দিল্লি ওয়ার্নারের উপর অতিনির্ভরশীল, মত ক্যাপিটালসের প্রাক্তন সহকারী কোচের
বাকি ব্যাটারদের নায়ক হয়ে ওঠার এটাই আসল সময় বলে মনে করেন তিনি
আপডেট করা - May 11, 2022 5:11 pm

প্রাক্তন দিল্লি ক্যাপিটালস (ডিসি) সহকারী কোচ মহম্মদ কাইফ মনে করেন যে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি বড় স্কোর তোলার জন্য তারকা ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারের উপর খুব বেশী নির্ভরশীল। ওয়ার্নার তর্কাতীতভাবে এই মরসুমে ডিসির সেরা ব্যাটার এবং তাদের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকও।
চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে তাদের পরাজয়ের সময় দেখা যায়, ওয়ার্নার তাড়াতাড়ি আউট হতেই, অন্যান্য ডিসি ব্যাটাররা প্রতিপক্ষের মোকাবিলা করতে অক্ষম হয় এবং অসহায় আত্মসমর্পণ করে। পরবর্তী কয়েকটি ম্যাচ দিল্লির জন্য কার্যত মরণ-বাঁচন লড়াই। মহম্মদ কাইফ মনে করেন যে আসন্ন ম্যাচগুলিতে বাকি ব্যাটারদের ‘নায়ক’ হয়ে ওঠার দুর্দান্ত সুযোগ রয়েছে।
মহম্মদ কাইফ ব্যাখ্যা করেছেন যে কেন দিল্লি প্রতিবার ওয়ার্নারের উপরই সিংহভাগ রানের প্রত্যাশা রাখে। তিনি বলেছেন, “দিল্লি ডেভিড ওয়ার্নারের উপর অনেক বেশি নির্ভরশীল ছিল। কিন্তু এখন অন্য ব্যাটারদের এগিয়ে আসার সময়। এটি এমন একটি সময় যে আপনি যদি ভালো ব্যাট করেন এবং ২-৩ ম্যাচ জেতান তবে আপনার দলের হয়ে নায়ক হওয়ার সুযোগ রয়েছে। যা ঘটেছে তা ভুলে গিয়ে নতুন দিনের দিকে ফোকাস নিয়ে আসতে হবে। পৃথ্বী শ-এর ফিরে আসাটা গুরুত্বপূর্ণ।”
ওপেনার হিসেবে কেএস ভরতকেই খেলানো উচিত, মত কাইফের
অসুস্থতার কারণে পৃথ্বী শ না থাকায় ডিসির ওপেনিং নড়বড়ে হয়ে গেছে। ওয়ার্নারের সঙ্গে মনদীপ সিংকে খেলিয়ে দেখা হয়েছিল। তিনি ব্যর্থ হওয়ায় দিল্লি আগের ম্যাচে কেএস ভরতকে সুযোগ দিয়েছিল।
যদিও ভরত ৫ বলে ৮ রান করে তাড়াতাড়ি আউট হয়ে যায়, তবে মহম্মদ কাইফ মনে করেন ভরতের ব্যাটিং দক্ষতার উপর আস্থা দেখানো উচিত ম্যানেজমেন্টের কারণ তিনি যথেষ্ট প্রতিভাবান এবং শ-এর অনুপস্থিতিতে ভালো করতে পারেন। কাইফ বলেছেন, “দিল্লি এই মরসুমে সঠিক ওপেনিং পার্টনারশিপ খুঁজে পায়নি। তারা মনদীপ সিং এবং তারপর কেএস ভরতকে চেষ্টা করেছিল। কিন্তু এখন যেহেতু ভরত খেলেছেন, আপনাকে অন্তত তিনটি ম্যাচের জন্য তাঁকে সমর্থন করতে হবে। নতুন খেলোয়াড়রা হঠাৎ করে শুরু থেকেই রান স্কোর করতে পারে না। তাই আমি আশা করি তারা পরের ম্যাচগুলিতে তাঁকে ধরে রাখবে।”
ডিসি আজ রাতে রাজস্থান রয়্যালস (আরআর)-এর বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে নামছে। এই দুই দলের আগের ম্যাচে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল এবং রাজস্থান দুই পয়েন্ট পেয়ে শেষ করে। এই ম্যাচে দিল্লির লক্ষ্য থাকবে বদলা নেওয়ার দিকে।