রাহুলের বিধ্বংসী ইনিংস ও মহসিন খানের বোলিংয়ে দিল্লিকে হারিয়ে জয়ের ধারা অব্যহত লখনউয়ের

KL Rahul
KL Rahul. (Source: IPL/BCCI)

লোকেশ রাহুল-দীপক হুডার হাত ধরে দিল্লি ক্যাপিটালসকে হারিয়ে জয়ের ধারা অব্যহত লখনউ সুপার জায়ান্টসের। আবারও একটা দুরন্ত পারফম্যান্স দেখালেন লোকেশ রাহুল। দিল্লি ক্যাপিটালস বোলারদের বিরুদ্ধে লোকেশ রাহুল এবং হুডার বিধ্বংসী পারফরম্যান্সই এই ম্যাচে লখনউ সুপার জায়ান্টসের জয়ের রাস্তাটা রাস্তাটা তৈরি করে দিয়েছিল। সেই রাস্তায় হেঁটেই লোকেশ রাহুলের মুখে জয়ের হাসি ফোটালেন বোলাররা। একাই চার উইকেট নিয়ে দিল্লি ব্যাটারদের দাপট শেষ করে দেন মহসিন খান। ৬ রানে ম্যাচ জিতে নেয় লখনউ সুপার জায়ান্টস।

এবারের আইপিএলে জস বাটলারের সঙ্গে কোনও ব্যাটার যদি ধারাবাহিক ফর্মের মধ্যে দিয়ে যায়, তবে একমাত্র লোকেশ রাহুলের নামই নিচ্ছেন সকলে। ইতিমধ্যেই আইপিএলের মঞ্চে দ্বিতীয় ব্যাটার হিসাবে ৪০০ রানের গন্ডী টপকে গিয়েছেন তিনি। ভারতীয় দলের এই মুহূর্তে তিনি যে অন্যতম সেরা ওপেনার হয়ে উঠতেই পারেন, তা বলতে হয়ত কারোরই দ্বিধা নেই। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধেও ৭৭ রানের একটা দুর্ধর্ষ ইনিংস খেললেন তিনি। তাঁর গোটা ইনিংস জুডে শুধুই চার ও ছয়ের বন্যা।

দিল্লি ক্যাপিটালসকে হারিয়ে জয়ের হ্যাটট্রিক লখনউ সুপার জায়ান্টসের

ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস জিতে এবারের নিয়ম ভেঙে ব্যাটিংসের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। প্রথম থেকেই এদিন দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে বড় রানের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন তিনি। ওপেনিংয়ে কুইন্টন ডিকক তাঁকে বেশীক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি ঠিকই। কিন্তু লোকেশ রাহুলকে আটকানো এদিন অসম্ভব ছিল মুস্তাফিজুর রহমান, অক্ষর পটেলদের পক্ষে। দীপক হুডাকে সঙ্গে নিয়েই এদিন আবারও একটা অধিনায়কোচিত ইনিংস খেললেন তিনি।

লোকেশ রাহুল ও দীপক হুডার ৯৫ রানের পার্টনারশিপটাই এদিন দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে লখনউ সুপার জায়ান্টসের জয়ের রাস্তাটা তৈরি করে দিয়েছিল। ৫১ বলে ৭৭ রানের ইনিংস খেলে এদিন সাজঘরে ফেরেন লোকেশ রাহুল। তাঁর গোটা ইনিংস জুড়ে রয়েছে ৫টা ওভার বাউন্ডারি ও ৪ি বাউন্ডারি হাকিয়েছেন তিনি। তাঁরইসঙ্গে  ৩৪ বলে ৫২ রানের ইনিংস খেলেন দীপক হুডা।

শেষের দিকে মার্কাস স্টয়নিসের হাত ধরে ১৯৫ রানে পৌঁছয় লখনউ ক্যাপিটালস। বড়া রান করলেও, প্রতিপক্ষ শিবিরে রয়েছে ওয়ার্নার, মিচেল মার্স, ঋষভ পন্থদের মতো নাম। এবার পরীক্ষাটা ছিল বোলারদের সামনে। দিল্লির ওপেনিং জুটি এদিন একেবারেই সফল হতে পারেনি। পৃথ্বী শ ফেরেন ৩ রানে এবং ওয়ার্নার ফেরেন ৬ রানে। লখনউয়ের হয়ে এদিন বল হাতে দুর্ধর্ষ মেজাজে ছিলেন মহসিন খান।

১৬ রান দিয়ে এদিন একাই চার উইকেট নিলেন মহসিন খান

বিধ্বংসী ওয়ার্নারকে তিনিই এদিন তাড়াতাড়ি সাজঘরে ফেরান। মাঝে মিচেল মার্শ এবং ঋষভ পন্থ রানের ঝড় তুললেও, তা বেশীক্ষণ স্থায়ী হয়নি। মার্শকে কৃষ্ঞাপ্পা গৌতম ফিরিয়ে দেন। এরপরই ৪৪ রানে ঋষভ পন্থকে সাজঘরের রাস্তা দেখিয়ে দেন ফের মহসিন খান। রভম্যান পাওয়েলও চেষ্টা করলে পারেননি। কোনও বড় পার্টারশিপই এদিন তৈরি করতে পারেনি দিল্লি ক্যাপিটালস। লড়াইটা অবশ্য শেষ ওভার পর্যন্ত দিয়েছিল তারা। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি।৬ রানেই ম্যাচ জিতে নেয় লখনউ সুপার জায়ান্টস।

close whatsapp