শাদাব খানের দাপুটে পারফরম্যান্সে ভর করে সেমিফাইনালের আশা এখনও জিইয়ে রাখল পাকিস্তান

Shadab Khan
Shadab Khan. ( Image Source: Twitter )

ব্যাটিং এবং বোলিংয়ে শাদাব খানের দাপুটে পারফর্ম্যান্সে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিরাট জয় পাকিস্তানের। চি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের রাস্তা এখনও পর্যন্ত খোলা রাখল পাকিস্তান। যদিও এখনও অনেক হিসাব নিকাশের ওপর ভর করেই সেমিফাইনালের রাস্তা হাঁটতে হবে তাদের। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম চারের পর্বে পৌঁছনোর জন্য এখনও একটা ক্ষীণ আশা জিইয়ে রাখল তারা। পরের ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জিততেই হবে পাকিস্তানকে। ডাক ওয়ার্থ লুইস নিয়মে ৩৪ রানে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারাল পাকিস্তান।

পরপর দুই ম্যাচ হেরেই এবারের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের রাস্তা কঠিন করে ফেলেছিল পাকিস্তান। প্রথম ম্যাচে তারা নেদারল্যান্ডসের বিরদ্ধে জিতেছিল। কিন্তু আসল পরীক্ষা ছিল এই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে। সেখানেই দাপুটে পারফর্ম্যান্স দেখালেন শাদাব খান। ব্যাট এবং বল হাতে এদিন পাকিস্তানের জয়ের ্রধান কারিগড় যদি শাদাব খানকে বলা হয়ে যাতে তবে হয়ত খুব একটা ভুল হবে না। ব্যাট হাতে যেমন অর্ধশতরান করলেন তিনি। তেমনই বল হাতে জোড়া উইকেট নিয়ে প্রতিপক্ষদের ব্যাটিং লাইনআপকেএও ধসিয়ে দিয়েছিলেন এই তারকা ক্রিকেটার।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে  ম্যাচের সেরাও হয়েছেন শাদাব খান

টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম। কিন্তু পাকিস্তানের চপ অর্ডার চূড়ান্ত ব্যর্থ। ৪৩ রানের মধ্যে ৪ উইকেট খুইয়ে পাকিস্তান রীতিমত চাপে পড়ে গিয়েছিল। ব্যাট হাতে সেই কঠিন পরিস্থিতি থেকেই পাকিস্তানের হাল ধরেন শাদাব খান ও ইফতিকার আহমেদ। এই দুই ক্রিকেটারই এদিন অর্ধশতরানের ইনিংস খেলেন। তাদের পার্টনারশিপে ভর করকেই শেষপর্যন্ত ১৮৫ রানে পৌঁছেছিল পাকিস্তান। যদিও । ২২ বলে ৫২ রানের দুর্ধর্ষ ইনিংস খেলেন শাদাব খা্ন।

তাঁর গোটা ইনিংস জুড়ে রয়েছে ৩টি বাউন্ডারি ও ৪ টি ওভার বাউন্ডারি।  আর তাতেই তাতেই রানেপর পাহাড়ে পৌঁছেছিল পাকিস্তান। এরপর বল হাতেও পাকিস্তানের বোলাররা ছিলেন দুর্ধর্। ফর্মে। শুরুতেই দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা দুই ব্যাটার কুইন্টন ডিকক ও রাইলিরসোকে সাজঘরের রাস্তা দেখিয়ে দিয়েছিলেন শাহিন আফ্রিদি। যদিও তখনও দক্ষিণ আফ্রিকার একটা আশা ছিল। কারণ ক্রিজে ছিলেন মার্করাম ও টেম্বা বাভুমা।

সেই জুটি ভেঙে দেন শাদাব খান। দুটো উইকেটই তাঁর শিকার। আর তাতেই কার্যত ম্যাচের ভাগ্য মিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। এরপরই বৃষ্টিতে কিছুক্ষণ ম্যাচ বন্ধ। ম্যাচ শুরু হলে ডাক ওয়ার্থ লুইস নিয়মে দক্ষিণ আপফ্রিকার সামনে লক্ষ্য ছিল ১৪ ওবারে ১৪২। সেই রান আর তারা করতে পারেনি। ৩৩ রানে ম্যাচ জিতে এখনও লড়াইয়ে টিকে থাকল পাকিস্তান।

close whatsapp