সূর্যকুমারের সেঞ্চুরির পরে বোলারদের সম্মিলিত প্রয়াসে সিরিজ জয় ভারতের

৩ উইকেট নিয়ে বোলারদের মধ্যে সেরা আর্শদীপ সিং

Indian Team
Indian Team. (Photo Source: BCCI)

সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে শ্রীলঙ্কাকে ৯১ রানে পরাজিত করার পর ভারত ঘরের মাঠে দ্বিপাক্ষিক টি-২০ সিরিজে তাদের আধিপত্য অব্যাহত রেখেছে। সফরকারীদের বিরুদ্ধে ভারতের ১৯তম টি-টোয়েন্টি জয় ছিল এটি এবং এই জয়ের মাধ্যমে খেলার সংক্ষিপ্ততম ফর্ম্যাটে যে কোনো দলের বিরুদ্ধে কোনো দলের সবচেয়ে বেশী জয়লাভের রেকর্ড গড়েছে ভারত। ব্যাটিং তারকা সূর্যকুমার যাদবের একটি অপরাজিত সেঞ্চুরির মাধ্যমে জয়ের বীজ বপন করেছিল ভারত এবং দলের বোলাররা কাজ শেষ করেছেন স্বচ্ছন্দেই।

ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজ জেতার জন্য শ্রীলঙ্কাকে রেকর্ড রান তাড়া করতে হত। তবে তারা সবসময় প্রয়োজনীয় রান রেটের পিছনে ছিল। শ্রীলঙ্কার ব্যাটাররা শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে বড় শট মারার লক্ষ্যে। কুসাল মেন্ডিস, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, দাসুন শানাকা প্রত্যেকেই ২০ রানের গণ্ডী টপকালেও বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হয়েছেন। 

আগের ম্যাচে পাঁচটি নো-বল করে সমালোচিত হওয়া আর্শদীপ তৃতীয় টি-২০তে শুধরেছেন এবং তিন উইকেট তুলে নিয়েছেন। ভারতীয় ফিল্ডাররাও যোগ্য সহায়তা করেছেন বোলারদের এবং শিবম মাভির একটি অত্যন্ত সুদর্শনীয় ছিল। হার্দিক পান্ডিয়া, উমরান মালিক, যুজবেন্দ্র চাহাল দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। চাহাল ৯০ উইকেট নিয়ে টি-২০তে ভারতের সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহকের তালিকায় ভুবনেশ্বর কুমারের সঙ্গে যুগ্মভাবে প্রথম স্থানে উঠে এসেছেন।

সূর্যকুমারের সামনে আত্মসমর্পণ শ্রীলঙ্কার বোলারদের

রাহুল ত্রিপাঠী আউট হতেই সূর্যকুমার যাদব ক্রিজে আসেন এবং যে ছন্দে ২০২২ শেষ করেছিলেন, সেই ছন্দ ২০২৩-এ যে হারিয়ে ফেলেননি তা প্রমাণ করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই ওপেনার হিসেবে নামা গিলের রান টপকে যান চার নম্বরে নামা সূর্যকুমার। ‘৩৬০-ডিগ্রি’ ব্যাটার হিসাবে বিবেচিত হওয়া খেলোয়াড় কোন বোলারকেই সমীহ করেননি। এমনকি লঙ্কান ফিল্ডারদেরও দর্শকে পরিণত করেন। 

ইনিংসের শুরুর দিকে তাঁর ট্রেডমার্ক শট স্কুপ ও ফ্লিকের মাধ্যমেই মূলত বাউন্ডারি মারছিলেন। হাফ সেঞ্চুরির কাছাকাছি যেতেই অফ সাইডে ইনসাইড আউট খেলা শুরু করেন। বাঁ-হাতি পেসার দিলশান মাদুশাঙ্কার একটি অফ-সাইডের দিকে ফুল টসকে ফাইন লেগের উপর দিয়ে ফ্লিক মারতে গিয়ে মাটিতে পড়ে যান, তা সত্ত্বেও বাউন্ডারি মারতে অসুবিধা হয়নি।

শুবমান গিল অনেকক্ষণ ধরে মন্থর ব্যাটিং করার পরে ধীরে ধীরে গতি পাচ্ছিলেন এবং ৩৬ বলে ৪৬ রান করেন। সূর্যকুমার ৪৫ বলে সেঞ্চুরি পূরণ করার পরে ৫১ বলে ১১২ রানে অপরাজিত থাকেন। তিনি ইনিংস শেষ করেছিলেন সাতটি বাউন্ডারি ও নয়টি ছক্কা দিয়ে।

ভারতের জয়ের পরে টুইটার যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাল

close whatsapp