মহম্মদ সামির ৪ উইকেট ও জাদেজা-অশ্বিন জুটির দাপটে ২৬৩ রানেই শেষ অস্ট্রেলিয়া

India Team
India Team. ( Image Source: BCCI )

নাগপুরের মতো খারাপ ব্যাটিং পারফরম্যান্স না হলেও, দিল্লিতেও কিন্তু প্রথম দিনেই শেষ হয়ে গিল অস্ট্রেলিয়া। দিল্লির স্টেডিয়ামেও ভারতীয় বোলারদের দাপুটে পারফরম্যান্স দেখা গেল। মহম্মদ সামির চার উইকেট এবং রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও রবীন্দ্র জাদেজাদের দাপটের সামনে ২৬৩ রানেই শেষ হয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া। দিনের শেষের অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ব্যাটিং করতে নেমে বিনা ুইকেটে ভারতের রান ২১ রান। প্রথম ইনিংসে অজিদের বিরুদ্ধে বড় রানের লক্ষ্যেই রয়েছে টিম ইন্ডিয়া।

প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ভারতীয় দলের স্পিনাররাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন।  দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে বেশী উইকেট ঝুলিতে না এলেও, অস্ট্রেলিয়াকে কম রানের মদ্যে বেঁধে ফেলার পিছনে প্রধান কারিগড় কিন্তু সেই ভারতীয় দলের স্পিনাররাই। স্টিভ স্মিথ, মার্নাস লাবুশনেদের মতো তারকাদের যেমন লাঞ্চের আগেই সাজঘরে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন রবিচন্দ্রন ্শ্বিনষ তেমনই ক্রমশ বিপদজনক হয়ে ওঠা উসমান খোয়াজাকেও  থামিয়ে দিয়েছিলেন রবীন্দ্র জাদেজাই। দিল্লির বাইশগজেও বারতী বোলাররা সফল হয়েছেন। এখন সকলেরই নজর রয়েছে ভারতের ব্যাটারদের দিকে।

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে চার উইকেট তুলে নিয়েছেন মহম্মদ সামি

প্রকথম দিনের শেষে অবশ্য ক্রিজে টিকে রয়েছেন রোহিত শর্মা এবং  লোকেশ রাহুল। টস জিতে এদিন ভারতের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক। নাগপুরে না পারলেও, দিল্লিতে প্রথম ইনিংসে বড় রানের লক্ষ্যই ছিল অজি টিম ম্যানেজমেন্টের। কিন্চু ভারতীয় বোলারদের দাপটের সামনে, সেই পরিকল্পনা এবারও ভেস্তে গিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার। মহম্মদ সামির ধাক্কাতেই ওপেনিং পার্টনারশিপটা ভাঙে অস্ট্রেলিয়ার। ডেভিড ওয়ার্নারকে সেট হওয়ার আগেই সাজঘরের রাস্তাটা দেখিয়ে দিয়েছিলেন তিনি।
https://twitter.com/sri_ashutosh08/status/1626541012394078209
https://twitter.com/abhishe92065110/status/1626497241065336833


https://twitter.com/BishnuM12851267/status/1626529349292916736

যদিও ক্রিজে সেই সময় মার্নাস লাবুশানে এবং উসমান খোয়াজা ছিলেন। তবে সেই জুটি ভাঙতে খুব একটা বেশী সময় নেননি রবিচন্দ্রন অশ্বিন। মার্নাস লাবুশানেকে ফিরিয়ে দেন তিনি। মধ্যাহ্নভোজের আগে স্টিভ স্মিথকেও শূন্য রানে সাজঘরে ফেরানোর প্রধান কারিগড় ছিলেন এই অশ্বিনই। এই দুই তারকা ক্রিকেটার দ্রুত ড্রেসিংরমে ফিরে যাওয়ায় যে ভারতীয় শিবিরে বাড়চতি অক্সিজেন যুগিয়েছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সেইসহ্গেই অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ১০০টি উইকেট নেওয়ার রেকর্ও এদিন গড়েছেন অশ্বিন। যদিও অস্ট্রেলিয়ার রান এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্বটা এদিন নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন উসমান খোয়াজা।

ক্রিজে আঁকড়ে দাঁডিয়ে থাকার পাশাপাশি ভারতীয় বোলারদের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক ইনিংসও দেখা গিয়েছিল তাঁর ব্যাট থেকে। চা বিরতির আগেই শেষপর্যন্ত তাঁকে থামাতে পেরেছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। লোকেশ রাহুলের দুরন্ত ক্যাচেই ৮১ রানে থেমে যায় উলসমান খোয়াজার ইনিংস। সেইসঙ্গেই অস্ট্রেলিয়ার বড় রানের লক্ষ্যটাও এদিন থমকে গিয়েছিল।

রবীন্দ্র জাদেজা সেই সময় খোয়াজা এবং হ্যান্ডসকম্বের পার্টনারশিপ ভাঙতে না পারলে যে ম্যাচের চিত্রটা অন্যরকম হতেই পারত, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। যদিও জাড্ডুর সৌজন্যে তা হয়নি। এই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া শিবিরে সুযোগ পেয়েছিলেন ট্রেভিস হেড। তাঁকে ১২ রানেই থামিয়ে দিয়েছিলেন মহম্মদ সামি। জাদেজা এবং অশ্বিন দুজনেই এই ইনিংসে ৩ টি করে উইকেট পেয়েছেন। সামির ঝুলিতে এসেছে  ৪ উইকেট। দিনের শেষে ব্যাটিং করতে নেমে ভারতের রান এখন বিনা উইকেটে ২১। ক্রিজে রয়েছেন রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুল।

close whatsapp