আইপিএলের নতুন দুই ফ্র্যাঞ্চাইজি হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আহমেদাবাদ ও লখনউ
নতুন দলের নাম ঘোষিত হবে আগামী সোমবার দুবাইতে
আপডেট করা - Oct 22, 2021 12:39 pm

২০২২ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের দুটি নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য লড়াইতে এগিয়ে আহমেদাবাদ ও লখনউ, বিডিং প্রক্রিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত এমন একটি সূত্রে জানা গেছে। দুটি নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি কেনার জন্য আইপিএলের যে বিডিং প্রক্রিয়া তা সোমবার, ২৫ অক্টোবর দুবাইতে অনুষ্ঠিত হবে এবং বিশ্বজুড়ে বেশ কিছু উদ্যোগপতি গোষ্ঠী দল কেনার ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়ে দরপত্র তুলেছে।
ভারতের বিখ্যাত বহুজাতিক সংস্থা আদানি গ্রুপ আহমেদাবাদ থেকে দলের জন্য বিড করছে বলে জানা গেছে। অর্থপ্রাচুর্য ও গ্ল্যামারাস এই টুর্নামেন্টে দুইটি সর্বোচ্চ দরদাতা দুটি নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিক হবেন। আইপিএলের আসন্ন সংস্করণ হবে ১০ টি দলের।
বিসিসিআই আইপিএল দরদাতাদের সময়সীমা ২০ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছিল
রিপোর্ট অনুযায়ী, বিসিসিআই নিলামে অংশগ্রহণকারীদের থেকে কাছ থেকে প্রায় ৭০০০ থেকে ১০০০০ কোটি টাকা আশা করছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে বিসিসিআই নতুন দলগুলির ন্যূনতম মূল্য ২০০০ কোটি টাকা নির্ধারণ করেছে।
ন্যূনতম ৩০০০ কোটি টাকা বার্ষিক টার্নওভার আছে এমন কোম্পানিগুলিকেই ভারতীয় বোর্ড দরপত্র তোলার অনুমতি দেয়। বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ক্রিকেট বোর্ডও দরদাতাদের সময়সীমা বুধবার, অক্টোবর ২০ পর্যন্ত বাড়িয়েছিল।
এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, “বিভিন্ন আগ্রহী দলের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে, বিসিসিআই এখন আইটিটি নথিপত্র ক্রয়ের তারিখ আরও ২০ অক্টোবর, ২০২১ পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”
দুটি নতুন দলের জন্য যে দলগুলো বিড করতে চলেছে তারা হল টরেন্ট ফার্মা, অরবিন্দ ফার্মা, সঞ্জীব কুমার – আরপিএসজি, কোটক গ্রুপ, সিভিসি পার্টনারস, হিন্দুস্তান টাইমস মিডিয়া, গ্লেজার ফ্যামিলি – ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ওনারস, ব্রডকাস্ট অ্যান্ড স্পোর্ট কনসাল্টিং এজেন্সি আইটিডব্লিউ, গ্রুপ এম, নবীন জিন্দাল – জিন্দাল পাওয়ার অ্যান্ড স্টিল, আদানি গ্রুপ, রনি স্ক্রুওয়ালা এবং সিঙ্গাপুর ভিত্তিক পিই ফার্ম।
এর আগে, বিসিসিআই আইপিএল ২০২২ -এ দুটি নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য ধর্মশালা, গুয়াহাটি, রাঁচি, লখনউ, আহমেদাবাদ এবং কটক নামে ছয়টি শহরকে বাছাই করেছে।
২০১০ সালে, বিসিসিআই আইপিএলের সম্প্রসারণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে কোচি টাস্কার্স কেরালা এবং পুনে ওয়ারিয়র্স ইন্ডিয়াকে অন্তর্ভুক্ত করেছিল। তবে বেশ কিছু কারণে দুটি দলকেই পরবর্তীকালে সরে দাঁড়াতে হয়। কোচি টাস্কার্স কেরালা কেবন ২০১১ মরসুমেই আইপিএলে অংশ নিয়েছিল। পুনে ওয়ারিয়র্স ইন্ডিয়া ২০১১ থেকে ২০১৩, মোট তিন বছর আইপিএলে খেলেছিল।