চোট-আঘাতে জেরবার শ্রীলঙ্কা, হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে ছিটকে গেলেন মাহিশ থিকসানা
আপডেট করা - Feb 25, 2022 6:39 pm

ভারতের বিরুদ্ধে প্রথম টি টোয়েন্টিতেই হেরে গিয়েছে শ্রীলঙ্কা। ভারতের মাটিতে প্রথম সিরিজ জয়ের সুযোগ এখনও অবশ্য হাতছাড়া হয়নি তাদের। কিন্তু তার আগেই বড় ধাক্কা শ্রীলঙ্কা শিবিরে। চোটের ধাক্কায় ভারতের বিরুদ্ধে টি টোয়েন্টি সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন মাহিশ থিকশানা। আর তাতে লঙ্কা বাহিনীর চিন্তা যে বাড়ল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ওয়াহিন্ডু হাসারঙ্গা আগেই ছিটকে গিয়েছেন এই সিরিজ থেকে। এবার শ্রীলঙ্কা সিরিজের আরেক তারকা স্পিনার মাহিশ থিকসানাও ছিটকে গেলেন।
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজ হারের পরই ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছে শ্রীলঙ্কা। এখনও পর্যন্ত ভারতের মাটিতে একটিও টি টোয়েন্টি সিরিজ জেতেনি লঙ্কা বাহিনী। এবার সেই পরিসংখ্যান বদলাতে চায় তারা। কিন্তু সেই পথে চোট আঘাত ও করোনাই এখন তাদের সামনে সবচেয়ে বড় বাধা। ভারতের বিরুদ্ধে নামার আগেই শ্রীলঙ্কা শিবিরের সবচেয়ে বড় তারকা ওয়াহিন্ডু হাসারঙ্গা করোনার জন্য দল থেকে ছিটকে গিয়েছেন।
তেমনই চোট আঘাতের জন্য আগেই দল থেকে ছিটকে গিয়েছেন বেশ কিছু তারকা। ভারতের বিরুদ্ধে নামার আগেও চোট আঘাত পান বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। তাদের মদ্যেই একজন ছিলেন মাহিশ থিকসানা। ভারতের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে নামার আগেই হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান তিনি। আর তাতেই সেই ম্যাচে নামতে পারেননি এই তারকা ক্রিকেটার।
হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট পেয়ে টি টোয়েন্টি সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন মাহিশ থিকসানা
এবার সেই হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের জন্যই ভারতের বিরুদ্ধে টি টোয়েন্টি সিরিজ থেকেই ছিটকে গেলেন মাহিশ থিকসানা। প্রথম ম্যাচে নামতে না পারলেও, তাঁকে দ্বিতীয় ম্যাচে পাওয়া নিয়ে আশাবাদী ছিল শ্রীলঙ্কা শিবির। কিন্তু চোট সারিয়ে সিরিজের মধ্যে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। আর তাতেই সিরিজের বাইরেই থাকতে হচ্ছে অএই অফ স্পিনারকে।
ভারত বনাম শ্রীলঙ্কা শেষ দুটি টি টোয়েন্টি ম্যাচ হবে ধরমশালায়। সেখানে স্পিনারদের প্রভাব বেশ ভাল। যে কারণে শোনাযাচ্ছে ভারতও নাকি দুই স্পিনারে খেলার চিান্তা করছে। আর সেই ম্যাচে নামার আগেই দলের একের পর এক তারকা সিরিজের বাইরে চলে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কার। যার ফলে চিন্তা বাড়াটাই স্বাভাবিক।
প্রথম ম্যাচে ৬২ রানে হেরে ইতিধ্যেই সিরিজে পিছিয়ে গিয়েছে শ্রীলঙ্কা। সমতায় ফিরতে হলে ধরমশালায় জিততেই হবে তাদের। কিন্তু চোট আঘাতে জর্জরিত শ্রীলঙ্কা শিবির কী আদৌ ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। সে তো শনিবার ম্যাচ শেষেই বোঝা যাবে।