ডেভিড ওয়ার্নারকে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলার বার্তা প্যাট কামিন্সের
আপডেট করা - Feb 16, 2023 2:18 pm

ভারতের বিরুদ্ধে বাংলার অন্যতম প্রধান অস্ত্র ডেভিড ওয়ার্নার। ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দুরন্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বর্ডার গাভাসকর ট্রফিতে সেই পারফরম্যান্স দেখাতে ব্যর্থই হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার এই তারকা ব্যাটার। প্রথম ম্যাচে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। শুক্রবার ভারতের বিরুদ্দে দিল্লিতে দ্বিতীয় ম্যাচে নামতে চলেছে অস্ট্রেলিয়া। সেখানেও ডেভিড ওয়ার্নারের ওপররকই ভরসা রাখতে চলেছে ব্যাগী গ্রীন বাহিনী। ভারতের বিরুদ্ধে ডেভিড ওয়ার্নারের থেকে আরও আক্রমণাকত্মক ইনিংসই চাইছেন অধিনায়ক প্যাট কামিন্স।
প্রথম ম্যাচে ডেভিড ওয়ার্নারের পারফরম্যান্স দেখার পর থেকেই তাঁকে নিয়ে শুরু হয়েছে সমালোচনার ঝড়। ভারতের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের দুই ইনিংসেই বড় রান পেতে ব্যর্ত হয়েছেন ডেভিড ওয়ার্নার। এখনও পর্যন্ত তাঁর গড রয়েছে ২০-এরও নীচে। দুই ইনিংস মিলিয়ে ডেভিড ওয়ার্নার মাত্র ১১ রানই করতে পেরেছিলেন। এরপর থেকেই তাঁকে প্রথম একাদশে না রাখা নিয়ে সুর চড়াতে আরম্ভ করেছিলেন অনেকে। যদিও অস্ট্রেলিয়া টিম ম্যানেজমেন্ট ডেভিড ওয়ার্নারের এওপরই ভরসা রাখতে চলেছে।
প্রথম ম্যাচে দুই ইনিংস মিলিয়ে ১১ রান করতে পেরেছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার
ঘরের মাঠে সদ্যই দ্বিশতরানের ইনিংস খেলেছেন ডেভিড ওয়ার্নার। যদিও ভারতের মাটিতে টেস্টের ম়ঞ্চে তাঁর পারফর্ম্যান্স গ্রাফ খুব একটা উর্ধ্বমুখী নয়। ভারতের মাটিতে ৯টি টেস্ট ম্যাচ খেললেও, সেখানেও সেঞ্চুরী নেই ডেভিড ওয়ার্নারের। দিল্লিতে যে অস্ট্রেলিার বিরুদ্ধে সামনে আরও কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করে রয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সেজন্যই ডেভিড ওয়ার্নারের থেকে এবার আক্রমণাত্মক ইনিংস দেখারই বার্তা দিচ্ছেন প্যাট কামিন্স।
ম্যাচের আগে সাংবাদিক সম্মেলনে এসে প্যাট কামিন্স জানিয়েছেন, “ডেভিড ওয়ার্নার যখন প্রতিপক্ষ শিবিরের ওপর চাপ তৈরি করা শুরু করেন, সেই সময় তাঁর থেকে সেরা ক্রিকেটার আর কেউ নন। যদিও এখনও আমাদের বেশকিছু আলোচনা বাকি রয়েছে। বিশেষকরে বোলিং কম্বিনেশন নিয়ে আলোচনা করব আমরা। মিচেল স্টার্ক দলের কোন জায়গায় খেলসবেন, সেটা যেমন আলোচনা হবে, তেমনই আসোচনা হবে স্পিনার নাকি বোলান্ডকে খেলানো হবে”।
প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে এক ইনিংস ১৩২ রানে হেরে গিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। সেই পারফরম্যান্স অবশ্য এখন অতীত। দিল্লিতেই ঘুরে দজাঁড়াতে মরিয়া হয়ে রয়েছে তারা। যদিও দিল্লির এই স্টেডিয়ামে একেবারেই সাফল্য অধরা রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার। ২০১৩ সালে শেষবার এই মাঠে খেলতে নেমেছিল অস্চ্রেলিয়া। সেখানে ৮ উইকেটে হেরে গিয়েছিল তারা। এখনও পর্যন্ত পরিসংখ্যানে অনেকটা এগিয়ে রয়েছে টিম ইন্ডিয়া। সেই পরিসংখ্যান এবার অস্ট্রেলিয়া বদলাতে পারে কিনা সেটাই দেখার।