ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩: ওডিআই বোলিং র‍্যাঙ্কিংয়ে প্ৰথম স্থান দখল করলেন শাহীন আফ্রিদি

Shaheen Afridi
Shaheen Afridi. (Photo Source: Alex Davidson-ICC/ICC via Getty Images)

১লা নভেম্বর, বুধবার, ওডিআই বোলিং র‍্যাঙ্কিংয়ে সাত ধাপ উপরে উঠে প্ৰথম স্থান দখল করলেন পাকিস্তানের প্রতিভাবান পেসার শাহীন আফ্রিদি। ৬৭৩ রেটিং পয়েন্ট অর্জন করার মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞ পেসার জশ হ্যাজেলউডকে পিছনে ফেলে দিলেন তিনি।

ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এ এখনও পর্যন্ত খুব ভালো পারফরম্যান্সের প্রদর্শন করেছেন শাহীন আফ্রিদি। সম্প্রতি, তিনি ওডিআই ক্রিকেটে দ্রুততম পেসার হিসেবে ১০০টি উইকেট নেওয়ার রেকর্ড করেছেন। তিনি নিজের ৫১ তম ম্যাচে এই মাইলফলকটি স্পর্শ করেছেন। ৩১শে অক্টোবর, মঙ্গলবার, সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের মুখোমুখি হয়েছিল পাকিস্তান। এই ম্যাচে তানজিদ হাসানকে আউট করার মাধ্যমে ১০০টি উইকেটের মাইলফলকে পৌঁছন শাহীন।

ওডিআই ক্রিকেটে তৃতীয় দ্রুততম বোলার হিসেবে ১০০টি উইকেট নিয়েছেন শাহীন আফ্রিদি। তার আগে রয়েছেন রশিদ খান ও সন্দীপ লামিছনে। শাহীন হলেন একমাত্র পাকিস্তানি পেসার যিনি ওডিআই বিশ্বকাপে একাধিকবার পাঁচ উইকেট শিকার করেছেন। চলতি ওডিআই বিশ্বকাপে প্যাট কামিন্সের নেতৃত্বাধীন অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৫টি উইকেট নিয়েছিলেন পাকিস্তানের এই প্রতিভাবান পেসার।

এবারের ওডিআই বিশ্বকাপে শাহীন আফ্রিদি এখনও পর্যন্ত ৭টি ম্যাচ খেলেছেন এবং ১৬টি উইকেট নিতে সক্ষম হয়েছেন। তার বোলিংয়ের স্ট্রাইক রেট এবং ইকোনমি রেট হল যথাক্রমে ২২.৮৭ এবং ৫.২২।

শাহীন আফ্রিদি প্ৰথম স্থানে উঠে আসার পর ভারতের মহম্মদ সিরাজ, দক্ষিণ আফ্রিকার কেশব মহারাজ, নিউজিল্যান্ডের ট্রেন্ট বোল্ট, আফগানিস্তানের রশিদ খান, ভারতের কুলদীপ যাদব এবং আফগানিস্তানের মুজিব উর রহমান র‌্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ করে নীচে নেমে গেছেন। অন্যদিকে, হারিস রউফ ২৬-এ উঠে এসেছেন।

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৩টি উইকেট শিকার করেছিলেন শাহীন আফ্রিদি

সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বাধীন দলের বিরুদ্ধে শাহীন আফ্রিদি ৯ ওভারে মাত্র ২৩ রান দিয়েছিলেন এবং ৩টি উইকেট নিয়েছিলেন। তানজিদ হাসানের পর নাজমুল হোসেন শান্ত এবং মাহমুদউল্লাহকে আউট করেছিলেন তিনি। আসন্ন ম্যাচগুলিতে এই ২৩ বছর বয়সী ব্যাটার কেমন পারফরম্যান্সের প্রদর্শন করে সেটাই এখন দেখার বিষয়।

ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এই রাউন্ড রবিন পর্যায়ে পাকিস্তানের আর ২টি ম্যাচ বাকি রয়েছে। ৪ঠা নভেম্বর, শনিবার, নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন দল। এরপর, ১১ই নভেম্বর, তারা জস বাটলারের নেতৃত্বাধীন ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে। পাকিস্তান তাদের শেষ দুটি ম্যাচে জিততে পারে কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়।

close whatsapp