ম্যাচ হারের পর খারাপ ফিল্ডিংয়ের কথাই দাসুন শনাকার মুখে
আপডেট করা - Oct 29, 2022 7:11 pm

এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে এবার টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেমেছিল শ্রীলঙ্কা। শুরটা বেশ ভালভাবে করেওছিল। কিন্তু দুটো ম্যাচের খারাপ পারফর্ম্যান্সই যেন সমস্ত হিসাব বদলে দিয়েছে শ্রীলঙ্কার। অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারের পর নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে নেমেছিল শ্রীলঙ্কা। সেই ম্যাচে শুরুটা ভালভাবে করলেও শেষরক্ষাকরতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। চূড়ান্ত ব্যাটিং ব্যর্থতার দায়ে শেষপর্যন্ত নিউ জিল্যান্ডের কাছে ৬৫ রানে হেরে গিয়েছে শ্রীলঙ্কা। সেইসঙ্গে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখন টিকে থাকাটাই তাদের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের।
টস জিতে এদিন নিউ জিল্যান্ডের অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেখানেই বল হাতে কিন্তু শ্রীলঙ্কার বোলাররা পাওয়ার প্লের মধ্যেই তাদের টপ অর্ডারকে সাজঘরের রাস্তা দেখিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু সে্খান থেকেই নিউ জিল্যান্ডের হাল ধরেছিলেন তাদের তারকা ক্রিকেটার গ্লেন ফিলিপস। তাঁর হাত ধরেই এদিন লড়াই করার রানে পৌঁছতে পেরেছিল নিউ জিল্যান্ড। আবার এই তারকা ক্রিকেটারেরই ক্যাচ মিস করেছিল শ্রীলঙ্কার ফিল্ডার।
নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে শ্রীলঙ্কার হয়ে এদিন সর্বোচ্চ রান করেছেন দাসুন শনাকা
ম্যাচ শেষে নিউ জিল্যান্ডের কাছে হারের পর সেই কথাই বারবার শোনা গেল দাসুন শনাকার মুখে। প্রথম ১০ ওভারে তারা ভাল পারফরম্ান্স দেখাতে পারলেও, শেষ ওভারেই সমস্ত হিসাব বদলে গিয়েছিল। সেইসঙ্গে দেখা গিয়েছিল বেশকিছু খারাপ ফিল্ডিংও দেখা গিয়েছিল শ্রীলঙ্কার। আর ম্যাচ শেষে যে সেটাই হারের অন্যতম প্রধান কারণ তাও বলতে দ্বিধা করেননি শ্রীলঙ্কার দাসুন শনাকা
এই প্রসঙ্গেই ম্যাচ শেষে দাসুন শনাকা জানিয়েছেন, “প্রথম দশ ওভার আমাদের বোলাররা সত্যিই ভাল পারফরম্যান্স দেখিয়েছিল। কিন্তু এরপর গ্লেন ম্যাক্সওয়েল অসাধারণ একটা পারফরম্যান্স প্রদর্শন েকরেছিলেন। সেইসঙ্গে ফিল্ডিংয়েও আমাদের ক্রিকেটাররা বেশকিছু সুযোগ হাতছাড়া করেছে। টিম সাউদি এবং ট্রেন্ট বোল্টের মতো ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে ১৬০ রান তখন অনেকটাই বেশী ছিল আমাদের কাছে। যদিও সেখানে একটা জয়ের সুযোগ আমাদের সামনে ছিল কিন্তু সেই পরিস্থিতিতেই পরপর উইকেট খুইয়েছিলাম আমরা। পরের ম্যাচ গুলোতে ইতিবাচক হয়েই খেলতে নামতে হবে আমাদের”।
এদিন নিউ জিল্যান্ডের বোলারদের সামনে ২৫ রানের মদ্যেই ৫ উইকেট কুইয়ে শ্রীলঙ্কা কার্যত ম্যাচ তখনই হেরে গিয়েছিল। শেষের দিকে দাসুন শনাকা একটা চেষ্টা করলেও, ততক্ষণে অনেকটাই দেরী হয়ে গিয়েছিল।