“তাদের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখতে পেরেছি” – জাতীয় দলে সুযোগ পেয়ে কোহলি ও ডি ভিলিয়ার্সকে কৃতিত্ব দিলেন পাটিদার

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে আসন্ন সিরিজে আন্তর্জাতিক অভিষেক হতে পারে পাটিদারের

Rajat Patidar
Rajat Patidar. (Photo Source: Twitter/IPL)

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে তাঁর দুর্দান্ত পারফর্ম্যান্সের সৌজন্যে রজত পাটিদারকে প্রথমবারের জন্য জাতীয় দলে ডাকা হয়েছে। আসন্ন সিরিজে তাঁর ওডিআই অভিষেক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তার আগে ২৯ বছর বয়সী রজত পাটিদার প্রকাশ করেছেন যে তিনি ভারতের অধিনায়ক শিখর ধাওয়ানের সাথে কথা বলার আগে কতটা নার্ভাস ছিলেন।

ডান-হাতি ব্যাটার অবশ্য এও জানিয়েছেন যে অধিনায়ক নিজে এসে তাঁর সাথে কথা বলেছেন এবং এখনও অবধি ঘরোয়া ক্রিকেটে তাঁর পারফর্ম্যান্সের প্রশংসা করেছেন। উল্লেখ্য, আইপিএল এলিমিনেটরে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের (আরসিবি) হয়ে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি করে প্রথম আনক্যাপড খেলোয়াড় হিসাবে আইপিএল প্লে-অফে শতরান করা খেলোয়াড় হয়েছেন।

“এই প্রথম আমি শিখর ধাওয়ানের সাথে দেখা করলাম এবং তার নেতৃত্বে খেলব। আমি তার সাথে কথা বলতে ইতস্তত বোধ করছিলাম কিন্তু সেই আমার কাছে এসে আমার পারফর্ম্যান্সের প্রশংসা করেছে,” লখনউয়ের ভারতরত্ন শ্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী একানা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম ওডিআই ম্যাচের আগে রজত পাটিদার বলেছেন।

আরসিবি ক্যাম্পে প্রথমবারের মতো ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি এবং কিংবদন্তি এবি ডি ভিলিয়ার্সের সাথে দেখা হওয়ার সময়ের কথাও এই ক্রিকেটার স্মরণ করেছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে কীভাবে এই জুটি তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছিল এবং তাঁর আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছিল।

“বিরাট কোহলি ও এবিডি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের দৃঢ় খেলোয়াড়। আমার কোন ধারণা ছিল না তাদের সঙ্গে কী কথা বলব। কিন্তু তারা নিজেরাই এসেছিল এবং আমার সাথে কথা বলেছিল… আমার জন্য একটি দুর্দান্ত মুহূর্ত ছিল। আমার আত্মবিশ্বাসের মাত্রা বেড়ে গিয়েছিল। আমি তাদের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখতে পেরেছি,” পাটিদার বলেছেন।

আমার মনে হয় তিন ফর্ম্যাটেই খেলার ক্ষমতা আমার আছে: রজত পাটিদার

আইপিএল প্লে-অফে তাঁর ৪৯ বলের সেঞ্চুরির মাধ্যমে ২৯ বছর বয়সী ব্যাটার আনক্যাপড খেলোয়াড়দের মধ্যে দ্রুততম সেঞ্চুরিয়ান হয়েছেন। রঞ্জি ট্রফি জয়ী মধ্যপ্রদেশ দলের অন্যতম ভরসা পাটিদার ৬ ম্যাচে ৬৫৮ রান করেছিলেন এবং সরফরাজ খানের পরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন। পুরো মরসুমে তিনি ২টি সেঞ্চুরি ও ৫টি হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন।

“আইপিএলের ইনিংস আমাকে অনেক আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। তবে আমি মনে করি, সাদা বলের সঙ্গে লাল বলের ক্রিকেটের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। আমার মনে হয় তিন ফর্ম্যাটেই খেলার ক্ষমতা আমার আছে। তাই, আমি শুধু লাল এবং সাদা বলের ফর্ম্যাটের প্রক্রিয়ায় ভিন্নভাবে ফোকাস করার চেষ্টা করি। আমার কোনো ব্যক্তিগত লক্ষ্য নেই। আমি শুধু বর্তমানের মধ্যে থাকতে চাই এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলতে চাই। আমি যা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি তাই করি,” দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ভারতের ম্যাচের আগে পাটিদার বলেছেন।

close whatsapp