মিচেল জনসনের উপহাসের শিকার অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটবোর্ড
আপডেট করা - Dec 22, 2023 4:39 pm
![]()
Photo Source: Will Russell – CA/Cricket Australia via Getty Images
মিচেল জনসন অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ড অর্থাৎ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে ব্যঙ্গ করেছেন। কিছুদিন আগেই অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ড তাকে ম্যাচের বক্তৃতা থেকে সরিয়ে দেয়। পরবর্তীতে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তাকে একটি পুরস্কারের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর কারণে রীতিমত ব্যঙ্গের সুর মিচেল জনশনের গলায়।
গত সপ্তাহে পার্থে প্রথম টেস্ট চলাকালীন এই অবসরপ্রাপ্ত ফাস্ট বোলার ডেভিড ওয়ার্নার এবং প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলি সম্পর্কে অত্যন্ত বিতর্কিত মন্তব্য করেন। জনশন রেডিও ট্রিপল এমের গ্রীষ্মকালীন টক শো-তেও বক্তব্য রেখেছেন। কিন্তু বিতর্ক বিষয়টি এড়িয়েই চলছিলেন। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট বোর্ডের তরফে আমন্ত্রণপত্র পাওয়ার পর আর চুপ করে বসে থাকেননি এই বাঁ-হাতি ফাস্ট বোলার। ব্যাঙ্গে রীতিমতো ফেটে পড়ে তিনি ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করে লেখেন, ‘ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া কী সিরিয়াস?’ তার পাশাপাশি তিনি আমন্ত্রণ পত্রের একটি স্ক্রিনশটও প্রকাশ করেন। তিনি এও লেখেন, ‘গত সপ্তাহে আমি দুটি স্পিকিং এনগেজমেন্ট থেকে অলরেডি বাতিলের খাতায় পড়ে গেছি। এই সপ্তাহে আমি আবার তাদের সাথে সেলিব্রেট করার জন্য আমন্ত্রিত হয়েছি।’
প্রসঙ্গত এই প্রাক্তন অজি তারকা মন্তব্য করেছেন যে তাঁর প্রাক্তন সতীর্থ ডেভিড ওয়ার্নার ফেয়ারওয়েল পাওয়ার যোগ্য নন।
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে বল টেম্পারিং মামলায় দুই বছরের জন্য ডেভিড ওয়ার্নার নিষিদ্ধ হয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়া বোর্ডের তরফে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হতে চলা তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের বিদায় জানানোর জন্য আলাদা আয়োজনের ফলে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মিচেল জনশন। তিনি ৪২ বছর বয়সী বেইলির অবস্থানেরও কড়া সমালোচনা করেন। যদিও সেই পডকাস্টটি নিয়ে ভবিষ্যতে আর বিশেষ কোনো মন্তব্য করতে মিচেল জনসনকে শোনা যায়নি।
বহু সময়ে কটু কথা বলে তর্কে জড়ানোর দুর্নাম রয়েছে এই অজি পেসারের বিরুদ্ধে। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ভারত অস্ট্রেলিয়া টেস্ট সিরিজ চলাকালীন বিরাট কোহলির সঙ্গে সরাসরি বাগ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিলেন তিনি। সেখানে বিরাটকে উদ্দেশ্য করে একবার বল থ্রো করতেও তাঁকে দেখা যায়। পরবর্তীতে সেই ম্যাচেই বিরাট কোহলি সেঞ্চুরি করে যোগ্য জবাব দিতে ছাড়েননি অজি তারকাকে।
যদিও পরবর্তীতে ডেভিড ওয়ার্নারকে এই প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। তিনি কষ্টতেই জানিয়ে দেন যে জনসন তার ব্যক্তিগত মতামত জানিয়েছেন। সে বিষয়ে তার কিছু বলার নেই। সব মিলিয়ে বছর শেষে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বেশ সরগরম রয়েছে এমনটা বলাই যায়।