ভারতের সিরিজ জয়ের পর অশ্বিন এবং শ্রেয়স আইয়ারকে প্রশংসায় ভরালেন সুনীল গাভাসকর

Sunil Gavaskar
Sunil Gavaskar. (Photo Source: Getty Images)

দ্বিতীয় টেস্টে একসময় ভারত পিছিয়ে পড়লেও শেষপর্ন্ত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সাফল্যই পেয়েছে টিম ইন্ডিয়া। আর ভারতের এই সিরিজ জয়ের পিছনে য়ে প্রধান কারিগড় রবিচন্দ্রন অশ্বিন এূং শ্রেয়স আইয়ার, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্ট জয়ের পর এই দুই ক্রিকেটারকে প্রশংসায় ভরালেন প্রাক্তন ভারতীয় কিংবদন্তী সুনীল গাভাসকর। তবে রবিচন্দ্রন অশ্বিনেরই বেশী প্রশংসা করেছেন তিনি। তাঁর মতে অশ্বিনকে কখনোই শুধুমাত্র বোলার হিসাবে বিবেচনা করা উচিত্ নয়।

বাংলাদেশকে তাদের ঘরের মাঠে হোয়াইট ওয়াশ  করতে পেরেছে ভারত। আর সেটাই সম্ভব েহয়েছে রবিচন্দ্রন অশ্বিন এবং শ্রেয়স আইয়ারের জন্য। তাদের ৭১ রানের পার্টনারশিপের জন্যই যে বাংলাদেশকে ভারতীয় দল হারাতে পেরেছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জিততে হলে ১৪৫ রান করতে হত ভারতীয় দলকে। কিন্তু সেই লক্ষ্যে পৌঁঠতে একসময় ভারত ৭ উইকেট খুইয়ে কীতিমত চাপে পড়ে দিয়েছিল। সেখান থেকেই রবিচন্দ্রন অশ্বিন এবং শ্রে.স আইয়ারের পারফরম্যান্স ভারতীয় দলকে সাফল্যের রাস্তায় পৌঁছে দেয়।

অশ্বিন ও শ্রেয়স আইয়ারের পার্টনারশিপই জয়ের রাস্তা পাকা করেছিল

আর এই দুই ক্রিকেটারের চাপের মুখে এমন পারফরম্যান্স দেখেই আপ্লুত হয়েছেন সুনীল গাভাসকর। তাঁর মতে সেই মুহূর্তে যেমনটা খেলার প্রয়োজন ছি্ল, সেটাই করে গিয়েছেন এই দুই ক্রিকেটার। সেই পরিস্থিতিতে চাপটা ক্রমশই বাড়ছিল। কিন্তু মাথা ঠান্ডা রেখে শর্টরানে খেলে পান এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দিকেই ছিল প্রধান নজর। অবশেষে সেটাই করতে পেরেছিলেন তারা। সেইসঙ্গে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ইনিংসের বাড়তি প্রশংসা করেছেন সুনীল গাভাসকর।

এই প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, “তাদের দুজনকেই সেখানে যথেষ্ট শান্ত দেখাচ্ছিল। সেই জায়গায় যে গুরুতর চাপ ছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আর সেখানেই রবিচন্দ্রন অশ্বিন একজন অসাধারণ ক্রিকেটার হওয়ার পরিচয় দিয়েছেন। সকলেই তাঁর বোলিং নেিয়ে নিয়ে বেশী আলোচনা করেন। কিন্তু তা্ঁর ঝুলিতে রয়েছে পাঁচটি সেঞ্চুরী। সেই সমস্ত সেঞ্চুরী তিনি কেমনভাবে পেয়েছেন সেটা সকলেরই জানা রয়েছে। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এদিন অসাধারণ ইনিংস খেলেছেন তিনি এবং শ্রেয়স আইয়ারের সঙ্গে তৈরি করেছেন অনবদ্য পার্টনারশিপ”।

তৃতীয় দিনই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দলের অন্যতম সেরা চারটি উইকেট খুইয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারতীয় দল। ১৪৫ রানের লক্ষ্য থাকলেও, তৃতীয় দিনই ভারতীয় দল ৪৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়েছিল। এরপর চতুর্থ দিন ৭৪ রানে ৭ উইকেট খোয়ায় টিম ইন্ডিয়া। সেইঈ থেকেই চাপটা যে বাড়তে শুরু করেছিলতা বলার অপেক্ষা রাখে না। সেই জায়গা থেকেই অশ্বিন এবং শ্রেয়স আইয়ারের ৭১ রানের পার্টনারশিপ ভারতীয় দলের জয়ের রাস্তাটা পাকা করে দেয়।

close whatsapp