ওয়ার্নার-মিচেল মার্শের সেঞ্চুরী পার্টনারশিপে রাজস্থানকে হারিয়ে প্লে অফের দৌঁড়ে থাকল দিল্লি ক্যাপিটালস

Mitchell Marsh and David Warner
Mitchell Marsh and David Warner. (Photo Source: IPL/BCCI)

ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শের সেঞ্চুরী পার্টনারশিপেই আইপিএলের প্লে অফের আশা জিইয়ে রাখল দিল্লি ক্যাপিটালস। রাজস্থান রয়্যালসকে হারিয়ে ১১ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট তুলে নিল দিল্লি ক্যাপিটালস। রাজস্থান রয়্যালসকে ৮ উইকেটে হারালেন ঋষভ পন্থরা। যদিও ম্যাচ জয়ের সুযোগ যে রাজস্থান পায়নি তা নয়। কিন্তু একের পর এক ক্যাচ ফস্কানোর খেসারতই এদিন দিতে দল সঞ্জু স্যামসনদের। সেইসঙ্গে প্লে অফে পৌঁছনোর লড়াইটা একট হেও কঠিন করে ফেলল রাজস্থান রয়্যালস।

আইপিএলের মঞ্চে প্লে অফে পৌঁছতে হলে শেষ তিন ম্যাচেই জিততে হবে এবার দিল্লি ক্যাপিটালসকে। তার আগে পৃথ্বী শয়ের দলে না থাকটা একটা বড় ধাক্কা ছিল। আর রাজস্থান রয়্যালস যে দিল্লি ক্যাপিটালসের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সেখানেই ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শের দক্ষ হাতে  হাতে ভর করে ম্যাচ জিতে নিল দিল্লি ক্যাপিটালস। প্লে অফে পৌঁছতে হলে শেষ দুই ম্যাচেও জিততে হবে ঋষভ পন্থদের।

রাজস্থানকে হারিয়ে লিগ টেবিলে পাঁচ নম্বরে উঠে এল দিল্লি ক্যাপিটালস

এবারের আপিএলে শুরুটা ভালভাবে করলেও, মাঝপথে ছন্দপতন হয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। যদিও তাদের প্লে অফের আশা একেবারে শেষ যায়নি। দিল্লি শিবিরে যোগ দেওয়ার পর প্রথমবার জ্বলে উঠলেন মিচেল মার্শ। আর তাতেই সাফল্য দিল্লি শিবিরের। ডি ওয়াই পটেল স্টেডিয়ামে ওয়ার্নারের থেকেও এদিন বেশী আক্রমণাত্মক ফর্মে ছিলেন মিচেল মার্শ। আফশোস শুদু একটাই রয়ে গেল, মিচেল মার্শ আইপিএলের প্রথম সেঞ্চুরিটা পেলেন না।

টস জিতে এদিন প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। রাজস্থান শিবিরের এবার প্রধান অস্ত্র জস বাটলার। তবে এদিন তিনি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেননি। তার আগেই ৭ রানে তাঁকে সাজঘরে ফিরিয়ে দেন চেতন সাকারিয়া। এদিন হঠাত্ই রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে ওপরের দিকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে দেন সঞ্জু স্যামসন। আর সেই পরিকল্পনাটাই সফল হয়ে যায় তাঁর। রবিচন্দ্রন অশ্বিনই এদিন রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে সবচেয়ে বেশী রান করেন। তিনি ফেরেন ৩৮ বেল ৫০ রানের ইনিংস খেলে।

কিন্তু তিনি ফেরার পরই রাজস্থানের রানের গতি কমে যায়। পরপর সঞ্জু স্যামসন ও রিয়ান পরাগ ব্যর্থ হয়ে সাজঘরে ফিরে যান। দেবদূত পাড়িক্কলের ৪৮ রানের সৌজন্যে দেড়শো রানের কাছে পৌঁছয় রাজস্থান রয়্যালস। শেষ পর্যন্ত ১৬০ রান করে  রাজস্থান রয়্যালস।

এই ম্যাচ জিততে হলে শুরু থকেই রাজস্থানকে আক্রমণাত্মক বোলিং করতে হত। শুরুতে কে এস ভরতকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন ট্রেন্ট বোল্ট। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। ভাগ্য দেবতা অবশ্য দিল্লি ক্যাপিটালসের ওপর প্রসন্ন ছিলেন না। যে ওয়ার্নার এবং মিচেল মার্শ ম্যাচ জিতিয়ে দিলেন, তাদের একাধিক ক্যচ  ফস্কানো এবং ওয়ার্নারের উইকেট বল লাগলেও বেল না পড়া এদিন ম্যাচের ভবিষ্যতের ইঙ্গিত দিয়েছিল। ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শের ১৪৪ রানের পার্টনারশিপ এদিন রাজস্থানের জয়ের সমস্ত আশা শেষ করে দিয়ে গেল। এই জয়ের সঙ্গেই লিগ টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল দিল্লি ক্যাপিটালস।

close whatsapp