কোভিড পজিটিভ হওয়ার খবর আসে।
প্রত্যেক সদস্যের RT-PCR পরীক্ষার ফলাফল আসার পরেই নিশ্চিত হবে ম্যাচটি আদৌ সংগঠিত করা যাবে কি না। বিসিসিআই একটি মিডিয়া রিলিজে নিশ্চিত করেছে যে কোভিড পজিটিভ হওয়া সদস্যদের বর্তমানে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং তাঁদের চিকিৎসা চলছে। “তাঁদের আক্রান্ত হওয়ার ষষ্ঠ এবং সপ্তম দিন পরীক্ষা করা হবে এবং উভয় পরীক্ষা নেতিবাচক হওয়ার পরেই তাঁদের দিল্লি ক্যাপিটালসের বায়ো-সুরক্ষিত বাবলে পুনরায় প্রবেশ করানো হবে।”
নিয়ম অনুযায়ী কোন দল যদি ন্যূনতম ১২ জন, যার মধ্যে কমপক্ষে সাতজন ভারতীয়, খেলোয়াড়কে নামাতে না পারে তবে ম্যাচটি সেই সময়ের জন্য স্থগিত করা হবে। বিসিসিআই ম্যাচটি পরবর্তী তারিখে আয়োজন করবে এবং যদি তা সম্ভব না হয় তবে বিষয়টি আইপিএলের কারিগরি কমিটির কাছে পাঠানো হবে, যেখানে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ইতোমধ্যে, এর আগেও আইপিএল কোভিড-১৯-এর প্রকোপের মুখে পড়েছিল এবং সেই কারণে ২০২১ আইপিএল মাঝপথে থামিয়ে দিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে স্থানান্তরিত করে আয়োজন করতে হয়েছিল।