এশিয়া কাপ জিতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের মুখে হাসি ফোটাতে চান শাদাব খান
আপডেট করা - Sep 10, 2022 8:21 pm

বন্যা বিপর্যস্ত পাকিস্তান। গোটা দেশের প্রায় এক তৃতীয়াংশ এই মুহূর্তে জলের নীচে রয়েছে। সেই সময় এশিয়া কাপের মঞ্চে লড়াই চালাচ্ছে পাকিস্তান। এবারের এশিয়া কাপে দুর্ধর্ষ পারফরম্যান্স দেখিয়ছে পাকিস্তান। রবিবার শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে এশিয়া কাপের ফাইনালে নামবে পাকিস্তান। দসের বন্যা কবলিত কষ্টে থাকা মানুষগুলোর মুখে হাসি ফোটানোর জন্যই এসিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন হতে চান শাদাব খান। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে এশিয়া কাপের ফাইনালে নামার আগে সেই কথাই জানিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি এক ভয়াবহ বন্যায় পরিস্থিতি ক্রমশই খারাপের দিকে পাকিস্তানের। দেশের এক তৃতীয়াংশ প্রায় চলে গিয়েছে জলের তলায়। বহু পাকিস্তানী অধিবাসীদের জীবন যে এত্যন্ত খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এমন পরিস্থিতিতেই এশিয়া কাপের ফাইনালে পৌঁছেছে পাকিস্তান। শেষম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তারা হেরেছে ঠিকই, কিন্তু ফাইনালে নিজেদের লক্ষ্য প্রস্তুত করে ফেলেছে পাকিস্তান। শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশের সমর্যকদের মুখে ফোটানই এখন প্রধান লক্ষ্য শাদাব খানের।
রবিবার এশিয়া কাপের ফাইনালে নামছে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি পাকিস্তান
ফাইনালের আগের দিন শাদাব খান জানিয়েছেন, “ভয়াবহ আবহাওয়ার জন্য এই মুহূর্তে পাকিস্তানের প্রায় এক তৃতীয়াংশ জলের নীচে রয়েছে। এই মুহূর্তে আমরা দেশের থেকে দূরে রয়েছি। কিন্তু সেখানকার পরিস্থিতি যত দেখছি ততই যেন আমাদের কষ্ট আরও বাড়ছে। সেজন্যই এই এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পাকিস্তানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের মুখে হাসি ফোটানোই এখন প্রধান লক্ষ্য আমাদের সকলের”।
রবিবার এসিয়া কাপের ফাইনালে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে পাকিস্তান। তার আগে শেষবার সুপার ফোরের মঞ্চে মুখোমুখি হয়েছিল এই দুই দল। সেখানে কিন্তু চূ়ড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছিল পাকিস্তানী ব্যাটাররা। মাত্র ১২১ রানেই শেষ হয়ে গিয়েছিল পাকিস্তান। সেই বুল থেকে সিক্ষা নিয়েই এবার ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া হয়ে রয়েছে পাকিস্তান। নিজেদের লক্ষ্যও যে কার্যত তারা প্রস্তুত করে ফেলেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
শাদাব খান ম্যাচের আগের দিন আরও জানিয়েছে, “যখন আমরা ভারতের কাছে প্রথম ম্যাচে হেরেছিলাম, আমাদের মধ্যে এই আত্মবিশ্বাস ছিল যে আমরা অবশ্যই ঘুরে দাঁড়াতে পারব। আর সেটাই করতে পেরেছিলামও। হংকংয়ের বিরুদ্ধে রিজওয়ান অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছিল এবং আমাদের দুর্ধর্ষ বোলিং পারফরম্যান্সও আত্মবিশ্বাস যোগাতে সাহায্য করেছিল। সুপার ফোরের ম্যাচে নওয়াজ অসাধারণ অল রাউন্ডারের পারফরম্যান্স দেখিয়েছিলেন। আর নাসিম শাহের শেষ দুই বলে দুটো ছয় তো আদাবন সকলের মনে থাকবে”।