তারকাদের ভীড়ে চাপা পড়ে ওকস প্রয়োজনের চেয়ে কম প্রশংসিত হন, মনে করেন অজিত আগরকর
ইংল্যান্ড আজ নামছে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে
আপডেট করা - Nov 1, 2021 2:31 pm

তারকাখচিত ইংল্যান্ড টি-টোয়েন্টি দলের মারকুটে ব্যাটার, বহুমুখী প্রতিভাধর অলরাউন্ডার ও জোরে বোলিংয়ে পারদর্শী পেসারদের ভীড়ে অনেক সময়ই ক্রিস ওকসের ক্ষমতা ও অবদান দৃষ্টির অন্তরালে থেকে যায়, মত অজিত আগরকরের। এই বিশ্বকাপে পেসার ওকসের ইনিংসের শুরুতে সুইং ও ধারাবাহিকভাবে নিখুঁত জায়গায় বোলিং করে যাওয়ার দক্ষতার জন্য তিনটি ম্যাচের একটিতেও বিপক্ষের ব্যাটাররা পাওয়ারপ্লের ফায়দা তুলতে পারেননি। পিচ সুইংয়ের জন্য অনুকূল না হওয়ায় ওকসের এই সাফল্য অন্য মাত্রা পাচ্ছে।
ওকস ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মাত্র ৪.৭ ইকোনমি রেটে ৩ ম্যাচে ৪ উইকেট নিয়েছেন। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে আজ রাতে ইংল্যান্ড নামছে শারজায়। এই প্রথম তারা শারজার স্লো ও লো পিচে নামবেন। এই ম্যাচে ওকস একটি ভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবেন।
ইএসপিএন ক্রিকইনফোতে ম্যাচ বিষয়ক আলোচনায় আগরকর বলেছেন, “ইংল্যান্ডের তারকাদের ভীড়ের কারণে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ওকসকে সম্ভবত কম কদর করা হয়। নতুন বলে এবং ইনিংসের মাঝামাঝি, দুই সময়েই, তিনি কার্যকরী, তিনি যথেষ্ট দ্রুত এবং উইকেটও তোলেন।”
জোফ্রা আর্চার এবং স্যাম কারানের অনুপস্থিতিতে ক্রিস ওকসই নতুন বলে ইংল্যান্ডের বোলিং ইউনিটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিন স্পিনার ব্যাটারদের দাবিয়ে রাখছেন মাঝের ওভারগুলিতে। ক্রিস জর্ডান এবং টিমাল মিলস দায়িত্ব নিচ্ছেন ডেথ ওভারের।
ক্রিস ওকসের ভালো ফর্মে বিস্মিত নন গৌতম গম্ভীর
প্রাক্তন ভারতীয় ব্যাটার গৌতম গম্ভীর দাবি করেছেন যে তিনি ক্রিস ওকসের সাম্প্রতিক ফর্মে বিস্মিত নন কারণ তিনি মনে করেন ওকস আগেও প্রভাবশালী বোলার ছিলেন। গম্ভীর যোগ করেছেন, “ওকসকে খুব একটা ভয়ঙ্কর দেখায় না কিন্তু সে পিচ থেকে ভালো সুবিধা পায় এবং উভয় দিকেই বল মুভ করানোর ক্ষমতা রাখেন। তাই তার সাম্প্রতিক ভালো ফর্মে অবাক হওয়ার কিছু নেই।”
ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক নাসের হুসেনও ইংল্যান্ডের নতুন বলের বিশেষজ্ঞ বোলারের প্রশংসা করেছেন। তিনি স্বীকার করেছেন যে তিনি যে ফর্মে আছেন তা বিবেচনা করলে তাঁকে প্রথম একাদশ থেকে সরানো একপ্রকার অসম্ভব।
বর্তমানে ধারাভাষ্যকর নাসের বলেছেন, “অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে আরো একটি মারাত্মক পারফর্ম্যান্স প্রদর্শনের প তাকে শীঘ্রই বাদ দেওয়ার কোনো উপায় নেই।”
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয় নিশ্চিত করতে পারলে সেমিফাইনালে যাওয়া পাকা করে ফেলবে ইংল্যান্ড। বাংলাদেশ, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে যে নির্মমতার সাথে তারা জিতেছে তাতে নিঃসন্দেহে বলা যায় এই বিশ্বকাপ জেতার অন্যতম প্রধান দাবিদার তারাই।