কাইল মেয়ার্স – মার্ক উডের হাত ধরে দিল্লির বিরুদ্ধে বিরাট জয় লখনউ সুপার জায়ান্টসের

LSG WIN
LSG WIN. ( Photo Source: IPL/ BCC )

কাইল মেয়ার্সের ৭৩ রানের বিধ্বংসী ইনিংসটাই এদিন লখনউ সুপার জায়ান্টসের জয়ের রাস্তাটা প্রশস্ত করে দিয়েছিল। দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে ডেভিড ওয়ার্নার লড়াইটা চালিয়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারেননি। আভেশ খানের বলে তিনি আউট হতেই ম্যাচের ভবিষ্যত কার্যত নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। ঘরের মাঠে জয় দিয়েই এবারের আইপিএলে যাত্রাটা শুরু করল লখনউ সুপার জায়ান্টস। প্রথম ম্যাচেই দিল্লি ক্যাপিটালসকে ৫০ রানে হারাল লোকেশ রাহুলের লখনউ সুপার জায়ান্টস।

কুইন্টন ডিকক এখনও পর্যন্ত আসেননি। সেই জায়গায়কাই মেয়ার্সকে নিয়েই ওপেনিংয়ে নেমেছিলেন লোকেশ রাহুল। সেই সিদ্ধান্ত যে একেবারেই সটিক ছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কাই মেয়ার্সের রানের ঝড়েই এদিন  দিল্লি ক্যাপিটালস শিবির বিধ্বস্ত হয়েছিল। যদিও অক্ষর, কুলদীপ যাদব এবং চেতন সাকারিয়াদের হাত ধরে ম্যাচের রাশ মাঝে খানিকটা তারা নিয়েছিল ঠিকই। কিন্তু আবারও এক ক্যারিবিয়ান তারকার দাপটেই বড় রানের লক্ষ্যে পৌঁছে গিয়েছে লখনউ সুপার জায়ান্টস। শেষ মুহূর্তে রানের ঝড় তুলেছিলেন নিকোলাস পুরাণ। তিনি করেন ২১ বলে ৩৬ রান।

৭৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস কাইল মেয়ার্সের এবং ৫ উইকেট পেয়েছেন মার্ক উড

টস জিতে এদিন লখনউ সুপার জায়ান্টসকে প্রথমে ব্যাটিং করার সুযোগ দিয়েছিলেন দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার। লক্ষ্যটা ছিল  লখনউ সুপার জায়ান্টসকে কম রানের মধ্যে শেষ করে দেওয়া। ১৯ রানের মধ্যে লোকেশ রাহুলকে সাজঘরে ফিরিয়েও দিয়েছিলেন চেতন সাকারিয়া। সেই জায়গা থেকেই শুরু হয়েছিল কাইল মেয়ার্সের রানের ঝড়। কার্যত তাঁর সামনে এদিন দিল্লি ক্যাপিটালসের কোনও ক্রিকেটারই মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেননি। ৩৮ বলে ৭৩ রানের দুর্ধর্ষ ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।

তাঁর গোটা ইনিংস জুড়ে ছিল ২টি চার এবং ৭টি ওভার বাউন্ডারি।  তিনি যখন সাজঘরে ফেরেন সেই সময়ই কার্যত ম্যাচের ভবিষ্যত্ নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। শেষটুকু সামাল দিয়ে দিয়েছিলেন নিকোলাশ পুরাণ। তিনি ফেরেন ২১ বলে ৩৬ রানে। শেষপর্যন্ত দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ১৯৩ রান করে লখনউ সুপার জায়ান্টস। প্রথম ম্যাচেই দিল্লি ক্যাপিটালসের সামনে ছিল বড় রানের লক্ষ্য।

এবারে দিল্লি ক্যাপিটালসের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। শুরু থেকেই এদিন ক্রিজ আঁকড়ে পড়েছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। কিন্তু দিল্লি ক্যাপিটালসের বাকি ব্যাটাররা কেউই তাঁকে সঙ্গ দিতে পারেননি। পৃথ্বি শ, সরফরাজ খান থেকে মিচেল মার্শ সকলেই চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছিলেন এদিন। যদিও শেষপর্যন্ত একটা লড়াই চালানোর চেষ্টা করেছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। কিন্তু তিনি ৫৬ রানে সাজঘরে ফেরার পরই সমস্ত আশা শেষ হয়ে গিয়েছিল। বিরাট রানে প্রথম জয় তুলে নিয়েছে লখনউ সুপার জায়ান্টস।

close whatsapp