পাকিস্তানের বোলিং কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন মর্নি মর্কেল
আপডেট করা - Nov 13, 2023 5:56 pm

ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এ পাকিস্তানের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর বোলিং কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন মর্নি মর্কেল। ২০২৩ সালের জুন মাসে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) তাকে এই দায়িত্ব দিয়েছিল। তবে খুব বেশি সময় তিনি এই দায়িত্ব পালন করলেন না।
ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩ শুরু হওয়ার আগে অনেক ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরাই বলেছিলেন যে বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান হল ট্রফি জয়ের অন্যতম দাবিদার। তারা এই টুর্নামেন্টে শুরুটাও খুব ভালোভাবে করেছিল। কিন্তু প্ৰথম দুটি ম্যাচে জয়ের পর তারা তাদের ছন্দ হারিয়ে ফেলে এবং শেষ ৭টি ম্যাচের মধ্যে মাত্র ২টি ম্যাচে জিততে সক্ষম হয়।
চলতি ওডিআই বিশ্বকাপে নাসিম শাহের পরিষেবা পায়নি বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন দল। তবে তাকে বাদ দিয়েও পাকিস্তানের বোলিং বিভাগে প্রতিভা এবং অভিজ্ঞতার কোনও অভাব ছিল না। পাকিস্তানের বোলিং বিভাগে শাহীন আফ্রিদি, হারিস রউফ, হাসান আলি, শাদাব খান এবং মহম্মদ নওয়াজের মতো বোলাররা ছিলেন। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলিতে তারা চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়েছিলেন। বিশেষ করে হারিস রউফ, মহম্মদ নওয়াজ এবং শাদাব খান পাকিস্তান দলকে আশাহত করেছিলেন।
ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এ পাকিস্তানের হয়ে সবথেকে বেশি উইকেট নেন শাহীন আফ্রিদি
ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এ শাহীন আফ্রিদি ৯টি ম্যাচ খেলে ১৮টি উইকেট নিতে সক্ষম হয়েছিলেন। তিনি ২৬.৭২ গড় এবং ৫.৯৩ ইকোনমি রেটের সাথে এই সংখ্যক উইকেট শিকার করেছিলেন। তার সেরা বোলিং পরিসংখ্যান হল ৫/৫৪ যা তিনি প্যাট কামিন্সের নেতৃত্বাধীন অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে নিয়েছিলেন।
অন্যদিকে, হারিস রউফ ৯টি ম্যাচে খেলে ১৬টি উইকেট শিকার করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তার বোলিংয়ের গড় এবং ইকোনমি রেট হল ৩৩.৩১ গড় এবং ৬.৭৪। তার সেরা বোলিং পরিসংখ্যান হল ৩/৪৩। এই বিশ্বকাপে তিনি একটি লজ্জাজনক রেকর্ডে নিজের নাম লিখিয়েছেন। তিনি একটি ওডিআই বিশ্বকাপে সবথেকে বেশি রান খরচ করার রেকর্ড করেছেন।
এই টুর্নামেন্টে শাদাব খানের পারফরম্যান্স একদমই ভালো ছিল না। তিনি ৬টি ম্যাচ খেলে মাত্র ২টি উইকেট নিতে সক্ষম হয়েছেন। তার বোলিংয়ের গড় এবং স্ট্রাইক রেট হল যথাক্রমে ১১৮.৫০ এবং ৬.২৩। তার সেরা বোলিং পরিসংখ্যান হল ১/৪৫। অন্যদিকে, মহম্মদ নওয়াজ ৫টি ম্যাচ খেলে ২টি উইকেট নিয়েছেন। তার বোলিংয়ের গড় এবং স্ট্রাইক রেট হল যথাক্রমে ১১১.৫০ এবং ৫.৮৯।