নিকোলাস পুরান-মার্কাস স্টয়নিসের বিধ্বংসী ইনিংসে বাজিমাত লখনউ সুপার জায়ান্টসের

Nicholas Pooran
Nicholas Pooran. ( Image Source: IPL )

অভিষেক শর্মার একটা ওভারেই ঘরের মাঠে ম্যাচ হাতছাড়া সানরাইজার্স হায়দরাবাদের।  মার্কাস স্টয়নিস ও নিকোলাস পুরানের শেষ মুহূর্তে দুটো ঝোড়ো ইনিংস পিছিয়ে থাকা লখনউ সুপার জায়ান্টসকে জয়ের রাস্তায় ফেরানোর পাশাপাশি প্লেঅপে্র রাস্তাতেও ফের খানিকটা এগিয়ে দিল। সানরািজার্স হয়দরাবাদের বিরদ্ধে ৭ উইকেটে ম্যাচ জিতে নিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। প্রেরক মানকড় অর্ধশতরান পেয়েছেন ঠিকই। কিন্তু মার্কাস স্টনিস ও নিকোলাস পুরানের শেষ দিকের ঝোড়ো পারফরম্যান্সটাই সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সমস্ত আশাটা শেষ করে দিয়েছিল।

অভিষেক শর্মার এক ওভারে ৩১ রান। ম্যাচের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ওভারেই অভিষেক শর্মার বিরুদ্ধে বিধ্বংসী রূপ ধারণ করেছিলেন মার্কাস স্টয়নিস। তাঁর পরপর দু বলে দুটো ছয় দিয়ে শুরু হয়েছিল তান্ডবটা। এরপর নিকোলাস পুরানের ব্যাটে দেখা গেল ফের একটা বিধ্বমসী ইনিংস। মাঠে আসার পরই অভিষেক  শর্মার পরপর তিন বলে তিনটি ছয় হাঁকান তিনি। আর তাতেই কার্যত জয়টা পাকা হয়ে গিয়েছিল লখনউ সুপার জায়ান্টসের। ৪ বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নেয় লখনউয়ের সুপার জায়ান্টসরা।

৬৪ রান করে ম্যাচের সেরা হয়েছেন প্রেরক মানকড়

স্টয়নিস করেন ২৫ বলে ৪০ রান এবং নিকোলাস পুরনের ব্যাট থেকে দেখা যায় ১৩ বলে ৪৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস। যেখানে শুধুই ছিল ছয়ের বন্যা। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সমস্ত আশা শেষ করে প্লেঅফে নিজেদের রাস্তাটা অনেকটাই পাকা করে ফেলল লখনউ সুপার জায়ান্টস। টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সানমরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক। লক্ষ্যটা ছিল লখমনউ সুপার জায়ান্টসের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ চুঁড়ে দেওয়া। যদিও শুরুতেই ফিরে যান অভিষেক শর্মা। আনমোলপ্রীত ও রাহুল ত্রিপাঠি একটা আক্রমণাত্মক পার্টনারশিপ গড়ে তোলার পথে হাঁটলেও শেষরক্ষা করতে পারেনি। লখনউ বোলারদের সামনে সেষপর্যন্ত ব্যর্থ হয়েই সাজঘরে ফিরেছেন তারা।


https://twitter.com/vipintiwari952/status/1657380533465419782

হেনরিখ ক্লাসেন ২৯ বলে ৪৭ রানের ইনিংস খেলার সৌজন্যে সামরাইজার্স হায়দরাবাদকে লড়াই করার রানে পৌঁছে দিতে পারেন। সেখানেই শেষপর্যন্ত ১৮২ রান করেছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। জবাবে ব্য়াটিং করতে নেমে শুরুতেই কাইল মেয়ার্সের উইকেট হারায় লখনউ সুপার জাায়ান্টস। কুইন্টন ডিককও থামেন ২৯ রানে। সেই সময়থেকেই মানকড়ের সহ্গে পার্টনারসিপ গড়ার কাজ শুরু করেন মার্কাস স্টয়নিস। ম্যাচের ১৫ তম ওভারেই গোটা চিত্রটা বদলে যায়। অভিষেক শর্মার ওভারে পরপর দুই বলে ছয় মেরে ওভার শুরু করেন মার্কাস স্টয়নিস। যদিও তিনি ৪০ রানেই থামেন।

কিন্তু নিকোলাস পুরামকে আটকানো এদিন সহজ ছিল না। মাঠে আসার পরই অভিষেক শর্মাকে পরপর তিন বলে তিনটি ওভার বাউন্ডারি। সেই থেকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি  লখনউ সুপার জায়ান্টসকে। ৪ বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নেয় লখনউ সুপার জায়ান্টস। নিকোলাস পুরানের গোটা ইনিংস জুড়ে রয়েছে ৪টি ছয় এবং ৩টি চার।

close whatsapp