বাংলা

বায়ো বাবলে থাকার পরিণতি কী হতে পারে প্রকাশ করলেন বিরাট কোহলি

উঠে এল সুরক্ষিত বায়ো বাবলের ক্ষতিকর দিক

Virat Kohli
Virat Kohli. (Photo Source: Twitter)

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের অধিনায়ক হিসেবে বিরাট কোহলির শেষ মরসুমেও সাফল্যের মুখ দেখলেন না। ব্যাঙ্গালোরের এই ফ্র্যাঞ্চাইজি এই আইপিএলের লিগ পর্যায়ে অসাধারণ ক্রিকেত খেলে প্লে-অফে উঠলেও এলিমিনেটরে তাদের কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে চার উইকেটের পরাজয়ের সম্মুখীন হতে হয়। 

৯ মরসুম দলের অধিনায়ক থাকার পর দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন কোহলি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর পর্যায় শুরু হওয়ার আগে তিনি এই ঘোষণা করেছিলেন। এই বছর এত ভালো ফর্মে থাকার পরেও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে বলে কোহলি হতাশ হবেন নিঃসন্দেহে। তবে এখন তাঁর নজর আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপের দিকে। 

কোহলি বিগত কয়েক দিন যাবত অন্যান্য ভারতীয় ক্রিকেটাদের সাথে বায়ো বাবলে আছেন। শুক্রবার তিনি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে বোঝাতে চেয়েছেন যে কীভাবে একটি সীমাবদ্ধ স্থানে দীর্ঘদিন থাকার ফলে একজন খেলোয়াড়ের ক্ষতি হয়। কোহলি নিজে একটি চেয়ারে দড়ি বাঁধা অবস্থায় আছেন, এমন একটি ছবি শেয়ার করেছেন। কোহলি পোস্টের ক্যাপশনে লিখেছেন, “বায়ো বাবলে খেলার অনুভূতি এমনই।” 

কোভিড-১৯ মহামারীর প্রকোপ এড়াতে ইদানীং যে কোন বড় ক্রীড়া ইভেন্টই খেলা হয় সুরক্ষিত বায়ো বাবলের মধ্যে। আইপিএল বা টি-২০ বিশ্বকাপও সেরকমই ইভেন্ট। নিয়ম অনুসারে, একটি সিরিজ বা টুর্নামেন্ট চলাকালীন খেলোয়াড়দের একটি নির্দিষ্ট এলাকা ছেড়ে যাওয়ার অনুমতি নেই। তাছাড়া, কারোরই বায়ো বাবলের বাইরের মানুষের সাথে দেখা করার অনুমতি নেই। সংক্রমণ যতোটা সম্ভব প্রতিরোধ করার উদ্দেশ্যেই এই ব্যবস্থাপনা। 

এই বিধিনিষেধের কারণে, বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় মানসিক অবসাদ নিয়ে অভিযোগ করেছেন। একইভাবে খেলোয়াড়দের বেশ কয়েকটি বড় প্রতিযোগিতা থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা গেছে। পাঞ্জাব কিংসের ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইলও আইপিএল থেকে বেরিয়ে এসেছেন যাতে বিশ্বকাপের আগে ফ্রেশ থাকতে পারেন। যদিও বিরাট কোহলি কখনোই কোন টূর্নামেন্ট থেকে তাঁর নাম প্রত্যাহার করেননি, কিন্তু বায়ো বাবলে থাকা তাঁর পক্ষেও কঠিন ছিল।

এদিকে, টি -টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কিছুদিনের মধ্যে শুরু হওয়ার সাথে সাথে কোহলিকে আরও কিছু সময়ের জন্য বায়ো বাবলের মধ্যেই দিন যাপন করতে হবে। উল্লেখযোগ্যভাবে, সমকালীন বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ব্যাটার প্রতিযোগিতার পরে ভারতের টি -টোয়েন্টি অধিনায়কের পদ থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অতএব, ট্রফি তুলে সাফল্যের সাথে সরে দাঁড়াতে বদ্ধপরিকর তিনি।