আইপিএলের এক হাজারতম ম্যাচে চলমান সংস্করণের সর্বোচ্চ স্কোর করে রেকর্ড জয়সওয়ালের

জয়সওয়ালের ইনিংসে ১৬টি চার ও ৮টি ছয়

Yashasvi Jaiswal
Yashasvi Jaiswal. (Photo Source: IPL/BCCI)

রাজস্থান রয়্যালস ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল আইপিএল ২০২৩-এ তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে শতরানের গণ্ডী টপকেছেন। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ৩০শে এপ্রিল, রবিবার, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে বাঁ-হাতি ব্যাটার মাত্র ৫৩ বলে তিন অঙ্কের রানে পৌঁছেছিলেন।

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ও রাজস্থান রয়্যালসের মধ্যকার ম্যাচটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূরর আইপিএলের ইতিহাসে কারণ এটি ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ১০০০তম ম্যাচে। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সেঞ্চুরি করে জয়সওয়াল আইপিএলে তাঁর প্রথম সেঞ্চুরিকে স্মরণীয় করে রাখলেন। উল্লেখ্য, আইপিএলের ইতিহাসের প্রথম ম্যাচেও সেঞ্চুরি করেছিলেন এক ব্যাটার। ২০০৮-এ আয়োজিত সেই ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সের ব্রেন্ডন ম্যাককালাম বেঙ্গালুরুতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিপক্ষে আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে তিন অঙ্কের রান স্পর্শ করেছিলেন।

যশস্বী জয়সওয়ালের বিধ্বংসী ইনিংসের পরে রাজস্থান রয়্যালসের সংগ্রহে ২১২ রান

এক প্রান্ত থেকে জয়সওয়াল নিয়মিত তাঁর সঙ্গীদের হারাতে থাকেন। তবে জয়সওয়ালকে টলানো সম্ভব হয়নি এবং কুড়িতম ওভারে আউট হওয়ার সময়ে ৬২ বল খেলে তাঁর দখলে ১২৪ রান। এই বিনোদনমূলক ইনিংসটি গড়েছিলেন ১৬টি চার ও ৮টি ছক্কার সাহায্যে। রয়্যালসের বাকী ব্যাটাররা সম্মিলিতভাবে করেছিলেন মাত্র ৬৩ রান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার ছিলেন জস বাটলার (১৯ বলে ১৮)।

১৮তম ওভারে রাইলি মেরেডিথ যখন ওভার শুরু করতে আসছেন, তখন জয়সওয়াল অপরাজিত ছিলেন ৯২ রানে। সেখান থেকে পরপর দুই বলে দুইটি চার মেরে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এবং তার পরের ডেলিভারিতেও বাউন্ডারি হাঁকিয়ে চারের হ্যাট-ট্রিক করেন। তাঁর সেঞ্চুরির সৌজন্যে রয়্যালস তাদের নির্ধারিত ২০ ওভারে ২১২-৭ রানের বিশাল স্কোর খাড়া করেছে।

“আমি আমার ইনিংসের পুরোটা উপভোগ করেছি। আমি যেভাবে ভাবছিলাম, সেভাবেই আমার পরিকল্পনা কার্যকর করেছি। আমি সঠিক শটগুলি মারছিলাম এবং ফাঁকে মারছিলাম। আমি প্রতিদিন যখন নেটে যাই, তখন একই মনোভাব নিয়ে নামি এবং আমি এভাবেই পারফর্ম করি। আমি আমার কোচদের সঙ্গে অনেক কাজ করি এবং দলের জন্য ভালো করি,” প্রথম ইনিংসের পরে জয়সওয়াল সম্প্রচারকদের বলেছেন।

close whatsapp