ডি’ককের দুর্ধর্ষ ইনিংস ও বোলারদের হিসাবী বোলিংয়ে জয়ের হ্যাটট্রিক লখনউ সুপার জায়ান্টসের

Quinton de Kock and KL Rahul
Quinton de Kock and KL Rahul. (Photo Source: IPL/BCCI)

কুইন্টন ডিককের দুর্ধর্ষ ব্যাটিং ইনিংস এবং বোলারদের হিসাবী বোলিংয়ের সৌজন্যেই আইপিএলে জয়ের হ্যাটট্রিক লখনউ সুপার জায়ান্টসের। দিল্লি ক্যপিটালসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে দিয়ে জয় যাত্রা অব্যহত রাখল লখনউ সুপার জায়ান্টস। এবারের আইপিএলের প্রথম ম্যাচে না পারলেও, দ্বিতীয় ম্যাচ থেকেই ছন্দে রয়েছেন কুিন্টন ডিকক। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে তাঁর দুর্ধর্ষ ইনিংসেই ঋষভ পন্থদের এদিন শেষ করে দিল লখনউয়ের সুপার জায়ান্টসরা। ম্যাচের সেরাও এদিন কুইন্টন ডিকক।

যদিও এদিন লখনউ সুপার জায়ান্টসের জয়ের রাস্তাটা তৈরি করে দিয়েছিলেন তাদের বোলাররা। দিল্লি ক্যাপিটালসের ৩টের বেশী  উইকেট হয়ত তারা তুলতে পারেনি। কিন্তু ডিওয়াই পটেল স্টেডিয়ামের পিচকে কাজে লাগিয়ে বোলাররা দিল্লিকে কম রানের মধ্যে আটকেও রেখেছে। মাত্র ১৪৯ রানের মধ্যেই শেষ করে দিয়ে লখনউয়ের বোলারদের কাজটা অনেকটাই এগিয়ে দিয়েছিলেন তারা। আর সেই রাস্তায় হেঁটেই লখনউ সুুপার জায়ান্টসের জয়টা পাকা করে দেন কুইন্টন ডিকক। ৫২ বলে ৮০ রানের ইনিংস খেলেই এদিন সাজঘরে ফেরেন ডিকক।

দিল্লিকে হারিয়ে জয়ের হ্যাটট্রিক লখনউ সুপার জায়ান্টসের

টস জিতে এদিন দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধ প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধন্ত নিয়েছিলেন লোকেশ রাহুল। শুরু থেকেই লক্ষটা ছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের ওপর চাপ তৈরি করা। কৃষ্ণাপ্পা গৌতম, রবি বিষ্ণোইরা সেটাই করে গিয়েছেন একেবারে যথার্থভাবে। এদিনই দিল্লির হয়ে প্রথমবার মাঠে নামেন ডেভিড ওয়ার্নার। কিন্তু তিনি ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার আগেই ওয়ার্নারকে সাজঘরের রাস্তাটা দেখিয়ে দিয়েছিলেন রবি বিষ্ণোই। একইসঙ্গে রভম্যান পাওয়েলকেও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তিনিই।

আর দিল্লি ক্যপিটালসের বড় রানের লক্ষ্য আটকাতে হয়ত এটাই এদিন লখনউয়ের ব্রহ্মাস্ত্র ছিল লোকেশ রাহুলের। পৃথ্বী যদিও আক্রমণাত্মক ছিলেন এদিন। কিন্তু পৃথ্বী শ ৩৪ বল ৬১ রানের ইনিংস খেলেই সাজঘরে ফেরেন। ঋষভ পন্থ শেষপর্যন্ত খেললেও, ঝোরো ইনিংস খেলতে পারেননি। তিনি করেন ৩৯ রান। ১৪৯ রানেই থেমে যায় দিল্লি ক্যাপিটালস।


https://twitter.com/RaktimRanjan6/status/1512130748081328137

লক্ষ্যটা সহজ হলেও এদিন শুরু থেকে যথেষ্ট সাবধানী ছিলেন লোকেশ রাহুল ও কুইন্টন ডিকক। যদিও লোকেশ রাহুল সেইসঙ্গে একটু আক্রমণাত্মকও ছিলেন। কিন্তু ২৪ রানেই ফিরে যেতে হয় তাঁকে। এভিন লুইস এদিনও ব্যর্থ। মাত্র ৫ রনে সাজঘরে ফেরেন তিনিও। সেই থেকেই দীপক হুডাকে নিয়ে একটা পার্টনারশপ গড়ে তোলার চেষ্টা শুরু করেন কুউন্টন ডিকক। আর তাঁর হাত ধরেই ধীরে ধীরে ম্যাচ লখনউয়ের দখলে আসতে থাকে। অত্যন্ত ধৈর্য ধরেই রান এগিয়ে নিয়ে যান ডিকক। সেইসঙ্গে প্রয়োজনে আক্রমণাত্মক ক্রিকেটও খেলেন তিনি। তাঁর ৫২ বলে ৮০ রানের অসাধারণ ইনিংসটি সাজানো রয়েছে ২টি ওভার বাউন্ডারি এবং ৯টি বাউন্ডারি।

যদিও ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেননি তিনি। বাকিটা ব্যাট হাতে সামাল দিয়ে দেন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার ক্রুণাল পান্ডিয়া। আর ফিনিশিংটা হয় সেই আয়ূষ বাদোনির হাতেই।

close whatsapp