শুভমন গিল ও লোকি ফার্গুসনের হাত ধরে আইপিএলে দুইয়ে দুই হার্দিকের গুজরাত টাইটান্সের

Gujarat Titans
Gujarat Titans. (Photo Source: IPL/BCCI)

শুভমন গিল ও লোকি ফার্গুসনের ধাক্কাতেই বেসামাল দিল্লি  ক্যাপিটালস। প্রথম ম্যাচ জিততে পারলেও, হার্দিক পান্ডিয়ার গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে পারল ঋষভ পন্থের দিল্লি ক্যাপিটালস। পুণের স্টেডিয়ামে দিল্লি ক্যাপিটালসকে হারিয়ে জয়ের ধারা অব্যহত রাখল গুজরাত টাইটান্স। পরপর দু ম্যাচেই জিতে লিগ টেবিলের ওপরের দিকে নিজেদের জায়গা ধরে রাখল নতুন দল গুজরাত টাইটান্স। ১৪ রানে দিল্লি ক্যাপিটালসকে হারাল গুজরাত টাইটান্স। ব্যাট হাতে এদিন একাই ৮৪ রান করেন শুভমন গিল। চার উইকেট নিয়ে বাকি কাজটা করে দেন লোকি ফার্গুসন।

এবারের আইপিএলে ৮ কোটি টাকা দিয়ে শুভমন গিলকে তুলে নিয়েছিল গুজরাত টাইটান্স। লোকি ফার্গুসনকে তারা দলে নিয়েছিল ১০ কোটি টাকায়। গুজরাতের সেই সিদ্ধান্ত যে এতটুকু ভুল ছিল না তা এদিন কার্যত বুঝিয়ে দিলেন দুই তারকাই। তাদের হাত ধরেই এদিন দিল্লি ক্যাপিটালসকে উড়িয়ে এগিয়ে চলল হার্দিক পান্ডিয়াদের গুজরাত টাইটান্স। নতুন দল হলেও, তারা যে সহজেই হার মানবেন না তা বুঝিয়ে দিল গুজরাত টাইটান্স।

মাত্র ২৮ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হন লোকি ফার্গুসন

এদিন টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন দিল্লি ক্যাপিটালসের অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। লক্ষ্যটা ছিল গুজরাতের ব্যাটিং লাইনআপে দ্রুত ধস নামানো। ২ রানের মধ্যে ম্যাথু ওয়েডকে সাজঘরে ফিরিয়েও দিয়েছিলেন তারা। কিন্তু এদিন একা হাতে গুজরাত টাইটান্সের রান এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন শুভমন গিল। শুরুতে খানিকটা ধীরে খেললেও, সময় যত এগোয়, ততই আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলা শুরু করেন শুভমন গিল।

৪৬ বলে ৮৪ রানের ইনিংস খেলে এদিন সাজঘরে ফেরেন শুভমন গিল। তাঁর গোটা ইনিংসটি সাজানো রয়েছে ৬টি বাউন্ডারি ও ৪টি ওভার বাউন্ডারি দিয়ে। এছাড়া এদিনও একটা ঝোরো ইনিংস খেলেন হার্দিক পান্ডিয়া। ২৭ বলে ৩১ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন তিনি। তবে গুজরাতের জয়ের ভিতটা এদিন শুভমন গিলই মজবুত করে দিয়ে গিয়েছিলেন। নির্ধারিত ওভারে গুজরাত টাইটান্স করে ১৭১ রান।

আইপিএলের মতো মঞ্চে যদিও এই রান তাড়া করে জেতা হয়ত খুব একটা কঠিন নয়। কিন্তু গুজরাত যেভাবে এদিন বোলিং করেছে, তাদের বিরুদ্ধে জয় পাওয়াটা বোধহয় সতযিই কঠিন ছিল। প্রথম ম্যাচে উইকেট না পেলেও, এদিন বল হাতে গুজরাত টাইটান্সকে অবশ্য প্রথম সাফল্যটা দেন হার্দিক পান্ডিয়াই।  টিম সেরিফটকে সাজঘরের রাস্তাটা প্রথম তিনিই দেখিয়ে দেন।

আইপিএলের অভিষেকেই দুইয়ে দুই গুজরাত টাইটান্সের

এরপর অবশ্য বাইশগজে বল হাতে শুধুই লোকি ফর্গুসনের দাপট। পৃথ্বী শ, মনদীপ সিংদের আগেই সাজঘরের রাস্তা দেখিয়ে দেন তিনি। কিন্তু তাতে গুজরাত শিবিরে পুরোপুরি স্বস্তিটা আসেনি। কারণ তখনও ক্রিজে খেলে চলেছিলেন ঋষভ পন্থ। তাঁকেও শেষপর্যন্ত প্যাভিলিয়নের রাস্তাটা দেখিয়ে গুজরাতের জয়কে নিশ্চিত করে দেন সেই লোকি ফার্গুসনই। মাত্র ২৮ রান দিয়ে তিনি একাই ৪ উইকেট নেন এদিন।

আর শেষের দিকে মহম্মদ সামির এক ওভারে দু উইকেট দিল্লি ক্যাপিটালসের কফিনে শেষ পেড়েকটা পুঁতে দেয়। ১৫৭ রানেই থেমে যেতে হয় দিল্লি ক্যাপিটালসকে। ম্যাচ শেষে ঋষভ পন্থের চোখে মুখে  হতাশার ছাপ ছিল এদিন স্পষ্ট। এই রান তাড়া করে তারদের জেতাটা উচিত্ ছিল বলেই মনে করেন ঋষভ পন্থ।

close whatsapp