মেন্ডিসের ৬০ ও শেষ মুহূর্তে টেল এন্ডারদের লড়াইয়ে বাংলাদেশকে হারিয়ে সুপার ফোরে শ্রীলঙ্কা
আপডেট করা - Sep 1, 2022 11:52 pm

কুশল মেন্ডিসের ৬০ রানের বিধ্বংসী ইনিংসটাই রাস্তাটা গড়ে দিয়ে গিয়েছিল। আর শেষ মুহূর্তে টেল এন্ডারদের হার না মানা মনোভাব এবং দু ওভারে দুটো নো বলই ম্যাচের ভবিষ্যত্ বুঝিয়ে দিয়েছিল। হাড্ডহাড্ডি লড়াই শেষে বাংলাদেশকে ২ উইকেটে হারিয়ে এশিয়া কাপের সুপার ফোরে জায়গা পাকা করে ফেলল শ্রীলঙ্কা। এশিয়া কাপের প্রথম দল হিমসাবেই এবার ছিটকে গেল সাকিব আল হাসানের বাংলাদেশ। শেষ দুই ওভারই যে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিয়েছিল, সেটা সাকিব আল হাসানও মেনেই নিচ্ছেন।
আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচেই দুই দল হেরে গিয়েছিল। এশিয়া কাপের সুপার ফোরে যাওয়ার জন্য বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশের সামনে ছিল শেষ সুযোগ। লড়াইটা একেবারে ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে ছিল। নাছোড় মনোভাব নিয়ে মাঠে একটা জোরদার লড়াই চালাল দুই দলই। ইবাদত হোসেনের দুর্ধর্ষ স্পেলে একসময় যখন মনে হচ্ছিল ম্যাচ বাংলাদেশের দখলে সেই সময়ই কুশল মেন্ডিসের ঝোড়ো ইনিংস ফের শ্রীলঙ্কা শিবিরে আশা জাগিয়ে তুলেছিল। কিন্তু বাংলাদেশ বোলারদের মোক্ষম সময়ে পরপর নো বলগুলোই বোধহয় আসল পার্থক্যটা গড়ে দিয়েছিল। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েই জয়়টা নিশ্চিত করে ফেলেছিল শ্রীলঙ্কা।
৩৭ বলে ৬০ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে ম্যাচের সেরা কুশল মেন্ডিস
টস জিতে এদিন প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কা অধিনায়ক দাসুন শনাকা। লক্ষ্যটা ছিল বাংলাদেশকে যতটা দ্রুত সম্ভব শেষ করে দেওয়া কিন্তু। কিন্তু মরণঁ বাঁচন ম্যাচে বাংলাদেশও এদিন মরিয়া ছিল। শুরুটা যদিও খুব একটা ভাল করতে পারেনি তারা। কিন্তু দলগতভাবে কিন্তু শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে যথেষ্ট বড় প্রতিরোধ তৈরি করতে পেরেছিল বাংলাদেশ শিবির। শ্রীলঙ্কা ক্রমশ চাপ বাড়াতে থাকলেও, মেহেদী হাসান এদিন বেশ আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন। যদিও ৮ রানেই থামতে হয়েছিল তাঁকে। তিনি যখন সাজঘরে ফেরেন, সেই সময় বাংলাদেশের রান ২ ুইকেটে ৫৮।
What a game @OfficialSLC brilliant chase @KusalMendis13 @dasunshanaka1 #asitha what a finish! Keep going boys 👏👏
— Angelo Mathews (@Angelo69Mathews) September 1, 2022
Sri Lanka qualified for the Super Four phase of the #AsiaCup2022! 😉#roaringforglory #SLvBAN #AsiaCup2022 pic.twitter.com/WRIRjMDDXh
— Sri Lanka Cricket 🇱🇰 (@OfficialSLC) September 1, 2022
Sri Lanka join India and Afghanistan in the Super 4 stage of the Asia Cup after the hard-fought win over Bangladesh by 2 wickets #AsiaCup2022 #Cricket
— Saj Sadiq (@SajSadiqCricket) September 1, 2022
