দিল্লির বিরুদ্ধে সাই সুদর্শনের পারফরম্যান্স দেখে মুগ্ধ অনিল কুম্বলে

Sai Sudharsan
Sai Sudharsan. (Photo Source: IPL/BCCI)

গতবারের পর এবারের আইপিএলেও জয়ের ধারা অব্যহত রেখেছে গুজরাত টাইটান্স। এখনও পর্যন্ত আইপিএলের দুটো ম্যাচেই তাদের পারফরম্যান্স ছিল দেখার মতো। আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচেই চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে নেমেছিল গুজরাত টাইটান্স। সেই ম্যাচে ধোনির দলের বিরুদ্ধে বড় জয় তুলে নিয়েছিল তারা। দ্বিতীয় ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে তাদের ঘরের মাঠে জয় তুলে নিয়েছে গুজরাত টাইটান্স। সেই ম্যাচে অবশ্য গুজরাত টাইটান্সের জয়ের কারিগড় ছিলেন সাই সুদর্শন। এই তরুণ ক্রিকেটারের পারফর্ম্যান্সেই মুগ্ধ হয়েছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার অনিল কুম্বলে।

ভারতীয় দলের পাশাপাশি আইপিএলেও পঞ্জাব কিংসের কোচিংয়ের দায়িত্ব সামলানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে অনিল কুম্বলের। এই তরুণ ক্রিকেটার যে তাঁর পারপরম্যান্স দিয়ে নজর কেড়ে নিয়েছে সকলের তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিশে, করে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে সাই সুদর্শনের পারফরম্যান্সের প্রশংসাই বারবার শোনা গিয়েছে অনিল কুম্বলের মুখে।  এই তরুণ ব্যাটার সমস্ত দিক থেকে একেবারে প্রস্তুত বলেই মনে করছেন ভারতীয় দলের  এই প্রাক্তন তারকা।

দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ৪৮ বলে ৬২ রানের ইনিংস খেলেছেন সাই সুদর্শন

দিল্লি ক্যাপিটালসে কম রানের মধ্যেই শেষ করে দিয়েছিল গুজরাত টাইটান্স।  ১৬২ রান করতে পেরেছিল তারা। যদিও জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে গুজরাত টাইটান্সও শুরুটা খুব একটা ভালভাবে করতে পারেনি। ব্যর্থ হয়েছিল গুজরাতের টপ অর্ডার। সেই জায়গা থেকেই দলের হাল ঘরেছিলেন সাই সুদর্শন। শেষপর্যন্ত ক্রিজে থেকে ম্যাচ জিতিয়েই মাঠ ছেড়ে ছিলেন এই তারকা ক্রিকেটার। ম্যাচ শেষে তাঁর ক্রিকেট দক্ষতার প্রশংসা শোনা গিয়েছিল হার্দিক পান্ডিয়ার মুখ থেকে। এবার সেই একই কথা শোনাগেল অনিল কুম্বলের মুখ থেকেও।

সাই সুদর্শন প্রসঙ্গে অনিল কুম্বলে জানিয়েছেন, “তাঁকে দেখেই বোঝা যায় যে তিনি একজন অত্যন্ত গোছানো ক্রিকেটার। যেমন ফাস্ট বোলিংয়ের বিরুদ্ধে দুর্ধর্ষ পারফরম্যান্স করেন, তেমনই সুইংয়ের বিরুদ্ধেও তাঁর পারফরম্যান্স অসাধারণ। প্রথম ম্যাচে তিনি একজন ইমপ্যাক্ট ক্রিকেটার হিসাবে মাঠে এসেছিলেন  এবং তাঁর খেলার প্রভাবও সেই ম্যাচে পড়েছিল। সেখানে তিনি ক্যামিও পারফর্ম্যান্সই দেখিয়েছিলেন”।

অনিল কুম্বলে আরও জানিয়েছেন, “এদিন শুরুতেই গুজরাত টাইটান্সের তিন তারকা ক্রিকেটার সাজঘরে ফিরে গিয়েছিলেন। শুভমন গিল আউট হয়ে ফেরেন। ক্রিজে থাকতে পারেননি ঋদ্ধিমান সাহা এবং হার্দিক পান্ডিয়াও। তামিলনাড়ুর এই দুই ক্রিকেটারই সেখানে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছিলেন এবং একটি সুন্দর পার্টনারশিপও গড়ে তুলেছিলেন”।

পরপর দুই ম্যাচ জিতে গুজরাত টাইটান্স।  শেষম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ৪৮ বলে ৬২ রানের ইনিংস খেলেছিলেন সাই সুদর্শন। শেষপর্যন্ত এই পারফরম্যান্স গোটা প্রতিযোগিতায় তিনি ধরে রাখতে পারেন কিনা সেটাই এখন দেখার।

close whatsapp