ফিঞ্চের দুর্ধর্ষ ব্যাটিং এবং বোলারেদের দাপটে আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে দ্বিতীয় স্থানে অস্ট্রেলিয়া

Australia Team
Australia Team. (Photo Source: Twitter/ICC)

অ্যারণ ফিঞ্চ এবং মার্কাস স্টয়নিসের পার্টনারশিপটাই এদিন অস্ট্রেলিয়ার জয়ের রাস্তাটা তৈরি করে দিয়েছিল। সেই পথে হেঁটেই অস্ট্রেলিয়াকে জয় এনে দিয়ে বাকি কাজটা করে দেন অজি বোলাররা। ব্যাট হাতে ফিঞ্চ এবং স্টয়নিশ যেমন এদিন দুর্ধর্ষ ইনিংস খেলেছিলেন। তেমনই বোলিংয়ের সময় গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও মিচেল স্টার্কের দাপুটে বোলিংয়ে আয়ারল্যান্ডের সমস্ত আশা শেষ হয়ে যায়। আয়ারল্যান্ডকে ৪২ রানে হারিয়ে সেমিফাইনালের দিকে অনেকটাই এগিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া। আয়ারল্যান্ডকে রানে হারা গতবারের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া।

এবারের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হার দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল অস্ট্রেলিয়া। নিউ জিল্যান্ডের কাছে সেই ম্যাচে হেরেছিল অস্ট্রেলিয়া। যদিও পরের ম্যাচেই শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে জয়ের ধারায় ফিরেছিল। এরপর তাদের সামনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ ছিল অস্ট্রেলিয়ার সামনে। প্রতিপক্ষ ছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু বৃষ্টির জন্য সেই নম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছিল। একইসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার চিন্তাও বেড়েছিল খানিকটা। এই পরিস্থিতিতেই আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয়টাখানিকটা অক্সিজেন যোগাল অস্ট্রেলিয়া শিবিরেষ। পয়েন্ট টেবিলে দুই নম্বরে উঠে এল অস্ট্রেলিয়া।

চলতি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম অর্ধশতরকান পেলেন অ্যারণ ফিঞ্চ

যদিও অস্ট্রেলিয়াকে আগামীকাল নিউ জিল্যান্ড বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। এদিন টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন আয়ারল্যান্ড অধিনায়ক। শুরুতেই কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার দুই তাবড় তারকা ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শকে ফিরিয়ে দিয়ে চাপে ফেলে দিয়েছিল আয়ারল্যান্ড বোলাররা। কিন্তু সেখান থেকেই দলকে সামাল দিয়েছিলেন অ্যারণ ফিঞ্চ। যোগ্য সঙ্গত দিয়েছিলেন  আরেক তারকা মার্কাস স্টয়নিস।


https://twitter.com/fwildecricket/status/1587045220792803329
https://twitter.com/benjonescricket/status/1587024729709326336

দীর্ঘদিন ব্যাটে রান না পেলেও, এদিন আয়ার্লযান্ডের বিরুদ্ধে দুর্ধর্ষ ফর্মে চিলেন অ্যারণ ফিঞ্চ। তাঁর হাত দিয়ে ছিল চার ও ছয়ের বন্যা।  ৪৪ বলে ৬৩ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি। একইসঙ্গে মার্কাস স্টনিসও খেলেছেন ঝোড়ো ইনিংস এদিন। আর শেষের দিকে টিম ডেভিডের আক্রমণাত্মক ইনিংসে ভর করে ১৭৯ রানে পৌঁছয় অস্ট্রেলিয়া। সেই ম্যাচ জিততে হলে আইরিশ ব্যাটারদের তখন শক্তিশালী ব্যাটিংয়ের প্রয়োজন।

সেখানেই অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের সামনে মাথাতুলে দাঁড়াতে পারেনি তারা।  সেখানেই গদ্লেন ম্যাক্সওয়েল, কামিন্স এবং মিচেল স্টার্কের দাপটে আয়ারল্যান্ডের টপ অর্ডার সাকের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। আর তাতেই ম্যাচের ভবিষ্যত কার্যত নিস্টিত হয়েগিয়েছিল। লর্কান টাকার শেষ পর্যন্ত একটা চেষ্টা চালালেও সেষরক্ষা হয়নি। তাঁর ৭১ রকানের ইনিংস বাঁটাতে পারেনি আয়ারল্যান্ডকে। ১৩৭ রানেই শেষ হয়ে যায় আয়ারল্যান্ড। সেইসঙ্গে ৪২ রানে ম্যাচ জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া। যদিও রানরেট কিন্তু একটু পিচিয়েই রয়েছে তারা।

close whatsapp