সূর্যকুমারের বিধ্বংসী পারফরম্যান্স মুগ্ধ করেছে প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে
আপডেট করা - Sep 1, 2022 2:12 pm

হংকংয়ের বিরুদ্ধেই দীর্ঘদিন পর বড় রানে ফিরেছেন বিরাট কোহলি। অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হয়েছে সকলের। হংকংয়ের বিরুদ্ধে ভারতের জয়ের প্রধান দুই কারিগড়ই ছিলেন বিরাট কোহলিও সূর্যকুমার যাদব। বিরাট কোহলির পাশাপাশি একইসঙ্গে অর্ধশতরান করেছিলেন সূর্যকুমার যাদব। দুবাইয়ের ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সূর্যর তেজে বিধ্বস্ত হয়ে গিয়ছিল হংকংয়ের বোলিং লাইনআপ। ক্রিজের অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে সূর্যকুমার যাদবের দুর্ধর্ষ পারফরম্যান্সের স্বাক্ষী ছিলেন বিরাট কোহলি। ম্যাচ শেষে শুধুই সূর্যবন্দনা তাঁর মুখে।
বিরাট কোহলি ৫৯রান করলেও, এদিন সমস্ত লাইম লাইট নিজেক দতে টেনে নিয়েছিলেন সূর্যকুনার যাদব। হবে নাই বা কেন, তাঁর হাত থেকে যে হংকংের বিরুদধেই শুধুই চিল ছয় ও চারের বন্যা। বিরাট কোহলিও আক্রমণাত্মক ছিলেন। কিন্তু সূর্যের তেজের কাছে সবকিছুই ছিল ম্লান। হংকংয়ের বিরুদ্ধে ২৬ বলে ৬৮ রানের অসাধারণ ইনিংস কেলার পর প্রাক্তন বারত অধিনায়ক বিরাট কোহলির থেকে নানান প্রখংসা পেলেন সূর্যকমার যাদব।
৬৮ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন সূর্যকুমার যাদব
বিরাট কোহলি এদিন সূর্যের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ ছিলেন। ক্রিজের অন্য পরান্ত থেকে সূর্যের এই তেজ দেখে নিজেকে আর থামিয়ে রাখতে পারেননি। সূর্যকুমার যাদবকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত প্রাক্তন বারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। এদিন হংকংয়ের বিরুদ্ধে সূর্যকুমার সুরু থেকেই ছিল ভয়ঙ্কর মেজাজে। মাত্র ২২ বলে অর্ধশতরান করেন তিনম। সুধু তাই নয় শেষ ওভারে তো একাই ২৬ রান করেন সূর্যকুমার যাদব। সেখানে ৪টি ছয়ও মেরেছেন তিনি। আসন্ন টি টোয়ে্ন্টি বিশ্বকাপের জন্য সূর্যকুমার যে ভারতীয় দলের কতটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে চলেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
ম্যাচ শেষ সূর্যকুমারের সঙ্গেই একটি চ্যাটে বিরাট কোহলি তাঁকে প্রশংসায় ভরান। তিনি বলেছেন, “পিচের অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে আমি সূর্যকুমারের পারফরম্যান্স উপভোগ করছিলাম। তিনি মাঠে আসার পরই গোটা পরিবেশটা বদলে দেন। ম্যাচের মোমেন্টাম বদলে যায়, ব্যাটারদের পক্ষে এই কাজটা করা কিন্তু একেবারেই সহজ নয়। আইপিএলে যখন সে আমাদের বিরুদ্ধে খেলেছে আমি দূর থেকে তাঁর পারফরম্যান্সের ঝলক দেখেছি। এই প্রথমবার সূর্যকুমারকে এত কাছ থেকে দেখলাম। আমি মুগ্ধ হয়েছি” ।
হংকংয়ের বিরুদ্ধে ২৬ বলে ৬৮ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছিলেন সূ্র্যকুমার যাদব। গোচা ইনিংস জুড়ে ছিল শুধুই চার ও ছয়। তিনি একাই মেরেছেন ছটি চার ও ছটি ওভার বাউন্ডারি। হংকংয়ের সমস্ত আশা একাই শেষ করে দিয়েছিলেন সূর্যকুমার যাদব। একসময় ভারতের ১৭০ হবে কিনা সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন অনেকে। সূর্যের হাত ধরে সেই রানই পৌঁচেছিল ১৯২-এ। এমন পারফরম্যান্স দেখে প্রশংসা না করে কেই বা থাকতে পারে।