শুভমন গিলের দ্বিশতরান ও সিরাজের ৪ উইকেট, হাড্ডহাড্ডি লড়াইয়েই জয় এল ভারতের

India Beat New zealand
India Beat New zealand. ( Image Source: twitter )

শুভমন গিলের দুর্ধর্ষ দ্বিশতরানের জবাবে মাইকেল ব্রেসওয়েলের একটা অসাধারণ লড়াই। শেষপর্যন্ত বোলারদের হাত ধরে নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয় দিয়েই যাত্রা শুরু করল টিম ইন্ডিয়া। শার্দূল ঠাকুরের বলে শেষ ওভারে ১৪০ রানে মাইকেল ব্রেসওয়েলের থামার সঙ্গেই রোহিত শর্মার মুখে জয়ের হাসি। মহম্মদ সিরাজ এবং কুলদীপ যাদবকে বাদ দিলে, ভারতীয় দলের বোলিং পারফরম্যান্স কিন্তু পুরোপুরি স্বস্তি দিতে পারছে না টিম ম্যানেজমেন্টকে।  শুভমন গিলের দ্বিশতরানের ইনিংসটা অবশ্য ভারতীয় দলের জয়ের রাস্তাটা এদিন তৈরি করেই দিয়েছিল। কিন্তু বোলারদের বেশকিছু ভুল রোহিত শর্মার চিন্তা বাড়ানোর জন্য যথেষ্ট। প্রথম ম্যাচেই ১২ রানে জিতল ভারত।

টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক রোেহিত শর্মা। শুভমন গিলের সঙ্গে ওপেনিংয়ে শুরুটা ভালভাবে করলেও, শেষ ৩৪ রানেই থামতে হয়েছিল রোহিত শর্মাকে। কিন্তু এদিন শুরু থেকেই দুরন্ত ফর্মে ছিলেন শুভমন গিল। বিরাট কোহলিও বেশীক্ষণ ক্রিে থাকতে পারেননি। কিন্তু শুভমন গিলের দাপুটে ইনিংসেই সমস্যা চাপ কেটে গিয়েছিল ভারতীয় দলের। তিনি একা হাতেই এদিন নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতীয় দলের রানকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব তুলে নিয়েছিলেন।

দ্বিশতরান করে ম্যাচের সেরা হয়েছেন শুভমন গিল

সেই পথে কখনও হার্দিক পান্ডিয়া তো কখনও সূর্যকুমার যাদবকে পাশে পেয়েছিলেন তিনি।কিন্তু শুভমন গিলকে আটকানোর কোনও অস্ত্র এদিন ছিল না নিউ জিল্যান্ডের কাছে। সময় যত এগিয়েছে শুভমন গিল এদিন ততই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছিলেন তিনি। আর তাতেি চূড়ান্ত সাফল্য এসেছিল শুভমন গিলের ব্যাটে। কেরিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরীর মঞ্চেই প্রথম দ্বিশতরানের স্বাদও পেয়েছেন তিনি। আর তাতেই ভারতীয় দলের বড় রানের লক্ষ্যটাও স্থির হয়ে গিয়েছিল। এদিন ১৪৯ বলে ২০৮ রানের ইনিংস খেলে ভারতীয় দলের জয়ের রাস্তাটা কার্যত তিনিই প্রস্তুত করে দিয়েছিলেন। তাঁর গোটা ইনিংসে ছিল ৯টি ছয় ও ১২টি বাউন্ডারি।


https://twitter.com/Simmi_Sahu_/status/1615749054872588288

আর তাতেই শেষপর্যন্ত ভারতীয় দল করেছিল ৩৪৯ রান। নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তখন রানের পাহাড়ে ভারতীয় দল। এবার ভারতীয় দলের বোলারদের সামনে চিল কঠিন পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় শুরুটা বেশ ভালভা্বেই করেছিলেন মহম্মদ সামি, মহম্মগ সিরাজ ও কুলদীপ যাদবরা। ১৩১ রানের মধ্যে ৬ উইকেট তুলে নিয়ে একসময় ম্যাচের রাশ পুরোটাই ছিল ভারতীয় দলের দখলে। সেই সময় থেকেই মাইকেল ব্রেসওয়েলের লড়াইটা শুরু হয়েছিল। স্যান্টনারকে নিয়েই তাঁর পার্টনারশিপ গড়ার কাজটা সুরু হয়েছিল।

সময় যত এগিয়েছিল ততই ভারতীয় দলের ওপরক চাপ বাড়াতে শুরু করেছিলেন মাইকেল ব্রেসওয়েল। তিনি একে হাতেই কার্যত দলের দায়িত্ব তুলে নিয়েছিলেন। তবে মহম্মদ সিরাজের হাতেই ভাঙে সেই পার্টনারশিপ। স্যান্টনার এবং শিপলেকে সাজঘরে ফিরিয়ে দেন মহম্মদ সিরাজ। তখনও অবশ্য ম্যাচ ভারতীয় দলের দখলে পুরোপুরি বলা জায়না। শেষ ওভারে বাকি ছিল ২০ রান। শার্দুল ঠাকুর প্রথম বলেই ছয় দিয়ে ম্যাচকে আরও কঠিন করে ফেলেন। তৃতীয় বলে অবশ্য তিনিই ব্রেসওয়েলকে এলবি করে ভারতের প্পথম জয় এনে দেন।

close whatsapp