ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এ হতে চলা পাকিস্তান বনাম আফগানিস্তান ম্যাচ নিয়ে মুখ খুললেন শোয়েব আখতার
আপডেট করা - Oct 22, 2023 7:55 pm

২৩শে অক্টোবর, সোমবার, ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এর মঞ্চে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে পাকিস্তান। পাকিস্তান এই মুহূর্তে খুব একটা ভালো পরিস্থিতির মধ্যে নেই। তারা তাদের শেষ দুটি ম্যাচে যথাক্রমে ভারত এবং অস্ট্রেলিয়ার কাছে পরাজিত হয়েছে।
পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার শোয়েব আখতার আসন্ন পাকিস্তান বনাম আফগানিস্তান ম্যাচটির ব্যাপারে নিজের বক্তব্য জানিয়েছেন। তিনি বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন দলের উদ্দেশ্যে পরামর্শ দিয়েছেন যে তারা যেন হসমতউল্লাহ শাহিদীর নেতৃত্বাধীন দলকে হালকাভাবে না নেয়।
শোয়েব আখতার বলেন, “আফগানিস্তান একটি শক্তিশালী দল। আপনি যদি নিজেকে বিব্রতকর অবস্থা থেকে বাঁচাতে চান… আমি বলছি না আফগানিস্তান একটি খারাপ দল, তারা পাকিস্তানের সমান। তাদের হালকাভাবে নেবেন না। ম্যাচটা চেন্নাইয়ে, বল টার্ন হবে। এটা আফগানিস্তানের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি। আমি নিশ্চিত পাকিস্তান তাদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করবে। আপনারা ম্যাচটিতে নিজেদের হৃদয় দিয়ে খেলার চেষ্টা করুন।”
তিনি আরও বলেন, “টসে জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছি কেন? ৩২০ রান করুন, বোলারদের সুযোগ দিন। আপনারা হয়তো তাদের বোল্ড আউট করতে পারবেন। বাবর আজম একজন দুর্দান্ত খেলোয়াড়, কিন্তু দুর্দান্ত খেলোয়াড়দের দুর্দান্ত ইনিংস খেলতে হবে। বড় দেশের বিরুদ্ধে পারফর্ম না করে নিজেকে বড় করে তুলতে পারবেন না। আপনাকে দেখাতে হবে যে আপনি বড় ম্যাচে বড় রান করতে পারেন।”
অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৬২ রানে পরাজিত হয়েছিল পাকিস্তান
ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এ শুরুটা বেশ ভালোভাবেই করেছিল পাকিস্তান। বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন তাদের প্ৰথম দুটি ম্যাচে যথাক্রমে নেদারল্যান্ডস এবং শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছিল। কিন্তু এরপরই তারা ছন্দ হারিয়ে ফেলে। প্ৰথমে তারা ভারতের কাছে ৭ উইকেটে পরাজিত হয়। এরপর প্যাট কামিন্সের নেতৃত্বাধীন অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধেও তারা পরাজয়ের মুখোমুখি হয়।
অস্ট্রেলিয়া পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্ৰথমে ব্যাটিং করেছিল এবং ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ৩৬৭ রানে পৌঁছতে পেরেছিল। ডেভিড ওয়ার্নার এবং মিচেল মার্শ যথাক্রমে ১২৪ বলে ১৬৩ রান এবং ১০৮ বলে ১২১ রান করেছিলেন। শাহীন আফ্রিদি ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছিলেন। তিনি ১০ ওভার বোলিং করে ৫৪ রান দিয়ে ৫টি উইকেট তুলে নিয়েছিলেন।
পাকিস্তানের ইনিংস ৩০৫ রানে শেষ হয়ে গিয়েছিল। আবদুল্লাহ শফিক এবং ইমাম-উল-হক যথাক্রমে ৬১ বলে ৬৪ রান এবং ৭১ বলে ৭০ রান করেছিলেন। রিজওয়ান ৪০ বলে ৪৬ রান করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এছাড়া পাকিস্তানের আর কোনো ব্যাটার বেশি রান করতে পারেননি।