ভারতের বিরুদ্ধে কিউই ব্যাটার হিসাবে ওডিআইতে দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরী ডেভন কনওয়ের
আপডেট করা - Jan 24, 2023 8:56 pm

ইন্দোরে এদিন যেন রেকর্ডের ছড়াছড়ি। ভারতের বিরুদ্ধে প্রথম দুই ম্যাচে না পারলেও, শেষ ম্যাচেই সেঞ্চুরী করে নয়া রেকর্ড গড়লেন ডেভন কনওয়ে। ভারতের বিরুদ্ধে নিউ জিল্যান্ড ব্যাটার হিসাবে দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরী করলেন এই ডেভন কনওয়ে। এদিন ভারতের বিরুদ্ধে ৭১ বলে সেঞ্চুরী করেছেন ডেভন কনওয়ে। শেষপর্যন্ত থাকতে পারলে ম্যাচের মোর যে তিনি ঘুরিয়ে দিতেই পারতেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। যদিও শেষপর্যন্ত তা হয়নি। কিন্তু ভারতের বিরুদ্ধে মাইলস্টোন গড়তে কোনও ভুল করেননি এই তারকা ক্রিকেটার।
নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে রানের পাহাড় গড়েছিল এদিন নিউ জিল্যান্ড। তার জবাবে নেমেই এদিন ইন্দোরের হোলকার স্টেডিয়ামে রানের ঝড় তুলেছিলেন ডেভন কনওয়ে। ভারতের স্পিন আক্রমণকেই এদিন লক্ষ্য করে নিয়েছিলেন তিনি। একটা সময় তাঁর ব্যাটিং যে ভারতীয় দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে বেশ চিন্তায় ফেলে দিয়েছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ১০০ বলে এদিন ১৩৮ রানের ইনিংস খেলেছিলেন ডেভন কনওয়ে।
ভারতেরক বিরুদ্ধে এদিন ৭১ বলে সেঞ্চুরী করেছেন ডেভন কনওয়ে
এর আগে অবশ্য ভারতের বিরুদ্ধে একদিনের ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরীর রেকর্ড ছিল মাইকেল ব্রেসওয়েলের। প্রথম ম্যাচেই ভারতের বিরুদ্ধে সেই রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। এদিন তাঁর পরই নিজের নাম জুড়লেন ডেভন কনওয়ে। ওপেনিংয়ে ফিন অ্যালেন শূন্য রানে ফিরে গেলেও, শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন এই তারকা ক্রিকেটার। তাঁর ব্যাটে এদিন সুধুই ছিল চার ও ছয়ের বন্যা। বিশেষ করে ভারতীয় স্পিন আক্রমণের বিরুদ্ধে একটু বেশীই বিধ্বংসী ছিলেন এই তারকা ক্রিকেটার।
ডেভন কনওয়ের ১৩৮ রানের ইনিংস জুড়ে রয়েছে ১২টি বাউন্ডারি এবং ৮টি ওভার বাউন্ডারি। যদিও শেষপরপ্যন্ত এই তারকা ক্রিকেটার মাঠে থাকতে পারেননি। উমরান মালিকের বোলিংয়ের সামনেই থামতে হয়েছিল ডেভন কনওয়েকে। আর তাতেই ভারতের জয়ের রাস্তাটা যে পুরোপুরি পাকা হয়ে গিয়েছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রথম দুই ম্যাচেই ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি তিনি। শেষ ম্যাচেই ডেভন কনওয়ের ব্যাটে দেখা গেল বড়রানের ঝলক।
এদিন টস জিতে এদিন প্রখথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন নিউ জিল্যান্ড অধিনায়ক। কিন্তু ভারতের ওপেনিং পার্টনারশিপই নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয়ের রাস্তাটা কার্যত তৈরি করে দিয়ে গিয়েছিল। রোহিত শর্মা এবং শুভমন গিলের সেঞ্চুরীতেই নিউ জিল্যান্ড বোলিং শেষ হয়ে গিয়েছিল। যদিও ডেভন কনওয়ে এদিন একটা চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু নিউ জিল্যান্ডকে জেতানোর জন্য তা যথেষ্ট ছিল না।