চেন্নাই সুপার কিংসের পরাজয় নিয়ে মুখ খুললেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার আকাশ চোপড়া
আপডেট করা - Apr 1, 2023 12:15 pm

আইপিএল ২০২৩-এর উদ্বোধনী ম্যাচে গুজরাট টাইটান্সের (জিটি) কাছে ৫ উইকেটে পরাজিত হয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস (সিএসকে)। এই নিয়ে টানা তিনবার হার্দিক পান্ডিয়ার নেতৃত্বাধীন দলের বিরুদ্ধে পরাজিত হল মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বাধীন দল। প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার আকাশ চোপড়া সিএসকের এই পরাজয় নিয়ে নিজের বক্তব্য প্রকাশ করেছেন।
সিএসকে ইমপ্যাক্ট খেলোয়াড় হিসেবে আম্বাতি রায়ডুর জায়গায় তুষার দেশপান্ডেকে মাঠে আনেন। কিন্তু তিনি বল হাতে একদমই ভালো প্রদর্শন করতে পারেননি। তিনি ৩.২ ওভারে ৫১ রান দেন। শেষ ওভারে তার বলেই ছয় মেরে গুজরাট টাইটান্সকে ম্যাচ জিততে সাহায্য করেন রাহুল তেওয়াতিয়া। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মহেন্দ্র সিং ধোনি মোয়েন আলি এবং শিবম দুবেকে দিয়ে বল করাননি।
আকাশ চোপড়া সিএসকের পরাজয়ের ব্যাপারে বলেন, “চেন্নাইয়ের একটা সমস্যা আছে। বোলিং পুরোটাই উন্মুক্ত দেখা গেছে। তারা আম্বাতি রাইডুকে সরিয়ে তুষার দেশপান্ডেকে (ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে) নিয়ে আসে কিন্তু তাদের মাত্র পাঁচজন বোলার ছিল, যার মধ্যে ছিলেন জাড্ডু (রবীন্দ্র জাদেজা), মিচেল স্যান্টনার, তুষার দেশপান্ডে, রাজবর্ধন হাঙ্গারগেকার এবং দীপক চাহার। বোলিং ভালো দেখাচ্ছে না। চেন্নাইয়ের সমস্যা বোলিং। ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার থাকলে আপনার ষষ্ঠ বোলার থাকা উচিত, কিন্তু তাদের কাছে ষষ্ঠ বোলিং বিকল্প ছিল না। এটা মোটেও ভালো ইঙ্গিত নয়।”
গুজরাট টাইটান্সের রান তাড়া করার ব্যাপারেও মন্তব্য করেন আকাশ চোপড়া
গুজরাট টাইটান্স রানের লক্ষ্যে ঠিকঠাকভাবেই এগোচ্ছিল কিন্তু শেষের দিকে তারা একটু সমস্যায় পড়ে গিয়েছিল। কিন্তু রাশিদ এবং তেওয়াতিয়া মিলে গুজরাটকে জয় এনে দেন। গুজরাট টাইটান্সের রান তাড়া করাকে ভালোভাবে বিশ্লেষণ করেছেন আকাশ চোপড়া।
আকাশ চোপড়া বলেন, “ঋদ্ধিমান সাহা রকেটের মতো শুরু করেছিলেন। যখন তিনি আউট হন, তখন হঠাৎ শুভমান গিল হিট করা শুরু করেন। তিনি ৫০ রান করেন। সাই সুদর্শনও ভাল খেলছিলেন এবং সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল কিন্তু তারপর হার্দিক পান্ডিয়া এবং শুভমান আউট হন।”
তিনি আরও বলেন, “তারপর বিজয় শঙ্কর এলেন। বিজয় শঙ্কর ভালো খেলেছেন কিন্তু যখন আউট হলেন, তখন মনে হচ্ছিল ম্যাচ আটকে যাবে। কীভাবে আটকে যাবে? এটি ছিল এই দলের শক্তি, তারা হেরে যাওয়া ম্যাচ জিতেছিল এবং একজন করে নতুন নায়ক আসত। এখানে রাশিদ খান এসে একটি ছক্কা এবং একটি চার মারেন। শেষ পর্যন্ত, রাহুল তেওয়াটিয়ার একটি ছক্কা এবং একটি চার – শেষ।”