গ্লেন ফিলিপসের সেঞ্চুরী ইনিংস ও বোল্টের বিধ্বংসী বোলিংয়ে ধরাশায়ী শ্রীলঙ্কা

Glenn Philips
Glenn Philips. ( Image Source: Twitter )

শুরুটা ভালভাবে করতে না পারলেও, গ্লেন ফিলিপসের সেঞ্চুরী ইনিংসেই এদিন শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জয়ের রাস্তাটা তৈরি করে ফেলেছিল নিউ জিল্যান্ড। এরপর ট্রেন্ট বোল্ট এবং মিচেল স্যান্টনারের অসাধারণ স্পেলেই শেষ শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ৬৫ রানে জিতে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের দিকে অনেকটাই এগিয়ে গেল নিউ জিল্যান্ড। অন্যদিকে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয়ে শ্রীলঙ্কার এখন টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টিকে থাকাটাই যেন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে। এই নিয়ে দ্বিতীয় ম্যাচ হারল শ্রীলঙ্কা।

ব্যাট হাতে সেষ পর্যন্ত অবশ্য শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শনাকা চেষ্টা করলেও, ততক্ষণে অনেকটাই দেরী হয়ে গিয়েছিল। তিনি ৩৫ রানে থামতেই শ্রীলঙ্কার যতটুকু যা আসা দেখা যাচ্ছিল সবকিছু শেষ হয়ে যায়। এদিন শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং লাইনআপকে একই শেষ করে দিয়েছিলেন তারকা পেসার ট্রেন্ট বোল্ট। ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে একাই তুলে নিয়েছিলেন চার উইকেট। আর তাতেই ম্যাচের ভাগ্যও লিখে দিয়েছিলেন তিনি। এদিন টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে  কোনওরকমে ১০০ রানের গন্টীও টপকাতে পারল  শ্রীলঙ্কা।

সেঞ্চুরী ইনিংস খেলে ম্যাচের সেরা হয়েছেন গ্লেন ফিলিপস

ম্যাচ শেষে শুধু একটাই শান্তনা টি টোয়েন্টিতে তাদের সর্বনিম্ম স্কোরটা অবশ্য পার করতে পেরেছিল শ্রীলঙ্কা। এদিন টস জিতে নিউ জিল্যান্ড প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্তই নিয়েছিল। লক্ষ্যটা ছিল বড় রান করার। কিন্তু শ্রীলঙ্কার বোলিংয়ের সামনে শুরুটা কিন্তু একেবারেই ভালভাবে করতে পারেনি তারা। বরং ১৫ রানের মধ্যে ৩ উইকেট খুইয়ে নিউ জিল্যান্ড বেশ চাপেই পড়ে গিয়েছিল। চাপটা শ্রীলঙ্কার বোলাররাও ধরে রেখেছিল। কিন্তু একটা ক্যাচ ফস্কানোই যেন গোটা ম্যাচের ভবিষ্যতটা বদলে দিয়েছিল। বাউন্ডারি লাইনে গ্লেন ফিলিপসের ক্যাচ মিস। আর তারই খেসারত এরপর দিতে হয়েছিল শ্রীলঙ্কাকে।

এরপর থেকেই মাঠে বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন গ্লেন ফিলিপস। ৬৪ বলে এদিন ১০৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছিলেন গ্লেন ফিলিপস। তাঁর ব্যাট থেকে এদিন সুধুই ছিল চার ও ছয়ের বন্যা। এবারের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেঞ্চুরী এসেছে তাঁরই ব্যাট থেকে। গ্লেন ফিলিপসের গোটা ইনিংসটা সাজানো রয়েছে ১০টি বাউন্ডারি এবং ৪টি ওভার বাউন্ডারি দিয়ে। আর তাতে বর করকেই নিউ জিল্যান্ড পৌঁছেছিল ১৬৭ রানে। শ্রীলঙ্কার সামনে তখন খুব একটা কটিন লক্ষ্য নয়।

কিন্তু নিউ জিল্যান্ডের বোলাররা ছিল এদিন ভয়ঙ্করক মেজাজে। শ্রীলঙ্কার টপ অর্ডারকে এদিন ক্রিজে দাঁড়াতেই দেননি ট্রেন্ট বোল্ট ও মিচেল স্যান্টনার। ২৪ রানের মধ্যেই এই দুই পেসার শ্রীলঙ্কার পাঁচ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন। ট্রেন্ট বোল্ট একাই নিয়েছেন ৪ উইকেট। স্যান্টনারের শিকার ২ উইকেট। একসময় মনে হচ্ছিল শ্রীলঙ্কা বোধহয় ৫০ রানো করতকে পারবে না। তবে দাসুন শনাকার শেষের দিকে দুরন্ত পারফরম্যান্সের সৌজন্যে কোনওরকমে শ্রীলঙ্কা ১০০ রান টপকেছিল।

close whatsapp