ভারতীয় দলে রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দানিশ কানেরিয়া

Ravichandran Ashwin
Ravichandran Ashwin. (Photo by GLYN KIRK/AFP via Getty Images)

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম তিন দিন ভারত ফ্রন্টফুটে থাকলেও, হঠাত্ই যেন বদলাতে শুরু করেছে পরিস্থিতি। চতুর্থ দিন যেভাবে জো রুট এবং জনি বেয়ারস্টো ১৪৭ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তুলেছেন, সেই জায়গায় দাঁডিয়ে ভারতের জয়ের সম্ভাবনা যে ক্রমশই ক্ষীণ হচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আর তাতেই রাহুল দ্রাবিড়ের দল গঠন নিয়ে এবার প্রশ্ন তুললেন প্রাক্তন পাকিস্তানি ক্রিকেটার দানিশ কানেরিয়া। তাঁর মতে এমন গুরুত্বপূর্ণ টেস্ট থেকে রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে কেন বাদ দেওয়া সটিক কাজ হয়নি ।

এই মুহূর্তে আইসিসির র্যাঙ্কিংয়ে অল রাউন্ডার এবং স্পিন বোলিংয়ে দুই নম্বরে রয়েছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতীয় দলের স্কোয়াডেও রাখা হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু শেষপর্যন্ত এজবাস্টনে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে রাখা হয়নি এই তারকা ক্রিকেটারকে। সেটাই যেন প্রাক্তন এই পাকিস্তানি ক্রিকেটারকে অবাক করে দিচ্ছে। তাঁর মতে এমন গুরুত্বপূর্ণ টেস্টে সবসময়ই ভারতীয় দলে অশ্বিনের থাকাটা দরকারী ছিল।

ইংল্যান্ডের বিরু্দ্ধে তৃতীয় দিন থেকেই ধীরে ধীরে বদলাতে শুরু করেছিল পিচের প্রকৃতি। তৃতীয় দিনের পর থেকেই খানিকটা ধীর গতির হতে শুরু করেছিল পিচের প্রকৃতি। এমন পরিস্থিতিতে দলের স্পিনার এবং সিমাররাই বেশী সুবিধা পেত। এই পরিস্থিতিতে ইংল্যান্ডে বহু ম্যাচে খেলেছেন রাহুল দ্রাবিড়। পিচের প্রকৃতি দেখে রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে খেলানো এই ম্যাচে উচিত্ ছিল বলেই মনে করছেন এই  প্রাক্তন পাকিস্তানি ক্রিকেটার।

প্রথম চার ম্যাচেও দলের বাইরেই ছিলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন

তিনি এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, “এই মুহূর্তে এজবাস্টনে জয়ের জায়গা থেকে হারের দিকে ভারতীয় দল। কেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন ভারতীয় দলে নেই। যেখানে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাহুল দ্রাবিড়। ইংল্যান্ডের মাটিতে যাঁর বহু ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি খুব ভালভাবেই জানেন যে দগ্রীষ্মকালে ইংল্যান্ডের উইকেট কতটা শুষ্ক হয় এবং তৃতীয় দিনের পর থেকে কেমনভাবে স্পিনাররা সেই পিচে সুবিধা করতে পারেন। যখন এমনভাবে সিমাররা সুবিধা পাচ্ছেন, সেখানে  স্পিনাররাও সুবিধা পেতেনই এই পিচ থেকে। একমাত্র বুমরাহকে দেখেই মনে হচ্ছে তিনি চমক দেখাতে পারেন। ভারতকে তাদের ভুলের মূল্য চোকাতে হচ্ছে”।

চতুর্থ দিন ভারতীয় বোলারদের বিরুদ্ধে দুর্ধর্ষ ফর্মে ছিলেন ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা। চতুর্থ দিন থেকেই বারতের ওপর চাপ বাড়তে শুরু করেছে। যদিও শেষপর্যন্ত পঞ্চম দিনই ভাগ্য নির্ধারণ হবে দুই দলের। কিন্তু যেভাবে রুট এবং বেয়ারস্টো খেলে চলেছে তাতে ভারতের আশা যে কমংছে তা বলাই বাহুল্য।

close whatsapp