ফিনিশার দীনেশ কার্তিকের হাত ধরে দিল্লির হার্ডলও টপকে গেল বেঙ্গালুরুর চ্যালেঞ্জার্সরা

Royal Challengers Bangalore
Royal Challengers Bangalore. (Photo Source: IPL/BCCI)

১৩ থেকে ১৭- এই চার ওভারেই এগিয়ে থাকা দিল্লিকে পিছনে ফেলে ম্যাচ জিতে নিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। যদিও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর জয়ের নেপথ্য কারিগড়ের  নাম দীনেশ কার্তিক। ব্যাট হাতে এদিনও দিল্লির বিরুদ্ধে ঝোরো ইনিংস খেললেন তিনি। আর ঋষভ পন্থদের বিরুদ্ধে সেটাই ডুপ্লেসির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর জয়ের ভিতটা গড়ে দিয়ে এসেছিল। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে দিল্লি ক্যাপিটালসকে হারিয়ে প্লে অফের পথটা ক্রমশই মজবুত করছে  রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।

প্রতিযোগিতার শুরু বেঙ্গালুরুর হয়ে ফিনিশারের ভূমিকা পালনের কথা শোনা গিয়েছিল দীনেশ কার্তিকের গলায়। আর সে লক্ষ্যে প্রথম ম্যাচ থেকেই অবিচল তিনি। কঠিন সময়ে বেঙ্গালুরুর হাল যেমন ধরলেন, তেমনই দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে একটা বিধ্বংসী ইনিংসও এদিন ওয়াংখেড়ের সমস্ত সমর্থকদের উপহারও দিলেন। এদিনও দীনেশ কার্তিকের ব্যাট থেকে দেখা গেল চার ও ছয়ের ঝলকানি। ৩৪ বলে ৬৬ রানের ঝোরো ইনিংস খেলে রয়্যালদের আরও একটা ম্যাচে জয় এনে দিলেন কার্তিক।

আইপিএলে ৪ ম্যাচ জিতে বিগ টেবিলে তিন নম্বরে উঠে এল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু

টস জিতে এদিন দিল্লি ক্যাপিটালসও প্থমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এবারের আইপিএলে এটাই স্ট্র্যাটেজি সমস্ত দলের অধিনায়কদের। ঋষভ পন্থও তার অন্যথা করেননি। পরিকল্পনা মাফিক দিল্লি ক্যাপিটালসের বোলাররাও শুরুটা খুব একটা খারাপ করেননি। বেঙ্গালুরুর সেরা দুই তারকাকে ৪০ রানেক মধ্যে সাজঘরে ফিরিয়ে দেন দিল্লি ক্যাপিটালস বোলাররা। ফাফ ডুপ্লেসিকে ৮ রানে সাজঘরে ফেরান খলিল আহমেদ। তখনও ক্রিজে রয়েছেন বিরাট কোহলি। কিছুক্ষণের মধ্যেই রান আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। শাহবাজ আহমেদ এদিনও নিজের স্বমহিমায়। দলের মিডল অর্ডারের তিনি যে এখন দক্ষ প্রহরী তা বুঝিয়ে দিয়ে গিয়েছেন শাহবাজ আহমেদ।

গ্লেন ম্যাক্সওয়েল একটা চেষ্টা করলেও ৫৫ রানে ফেরেন তিনি। ৯২ রানে তখন বেঙ্গালুরুর ৫ উইকেট খুইয়ে বেশ চাপে। শাহবাজের সঙ্গে এদিন ফের একটা দুর্ধর্ষ পার্টনারশিপ গড়ে তুললেন দীনেশ কার্তিক। আর তাদের ুজনের হাত ধরেই ধীরে ধীরে খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়ায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। সেইসঙ্গে দীনেশ কার্তিকের ফের একটা ঝোরো ইনিংস। পাঁচটি চার ও পাঁচটি ছয় দিয়ে সাজানো তাঁর ৬৬ রানের ইনিংস। সেইসঙ্গেই বেঙ্গালুরু করে ১৮৯ রান।


https://twitter.com/wvraman/status/1515389530375081984

জবাবে শুরুটা দিল্লি ক্যাপিটালসও শুরুটা খুবএকটা খারাপ করেনি। পৃথ্বী শ তাড়াতাড়ি ফিরে গেলেও,  ডেভিড ওয়ার্নার এদিন দুর্ধর্ষ ছন্দে ছিলেন। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু বোলারদের বিরুদ্ধে তিনিও দাপুটে ব্যাটিং পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেন। একসময় যা দেখে মনে হচ্ছিল ম্যাচ বোধহয় দিল্লিই জিততে চলেছে। ১১ ওভারের মাথায় ওয়ার্নার ৬৬ রানে সাজঘরে ফেরেন। আর সেটাই যেন বেঙ্গালুরু বোলারদের কাছে সবচেয়ে বড় টার্নিং পয়েন্ট। ১৩ থেকে ১৭ ওভারের মধ্যে পরপর চার উইকেট খোয়ায় দিল্লি ক্যাপিটালস। আরক এই চার ওভারেই ম্যাচের সম্পূর্ণ মোর ঘুরিয়ে দেন বেঙ্গালুরু বোলাররা। ঋষভ এবং শার্দূল চেষ্টা করলেও, শেষপর্যন্ত ম্যাচ আর জেতাতে পারেনি।

close whatsapp