জিম্বাবোয়ের কাছে হারের পর ব্যাটারদের ব্যর্থতাকেই দায়ী করছেন বাবর আজম

Babar Azam
Babar Azam. (Photo by Alex Davidson/Getty Images)

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের এখন অস্তিত্ব সঙ্কটে। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টিকে থাকার জন্য সামনের সবকটা ম্যাচেই এখন জিততে হবে পাকিস্তানকে। কাজটা যেঅত্যন্ত কঠিন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই ভারতের কাছে হেরে গিয়েছে পাকিস্তান। পরের ম্যাচেই জিম্বাবোয়ে বেশ সহজ প্রতিপক্ষই ছিল তাদের সামনে। কিন্তু সেখানেও বডসড় অঘটন ঘটেছে। জিম্বাবোয়ের কাছে অপ্রত্যাশিত হার অনেকটাই পিছনের দিকে ঠেলে দিয়েছে পাকিস্তানকে। আর এই ঘটনা যে চিন্তা বাড়ানোর জন্য যথেষ্ট তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

ম্যাচ শেষেই দলের ব্যাটিং পারফরম্যান্স নিয়েই কার্যত অসন্তুষ্ট পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। জিম্বাবোয়ের কাছে হারের পর সেই কথা বেলতেও দ্বিধা করেননি তিনি। তাদের এই খারাপ ব্যাটিংয়ের জন্যই যে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধেও পাকিস্তান জিততে ব্যর্থ েহয়েছে তা বলতে কোনও দ্বিধা করেননি তিনি। এখন টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টিকে  থাকাটাই তাদের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ। এদিন জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ১৩১ রানও করতে ব্যর্থ হয়েছে পাকিস্তান।

দুটো ম্যাচেই ব্যাট হাতে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছেন বাবর আজম

টস জিতে এদিন জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে প্রথমে বোলিংয়েরই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পাকিস্তান অধি্নায়ক। শুরুটা জিম্বাবোয়ে ভালভাবে করতে পারলেও, খেলার মাঝপথ থেকেই দুর্ধর্ষ পারফরম্যান্স দেখিয়েছিলেন পাকিস্তানের বোলাররা। বিশেষ করে মহম্মদ ওয়াসিমের অস্ধারণ বোলিং। তিনি একাই তুলে নিেয়েছিলেন এই ম্যেচে ৪ উইকেট। সেইসঙ্গে জিম্বাবোয়েকে ১৩০ রানেই থামিয়ে দিয়েছিলেন তারা। কিন্তু ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন এদিন পাকিস্তানের বোলাররাও।

ম্যাচ শেষেই পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম জানিয়েছেন, খুবই খারাপ পারফরম্যান্স এটা আমাদের দলের জন্য। এদিন আমরা একেবারেই নিজেদের মতো খেলতে পারিনি। বিশেষ করে যেমন ব্যাটিং করার প্রয়োজন ছিল তা এদিন আমরা করতে পারিনি। ব্যাট হাতে প্রথম ছটা ওভার খুবই খারাপ পারফরম্যান্স হয়েছিল আমাদের। তবে সেখান থেকেই শাদাব ও শান মাসুদ একটা পার্টনারশিপ গড়ে তুলছিল। কিন্তু হঠাত্ই শাদাব খানেরক আউট এবং পরপর দুটো উইকেট খোয়ানই আমাদের ব্যাটিংয়ের ওপর চাপ তৈরি করেছিল।

পাকিস্তানের জয়ের জন্য এদিন প্রয়োজন ছিল ১৩১ রান। কিন্তু সেই পথেই পাকিস্তানের সামনে অন্যতম বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন সিকান্দার রাজা। তিনি একাই পাকিস্তানের সেরা তিন উইকেট তুলে নেন। শাদাব খান এবং শান মাসুদের পার্টনারশিপটাও ভাঙেন তিনিই। আর তাতেই সমস্ত আশা শেষ হয়ে যায় পাকিস্তানের। ম্যাচ শেষে পাকিস্তান অধিনায়কের চোখেমুখে ছিল হতাশার ছাপ। ব্যাটারদের পারফরম্যান্সে হতাশা কিছুতেই কাটছে না তাদের।

close whatsapp