এশিয়া কাপ ২০২৩ বাতিল হলে পাঁচটি দেশ নিয়ে একটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে পারে বিসিসিআই
আপডেট করা - Jul 27, 2023 9:29 pm

বোর্ড অফ কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই) পাঁচটি দেশ নিয়ে একটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করার পরিকল্পনা করছে, কারণ পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) তাদের দেশে এশিয়া কাপ ২০২৩ আয়োজন করার ব্যাপারে অনড় রয়েছে।
২০২২ সালের অক্টোবর মাসে বিসিসিআই স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছিল যে এশিয়া কাপ ২০২৩-এ খেলার জন্য পাকিস্তানে যাবে না ভারতীয় দল। প্ৰথমে মনে করা হয়েছিল যে পাকিস্তানের বাইরে কোথাও এশিয়া কাপ ২০২৩ অনুষ্ঠিত করা হবে, ঠিক যেমনটা করা হয়েছিল ২০১৮ সালে যখন ভারতের এশিয়া কাপ আয়োজন করার কথা ছিল, কিন্তু পাকিস্তান ভারতে আসতে অস্বীকার করায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত করা হয়েছিল।
এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) একটি বৈঠকে এশিয়া কাপ ২০২৩ অনুষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে হাইব্রিড মডেল ব্যবহার করার কথা জানিয়েছিল। এর অর্থ হল যে বাকি দেশগুলি এশিয়া কাপে তাদের ম্যাচগুলি পাকিস্তানে খেলবে, কিন্তু ভারতীয় দল তাদের ম্যাচগুলি পাকিস্তানের বাইরে অন্য কোনো জায়গায় খেলবে।
এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতি জয় শাহ জানিয়েছেন যে, “আমরা ২০২৩ এশিয়া কাপের কেন্দ্র চূড়ান্ত করার এবং ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের বিষয়ে স্পষ্টতার জন্য অন্যান্য দেশের মতামতের অপেক্ষা করছি।”
হাইব্রিড মডেল অনুসারে খেলতে চায় না ভারত
সূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে, ভারত হাইব্রিড মডেল অনুযায়ী এশিয়া কাপ খেলতে চায় না। এই কারণে এশিয়া কাপ বাতিলও হতে পারে। অন্যদিকে, পাকিস্তানের মতে যদি এই সমস্যার সমাধান না হয় তবে ২০২৫-এ পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হতে চলা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সময়ও অসুবিধার সৃষ্টি হতে পারে।
পিসিবির উপর তাদের দেশের জনসাধারণের চাপ রয়েছে, সেই কারণেই তারা চায় না যে ইউএই বা অন্য কোনো দেশে এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হোক। অন্যদিকে, যদি শেষমেশ এশিয়া কাপ বাতিল হয়, তবে সেই সময়টিকে কাজে লাগানোর জন্য পাঁচটি দেশ নিয়ে একটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে পারে বিসিসিআই।
পিসিবি অন্য দেশে এশিয়া কাপ আয়োজিত হওয়ার সম্ভাবনাকে প্রত্যাখ্যান করেছে, যদিও শ্রীলঙ্কা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত এশিয়া কাপ আয়োজন করার ক্ষেত্রে আগ্রহ দেখিয়েছিল। তবে এশিয়া কাপ বাতিল হলে পাকিস্তান অনেক বড় সমস্যার মধ্যে পড়ে যাবে। কারণ এই বছরেই ভারতে ওডিআই বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে এবং এশিয়া কাপ না হলে বিশ্বকাপের আগে পাকিস্তানের প্রস্তুতি ব্যাহত হবে।