ক্রিকেটে চলে এলো নতুন প্রযুক্তি ‘ইলেকট্রা’

বর্ষশেষের আগেই ক্রিকেটে চলে এলো নতুন প্রযুক্তি ‘ইলেকট্রা’। ক্রিকেটকে প্রতিনিয়ত বিনোদন হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে বিভিন্ন দেশের বোর্ড। তার জন্য নিত্যনতুন নিয়ম আনার কমতি রাখছেন না তারা। চলছে বিভিন্ন ফ্রাঞ্চাইজি লীগে দেদার পয়সা খরচ। সেরকমই এবার নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার দেখা গেল বিগ ব্যাশ লিগে। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে একটি নতুন ধরনের স্টাম্প প্রকাশ্যে আনা হলো। অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগে এবার আত্মপ্রকাশ ঘটল একটি নতুন স্টাম্পের, যাতে ম্যাচের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরণের আলো জ্বলে উঠবে। অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ লিগে এই স্ট্যাম্পের উদ্বোধন করেছেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন ও প্রাক্তন অজি ক্রিকেটার মার্ক ওয়। তারা মূলত একটি বিবৃতি দিয়ে ব্যাখ্যা করেন যে নতুন এই স্ট্যাম্প গুলি দর্শকদের আরো বেশি করে আকৃষ্ট করতে সাহায্য করবে। এর পাশাপাশি ম্যাচের মাঝে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে কি ঘটছে তা আরো বেশি করে দর্শকদের জানাতে এই স্ট্যাম্পের ব্যবহার হবে।

ক্রিকেটকে দর্শকের কাছে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে এই ব্যবস্থা। কোন ব্যাটসম্যান আউট হলে স্টাম্পের রঙ সঙ্গে সঙ্গে লাল হয়ে যাবে। অন্যদিকে চার বা ছয় হলে স্ট্যাম্পে একাধিক আলোর খেলা দেখতে পাওয়া যাবে।

দর্শকদের আনন্দের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিভিন্ন রঙের খেলা দেখানো হবে এই স্ট্যাম্পের মধ্যে দিয়ে।

একইভাবে নো বল হলে লাল ও সাদা রঙের মিশ্রণ পরিলক্ষিত হবে বাইশ গজের তে-কাঠিতে। শুধু তাই নয় দুটি ইনিংসের বিরতির মাঝেও নীল ও বেগুনি রংয়ের আলোর খেলা দেখা যাবে স্ট্যাম্পের মধ্যে। দর্শকরা যাতে প্রতিমুহূর্তে মাঠে ক্রিকেটকে উপভোগ করতে পারেন, তাঁর জন্যই এই ব্যবস্থা। সিডনি সিকার্স বনাম অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স ম্যাচে প্রথমবারের জন্য এই ধরনের স্ট্যাম্পের ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায়। বিগ ব্যাশ লীগের ইতিহাসে বলা যেতে পারে এটি একটি যুগান্তকারী ঘটনা। এর আগে মেয়েদের বিবিএল যখন অনুষ্ঠিত হয়, তখন প্রথমবারের জন্য এই স্ট্যাম্প প্রকাশ্যে আনা হয়েছিল। কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে ছেলেদের বিপিএলে এটি আরো বেশি হারে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ২০১২ সালে বিবিএলের ক্ষেত্রে জিং বেল ব্যবহার করে বিশ্ব ক্রিকেটে নজির  সৃষ্টি করা হয়েছিল। বিদেশের আরও বিভিন্ন ক্রিকেট ফ্রাঞ্চাইজি লীগ তথা আইপিএলের সামনেও নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করে দিয়েছে এমনটা বলা যেতেই পারে।

close whatsapp