মা হাসপাতালে, তবুও দেশের জার্সি গায়ে ফাইনাল খেলতে নেমেছিলেন মহম্মদ শামি
আপডেট করা - Nov 20, 2023 5:51 pm

১৯শে নভেম্বর, রবিবার, আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এর ফাইনাল ম্যাচটি খেলতে নেমেছিল রোহিত শর্মার নেতৃত্বাধীন ভারত এবং প্যাট কামিন্সের নেতৃত্বাধীন অস্ট্রেলিয়া। অভিজ্ঞ ভারতীয় পেসার মহম্মদ শামির মা অঞ্জুম আরা এই ম্যাচটির আগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তবুও দেশের প্রতি নিজের কর্তব্য পালন করেছিলেন মহম্মদ শামি।
ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এর ফাইনাল ম্যাচটি দেখতে আসতে পারেননি মহম্মদ শামির মা। তার কিছু গুরুতর শারীরিক সমস্যা রয়েছে। রবিবার সকালে তার শরীর হঠাৎ করে খারাপ হয়ে যায় এবং তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শামির পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচটি দেখতে আসার কথা ছিল। কিন্তু শেষমেশ তার বড় ভাই হাসিব এবং তার পরিবার ম্যাচটি দেখতে এসেছিলেন।
নিউজ ১৮ মহম্মদ শামির মা অঞ্জুম আরার সাথে তার শারীরিক সমস্যার ব্যাপারে কথা বলেছে। রবিবার তিনি প্ৰথমে চিকিৎসকের গিয়েছিলেন এবং তারপরে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। শেষমেশ স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকে ছেলেকে সমর্থন করতে পারেননি শামির মা। অন্যদিকে, প্রাক্তন ঘরোয়া ক্রিকেটার এবং মহম্মদ শামির ছোট ভাই মহম্মদ কাইফ এই পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত ছিলেন না।
ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এ সবথেকে বেশি উইকেট শিকার করেন মহম্মদ শামি
ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এ নজরকাড়া পারফরম্যান্সের প্রদর্শন করেছেন মহম্মদ শামি। তিনি প্ৰথম চারটি ম্যাচে দলের প্ৰথম একাদশে জায়গা করে নিতে পারেননি। তা সত্ত্বেও এই টুর্নামেন্টে সর্বাধিক উইকেট নিতে সক্ষম হয়েছেন ৩৩ বছর বয়সী এই পেসার। তিনি মোট ৭টি ম্যাচ খেলেছেন এবং ২৪টি উইকেট নিয়েছেন। তিনি ১০.৭০ গড় এবং ৫.২৬ ইকোনমি রেটের সাথে এই সংখ্যক উইকেট শিকার করেছেন।
রাউন্ড রবিন পর্বে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচটি দিয়ে সদ্য সমাপ্ত ওডিআই বিশ্বকাপে নিজের যাত্রা শুরু করেছিলেন মহম্মদ শামি। সেই ম্যাচটিতে তিনি ১০ ওভারে ৫৪ রান দিয়েছিলেন এবং ৫টি উইকেট তুলে নিয়েছিলেন। এরপরের ম্যাচটিতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিনি ৭ ওভারে মাত্র ২২ রানের বিনিময়ে ৪টি উইকেট নিয়েছিলেন। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তিনি আবারও দুর্ধর্ষ বোলিং পারফরম্যান্সের প্রদর্শন করেছিলেন এবং ৫টি উইকেট তুলে নিয়েছিলেন। সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৯.৫ ওভারে ৫৭ রান দিয়ে ৭টি উইকেট শিকার করেছিলেন এই অভিজ্ঞ ভারতীয় পেসার। ফাইনাল ম্যাচটিতে তিনি ১টি উইকেট নিতে সক্ষম হয়েছিলেন।