এশিয়া কাপে সাকিব অল হাসানের খেলা ঘিরে হঠাত্ই অনিশ্চয়তা

Shakib Al Hasan
Shakib Al Hasan. (Photo Source: Twitter/T20 World Cup)

চোট আঘাতে জর্জরিত বাংলাদেশ। এশয়াকাপের জন্য এথনও পর্যন্ত দল ঘোষণা করতে পারেনি তারা। দল ঘোষণার জন্য কয়েকদিন বাড়তি সময়ও পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এরইমধ্যে নতুন বিকর্ক বাংলাদেশ ক্রিকেটে।  হঠাত্ই এশিয়া কাপে সাকিব অল হাসানের খেলা ঘিরে দেখা দিয়েছে সংশয়। কয়েকদিন আগেই সাকিব অল হাসানের একটি স্পনশিপশিপ নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। এবার স্পনসরশিপের সমস্যার দেরেই আসন্ন এসিয়া কাপে সাকিপ অল হাসানের খেলা ঘিরে দেখা দিয়েছে নতুন করে সংশয়।

কয়েকদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বেটিং সংস্থার সঙ্গে সাকিব অল হাসানের স্পনসরশিপের চুক্তি সম্বন্ধে জানা যায়। আর তাতেই ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের তর্তারা। বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী কোনও ক্রিকেটারই কোনওরকম বেটিং সংস্থার সঙ্গে চুক্তির পথে যেতে পারবে না। কিন্তু কয়েকদিন আগে সাকিব অল হাসানের একটি বেয়িং সংস্থার সঙ্গে চুক্তির বিষয় সামনে আসার পর থেকেই বাংলাদেশ ক্রিকেট মহল জুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছে হৈচৈ।

এক বেটিং সংস্থার সঙ্গে স্পনসরশিপের চুক্তি রয়েছে সাকিব অল হাসানের

সেই চুক্তি থেকে বেড়িয়ে না এলে আসন্ন এশিয়াকাপেও নাকি সাকিব অল হাসানকে দলে নেওয়া হবে না। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের তরফে এমনটাই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই সংস্থার সঙ্গে এখনও পর্যন্ত সাকিবের চুক্তিছিন্ন হয়েছে কিনা তাও জানার জন্য ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড তরফে চিঠি দিয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে। শোনাযাচ্ছে এখনও পর্যন্ত সাকিব অল হাসান নাকি কোনওরকম উত্তর দেয়নি। বৃহস্পতিবার অপেক্ষা করার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।

এই প্রসঙ্গে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানিয়েছেন, “আমাদের তরফ থেকে তাঁকে চিঠি পাঠানো হয়েছে এই প্রসঙ্গে। আজকের মধ্যেই সেই চিঠির উত্তর চলে আসবে বলে আশা করছি আমরা। আমি শুনেছি আজকের মধ্যেই তা দেওয়া হবে। আমরা আজকের দিন পর্যন্তই অপেক্ষা করব, এরপরই তাঁকে দলে রাখা হবে কিনা তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব”।

ইতিমধ্যেই চোট আঘাতের জন্য আলন্ন এশিয়া কাপের দল ঘোষণার জন্য বাংলাদেশকে কয়েকদিন বাড়তি সময় দেওয়া হয়েছে। সাকিব অল হাসানকে রেখেই যে তাদের দল ঘোষণা হবে এমনটাই াশাও করচিলেন সকলে। কিন্তু হঠাত্ই বদলে গিয়েছে সমস্ত পরিস্থিতিটা। এক বেটিং সংস্থার স্পনসরশিপের চুক্তি করাতেই সাকিবের বেশ ক্ষুব্ধ হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।

আর এই ক্ষেত্রে কোনওরকম আরোশ করতেই তারা নারাজ। এই একই কারণের জেরে আশরাফুলকেও একসময় বাংলাদেশ দলের বাইরে পাঠানো হয়েছিল। এবার সাকিবকে নিয়ে শুরু হয়েছে সেই একই সমস্যা। একের পর এক বিতর্ক জড়িয়েই চলেছেন সাকিব অল হাসান। ২০১৯ সালে নির্বাসিত হয়েছিলেন  তিনি। ২০২০ সালে অবশ্য ফের বাংলাদেশ দলে প্রত্যাবর্তন হয় তাঁর। মাঝে বিসিবির সঙ্গে সংঘাত হলেও, তা মিটে যাওয়ার পর ফের বাংলাদেশ শিবিরে ফিরে এসেছেন তিনি। কিন্তু এবারের সমস্যাটা বেশ গভীর।