ট্রেভিস হেডের শতরানে পিছিয়ে থেকেও লড়াইয়ে ফিরল অস্ট্রেলিয়া

Travis Head
Travis Head. (Photo by Mark Kolbe – CA/Cricket Australia via Getty Images)

করোনা সারিয়ে ফিরেই অস্ট্রেলিয়া শিবিরের ত্রাতা এখন সেই ট্রেভিস হেড। বৃষ্টি বিঘ্নিত অ্যাশেজের শেষ টেস্টে ট্রেভিস হেডের শতরানেই লড়াইয়ে ফেরে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম দিনের শেষে অস্ট্রেলিয়ার রান ৬ উইকেটে ২৪৬। হয়ত এঅই রানটাও হত না প্রথম দিন। যদি না হেড ও গ্রীন দুরন্ত পারফরম্যান্স দেখাতেন। দিনের শেষে খানিকটা হলেও স্বস্তিতে ব্যাগি গ্রীনরা।

পরপর তিন ম্যাচ জিতলেও, সিডনিতে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে শেষ মুহূর্তে অস্ট্রেলিয়ার হাতের সামনে থাকা জয়ের আশা শেষ করে দেয় ইংল্যান্ড। ৫-০ করার আর সম্ভাবনা নেই। হোবার্টে সিরিজের শেষ টেস্ট দিন-রাতের। ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডকে হারিয়েই এবারের মতো অ্যাশেজ যাত্রার ইতিটা টানতে চায় অজিরা। কিন্তু সেই লক্ষ্যে হোবার্টের শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছিলেন তারা।

টস জিতে অস্ট্রেলিয়াকে প্রথম ব্যাটিংয়ের সুযোগ দেন ব্রিটিশ অধিনায়ক জো রুট। বৃষ্টির জন্য নির্ধারিত সময়ের থেকে দেরীতে শুরু হয় ম্যাচ। আর ম্যাচের শুরু থেকেই ছিল ইংল্যান্ড বোলারদের দাপট। মাত্র ১২ রানের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার টপ অর্ডারকে ধসিয়ে দেয় ব্রিটিশ বোলাররা। অলি রবসন এবং ব্রডের দাপটে শুরুতেই সাজঘরে ফিরে যান ওয়ার্নার, খোয়াজা এবং স্টিভ স্মিথ। এরপরই মাঠে আসেন ট্রেভিস হেড।

সঙ্গে লাবুশানে। কিন্তু তিনিও কিছুক্ষণের মধ্যেই প্যাভিলিয়নের রাস্তা ধরেন। চাপটা ক্রমশই বাড়তে থাকে অস্ট্রেলিয়া শিবিরের ওপর। একসময় মনে হতে থাকে এই অস্ট্রেলিয়া ১৫০ রানের গন্ডী টপকাতে পারবে তো। সেখান থেকেই লড়াই শুরু ট্রেভিস হেড ও ক্যামেরণ গ্রীনের। পঞ্চম উইকেটে তাদের ১২১ রানের পার্টনারশিপটাই এদিন অজি শিবিরের মৃত সঞ্জিবনী সুধা ছিল। গত ম্যাচে করোনার জন্য খেলতে পারেননি ট্রেভিস হেড।

হোবার্টে ফিরেই দুরন্ত শতরান করে ব্যাগি গ্রীন শিবিরের নায়ক হয়ে উঠেছেন তিনি। ১১৩ বলে ১০১ রানের ইনিংস খেলেন ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়াকে লড়াইয়ে ফেরান তিনিই। তাঁর গোটা ইনিংসে ওভার বাউন্ডারি নেই ঠিকই, কিন্তু হেডের ইনিংসটি সাজানো ১২টি বাউন্ডারি দিয়ে। আর তাঁর সঙ্গে যোগ্য সঙ্গত ক্যামেরণের গ্রীণের। তিনি করেন১০৯ বলে ৭৪।

এই দুই ব্যাটসম্যানের হাত ধরেই দিনের শেষে অস্ট্রেলিয়ার রান ৬ উইকেটে ২৪১। শুরুতে ব্রিটিশ বোলাররা দাপট দেখালেও, খেলার শেষ দুই সেশন চালনা করেন হেড এবং গ্রীনই। শনিবার এই জায়গা থেকে অস্ট্রেলিয়া আর কতদূর এগোতে পারে তাই দেখার অপেক্ষায় সকলে।

close whatsapp