৫৪৬ রানে জিতে একবিংশ শতাব্দীতে সর্বোচ্চ ব্যবধানে টেস্ট জয়ের রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ

Bangladesh_Win
Bangladesh_Win. ( Image Source: Twitter )

আভাসটা প্রথম দিন থেকেই পাওয়া গিয়েছিল। চার দিনেই আফগানিস্তানকে বিধ্বস্ত করে মিরপুরের বাইশগজে ইতিহাস তৈরি করল বাংলাদেশ। আফগান ক্রিকেটারদের মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও সুযোগই দিল না বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। মাত্র চার দিনেই টেস্ট জয় বাংলাদেশের। সেইসঙ্গে বিশ্ব ক্রিকেটের মঞ্চে গড়ল এক নতুন ইতিহাস। একবিংশ শতাব্দীতে টেস্টের মঞ্চে সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ৫৪৬ রানে জিতেছে বাংলাদেশ।

এই দিনটি যে বাংলাদসের ক্রিকেটের কাছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি হয়ে রয়ে গেল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আপগানিস্তানের বিরুদ্ধে একমাত্র টেস্টের সিরিজে নেমেছিল বাংলাদেশ। মিরপুরের বাইশগজে প্রথম দিন থেকেই দুরন্ত ফর্মে ছিল বাংলাদেশ শিবির। সেই ধারা গোটা ম্যাচেই তারা ধরে রেখেছে।  একদিন বাকি থাকতেই আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ৫৪৬ রানে জয় তুলে নিেয়েছে বাংলাদেশ। ক্রিকেটের মঞ্চে এখনও পর্যন্ত এটাই সবচেয়ে বড় ব্যবধানে টেস্ট জয় বাংলাদেশের। সেইসঙ্গে একবিংশ শতাদ্বীতেও এখনও পর্যন্ত টেস্টের মঞ্চে এটাই সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়।

দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরী করে ম্যাচের সেরা হয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত

এর আগে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ের রেকর্ড ছিল অস্ট্রেলিয়ার। দুবারই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেই জয় তুলে নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া  তবে সেটা ছিল উনবিংশ শতাব্দীতে। দুবারই ৬০০ রানের ব্য়বধানে জিতেছিল। সেই এলিট তালিকাতেই এবার নাম তুলল বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন শান্ত, এবাদত হোসেন এবং তাসকিন আহমেদদের হাত ধরে বিশ্ব টেস্টের মঞ্চে এক নতুন ইতিহাস তৈরি করল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। শনিবার এক সেশনের মধ্যেই আফগানিস্তানকে শেষ করে দিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের এই ম্যাচ জয়ের নায়ক যে নাজমুল হোসেন শান্ত, তা বলাই বাহুল্য।

টস জিতে বাংলাদেশকেই প্রথমে ব্যাটিংয়ের সুযোগ দিয়েছিলেন আফগানিস্তানের অধিনায়ক। সেখানেই নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাট থেকে দুরন্ত সেঞ্চুরী ইনিংসের ঝলক দেখা গিয়েছিল। তাংর ১৪৬ রানের ইনিংসে ভর করেই কার্যত বড় রানের রাস্তা তৈরি করে ফেলেছিল বাংলাদেশ।  প্রতম ইনিংসে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ৩৮২ রান। জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে মাত্র ১৪৬ রানেই শেষ হয়ে গিয়েছিল আফগানিস্তান। বল হাতে একাই চার উইকেট তুলে নিয়ে কার্যত আফগানিস্তনকে শেষ করে দিয়েছিলেন  এবাদত হোসেন।

এগিয়ে থেকেই নেমেছিল বাংলাদেশ। সেই লিেডেকেই আরও বড় জায়গায় নিয়ে যেতে সাহায্য করেছিলে্ন সেই নাজমুল হোসেন শান্ত। দ্বিতীয় ইনিংসেও তিনি করেছিলেন ১২৪ রান। সঙ্গে সে়ঞ্চুরী ইনিংস মোমিনুল হকেরও। ১২১ রান করেছিলেন তিনি।  এরপর বল হাতে বিদ্ধংসী মেজাজে ছিলেন তাসকিন আহমেদ। মাত্র ৯ ওভারে ৩৭ রান দিয়ে একাই তুলে নিয়েছিলেন ৪ উইকেট। সেইসঙ্গেই বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস লিখল বাংলাদেশ।

close whatsapp