2 no-balls in the last 2 overs from Bangladesh?? A suicidal run-out to sacrifice the last remaining batter from Sri Lanka? A close match where both teams allowed the situation to get to them! #SLvsBD #Asiacup2022
— Harsha Bhogle (@bhogleharsha) September 1, 2022
Well Done Asitha Fernando…….👏🏼👏🏼#SLvsBan
— Dimuth Karunarathna (@IamDimuth) September 1, 2022
কিছুক্ষণের মধ্যে সাকিব আল হাসানও ফিরে যান সাজঘরে। তিনি করেন ২৪ রান। বাংলাদেশ তখনও পুরোপুরি চাপমুক্ত ছিল না। আফিফ হোসেন মাঠে আসা পর থেকেই ধীরে ধীরে চিত্রটা বদলাতে থাকে। একসময়য়ে বাংসাদেশ ১৫০ রানের গন্ডী টপকাতে পারবে কিনা সকলে ভাবছিলেন, সেখানেই আফিফ হোসেনের হাত ধরে ফের ম্যাচের ফেরে বাংলাদেশ। আর শেষের দিকে মোসাদ্দেক হোসেনের ঝোড়ো ইনিংস। ৯ বলে ২৪ রাবের ইনিংস খেলন তিনি।
Are you not entertained?!#BANvsSL #AsiaCupT20 #AsiaCup2022
— Mpumelelo Mbangwa (@mmbangwa) September 1, 2022
All Sri Lanka fans to Kusal Mendis after that match-winning knock! 🤩
Celebrate 🇱🇰's 2-wicket win in #SLvBAN with a 👏.
DP World #AsiaCup2022 pic.twitter.com/oNE3e3zG78
— Star Sports (@StarSportsIndia) September 1, 2022
Sri Lanka won by 2 wickets.#BCB | #Cricket | #AsiaCup2022 pic.twitter.com/txCnSTarvD
— Bangladesh Cricket (@BCBtigers) September 1, 2022
Great game. Lots of imperfections. Sri Lanka made the fewer mistakes. Handled the pressure well in big moments.#BANvSL #AsiaCup2022
— Mohammad Isam (@Isam84) September 1, 2022
What a game!
Bangladesh would rue the fact that while Sri Lanka bowlers did not bowl a single no-ball or wide, they bowled as many as 4 no-balls and 8 wides!#SLvBAN #AsiaCup2022— Rajneesh Gupta (@rgcricket) September 1, 2022
নির্ধারিত ওভারে ৭ উইকেট খুইয়ে বাংলাদেশ করে ১৮৩ রান। শ্রীলঙ্কার সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জটা এদিন ছুঁড়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু পরের রাউন্ডে পৌঁছনোর লড়াইয়ে শ্রীলঙ্কাও ছিল একেবারে মরিয়া। কুশল মেন্ডিসের ৬০ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলার পরই অবশ্য সাজঘরে ফেরেন। সেই সময় কিন্তু চাপ বেড়েছিল বাংলাদেশের। কিন্তু হাল ছাড়েননি তারা। দাসুন শনাকা চেষ্টাটা চালিয়ে গিয়েছিল। তাঁরে ৪৫ রানে মেহেদী হাসান ফেরাতেই ফের ম্যাচে নতুন মোড়।
করুণারত্নের রান আউটের পর অনেকেই ম্যাচ বাংলাদেশের পক্ষেই ভাবতে শুরু করে দিয়েছিল। কিন্তু টেল এন্ডারদের মানসিকতাও ছিল এদিন কঠিন। লড়াইটা তারা চালিয়ে গিয়েছিল। যে ইবাদত বাংলাদেশের জয়ের রাস্তাটা একসময় প্রশস্ত করেছিল, শেষ দুই ওভারে একাই ৩৮ রান দিয়ে সেই আশাটা কার্যত শেষ করে দিয়েছিল। দুই বল বাকি থাকতে থিকসানা ও ফার্নান্ডোর হাত ধরেই ম্যাচ জিতে নেয় শ্রীলঙ্কা।