আইপিএল ২০২২, ম্যাচ ১৫: লখনউ সুপার জায়ান্টস বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস, পরিসংখ্যান প্রিভিউ এবং আসন্ন মাইলফলক
পরপর দুই ম্যাচ জিতে ছন্দে আছে এলএসজি
আপডেট করা - Apr 6, 2022 10:55 pm

মুম্বাইয়ের ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে আইপিএল ২০২২-এর ১৫তম ম্যাচে লখনউ সুপার জায়ান্টস এবং দিল্লি ক্যাপিটালস একে অপরের মুখোমুখি হবে। লখনউ এই মরসুমে দুটি ম্যাচ জিতেছে এবং দিল্লি ক্যাপিটালস একটি জিতেছে। উভয় দলই এই মরসুমে একটি ম্যাচ হেরেছে। দিল্লি ক্যাপিটালসের জন্য সুখবর – অনরিখ নর্কিয়া ও ডেভিড ওয়ার্নার এই ম্যাচে প্রথম একাদশে ফেরার জন্য প্রস্তুত।
দিল্লি ক্যাপিটালস ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে এই মরসুমে তাদের প্রথম ম্যাচটি খেলবে। লখনউ সুপার জায়ান্টস এই মাঠে তাদের আগের ম্যাচে এসআরএইচকে পরাজিত করেছিল। ডিসি তাদের দুই ম্যাচেই ১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করেছে। যদিও তারা তাদের অভিযান মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে সফলভাবে শুরু করেছিল, তারা তাদের দ্বিতীয় ম্যাচে গুজরাত টাইটান্সের বিপক্ষে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারিয়ে লক্ষ্য থেকে দূরে চলে যায়।
শার্দূল ঠাকুর এই মরসুমে এখনও একটিও উইকেট নিতে পারেননি। তবে ডিসির বাকি দুই পেসার খলিল আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান ভালোভাবে শুরু করেছেন। কুলদীপ যাদব দুর্দান্তভাবে শুরু করলেও, তার স্পিন সঙ্গী অক্ষর প্যাটেল এই মরসুমে এখনও একটি উইকেট নিতে পারেননি। ডেভিড ওয়ার্নারের প্রত্যাবর্তন টপ অর্ডারকে শক্তিশালী করবে। অন্যদিকে ঋষভ পান্তের জ্বলে ওঠা এখনও বাকি। ললিত যাদব এই মরসুমে ভাল শুরু করেছেন এবং শার্দূল ঠাকুর ও অক্ষর প্যাটেল ব্যাট হাতে অবদান রেখেছেন।
জিটির বিরুদ্ধে তাদের প্রথম ম্যাচ হারলেও, লখনউ সুপার জায়ান্টস তাদের পরের দুটি ম্যাচ জিতে একটি শক্তিশালী প্রত্যাবর্তন করেছে। লখনউ সুপার জায়ান্টসের ব্যাটিং লাইন আপ দৃঢ়, যদিও মণীশ পান্ডের ফর্ম নিশ্চিতভাবে দলকে উদ্বিগ্ন করবে কারণ তিনি ৩ ম্যাচ খেলে মাত্র ২২ রান করেছেন।
দীপক হুডা, আয়ুষ বাদোনি, ক্রূণাল পান্ডিয়া ও জেসন হোল্ডারে সমৃদ্ধ লোয়ার মিডল অর্ডারকে দেখে খুবই ধ্বংসাত্মক মনে হচ্ছে। ক্রূণাল, আভেশ খান, ও রবি বিষ্ণোই বল হাতে বেশ ভালো ছন্দেই আছেন। জেসন হোল্ডার একটি ম্যাচ খেলে তিনটি উইকেট নিয়েছেন।
আইপিএল ২০২২-এর ১৫তম ম্যাচের আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যানের দিকে নজর দেওয়া হল
১ – বীরেন্দ্র সেহওয়াগকে ছাড়িয়ে যেতে এবং আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে দ্বিতীয় সর্বাধিক পঞ্চাশের বেশী স্কোর করতে ঋষভ পান্তের আর একটি ফাফ সেঞ্চুরি প্রয়োজন৷ বর্তমানে দুজনেরই ১৬টি পঞ্চাশ বা তার বেশি স্কোর। দলের হয়ে শিখর ধাওয়ানের সর্বাধিক পঞ্চাশ বা তার বেশি স্কোর রয়েছে (১৮)।
৮৭ – ঋষভ পান্ত আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বাধিক ম্যাচ খেলা খেলোয়াড় হতে চলেছেন। শ্রেয়াস আইয়ারও ৮৭ ম্যাচ খেলেছিলেন। অমিত মিশ্র ৯৯ ম্যাচ খেলে দিল্লির সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার হিসেবে বিবেচিত।
২৭.২০ – আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে কেএল রাহুলের ব্যাটিং গড়। অন্য সব দলের বিরুদ্ধে রাহুলের গড় ৩৮-এর বেশি যাদের বিরুদ্ধে তিনি কমপক্ষে দশটি ইনিংস ব্যাট করেছেন।
২০১৩ – ডেভিড ওয়ার্নার ২০১৩ সালের দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে তাঁর প্রথম আইপিএল ম্যাচ খেলবেন৷ তিনি ২০১৪ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের হয়ে খেলেছেন৷
৬ – আইপিএলে ৫০ ছক্কায় পৌঁছতে দীপক হুডার আরও ৬টি ছক্কা দরকার।
৬ – টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ১০০টি চার পূর্ণ করতে জেসন হোল্ডারের প্রয়োজন আরও ৬টি চার।
৩ – টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ১৫০ উইকেটে পৌঁছতে শার্দূল ঠাকুরের আরও ৩ উইকেট প্রয়োজন।
৩ – পৃথ্বী শকে (৪৭) আইপিএলে ৫০টি ছক্কা পূর্ণ করতে তিনবার বাউন্ডারি অতিক্রম করতে হবে।
১ – অক্ষর প্যাটেল (৯৯৯) আইপিএলে ১০০০ রানের ল্যান্ডমার্কে পৌঁছনো থেকে এক রান দূরে।
৫১ – ডেভিড ওয়ার্নারের (৫৪৪৯) এই লিগে ৫৫০০ রান ছুঁতে ৫১ রান প্রয়োজন।
১০ – কেএল রাহুল (২৯০) নগদ সমৃদ্ধ লিগে ৩০০ চারে পৌঁছনো থেকে দশটি চার দূরে।
৩ – অক্ষর (৪৭) এই টুর্নামেন্টে ৫০টি ছক্কা পূর্ণ করা থেকে তিনটি বড় হিট দূরে।
১ – কুইন্টন ডি কক (২৪৯) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ২৫০ ম্যাচে পৌঁছনো থেকে এক ম্যাচ দূরে।
৪ – ক্রূণাল পান্ডিয়াকে (৪৬) লিগে ৫০টি ছক্কা পূর্ণ করতে চারটি ছক্কা প্রয়োজন।
১০ – কুইন্টন ডি কক (২৪০) আইপিএলে ২৫০টি চার পূর্ণ করা থেকে দশটি চার দূরে।
১ – রবি বিষ্ণোই (৪৯) একটি ম্যাচ খেললে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৫০টি ম্যাচে পৌঁছবেন।
১ – ডেভিড ওয়ার্নারকে (১৪৯) টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ১৫০ ক্যাচে পৌঁছতে আর একটি ক্যাচ নিতে হবে।